সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির শপথগ্রহণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে নিখোঁজের এক মাসেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূ আসমার। খুলনায় ৩ হাজার ৯৫৮ ইয়াবাসহ মোরেলগঞ্জের দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪ রাজাপুরে ২২ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক চড়া দামে পচা মাছ বিক্রি।  রুপাতলী বাজারে বেপরোয়া মাছ ব্যবসায়ীরা  বরিশালে বাজারের জায়গা নিয়ে ভাই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ স্বভাব নিয়ে রফিকুল ইসলাম জামালের কঠোর সমালোচনা ও ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল বরিশালে স্বাস্থ্য বিভাগের মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত: টিকাদান ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা জোর দেওয়ার তাগিদ টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক জীবননগর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

লতিফ সিদ্দিকীর কাছ থেকে উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেল শিশু পার্ক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১ ১৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ উদ্ধার করা জমিতে শিশু পার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পার্কটি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের নামে টাঙ্গাইল শেখ রাসেল শিশুপার্ক নামকরণ করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন বুধবার জেলার বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

রবিবার শহরের জেলা সদর সড়কের আকুর টাকুর পাড়ায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই বিঘা (৬৬ শতাংশ) জমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।

এ সময় ওই জমিতে লতিফ সিদ্দিকীর নির্মিত স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। উদ্ধার করার পর জমিটিতে লাল নিশান এবং এটি “ক” তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি বলে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি জানান, উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেলের নামে একটি শিশু পার্ক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুধবার মতবিনিময় সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ১৯৭২ সালে সরকারের কাছ থেকে ওই জমিটি ইজারা নেন। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইজারার টাকাও পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘসময় তিনি ইজারার টাকা পরিশোধ না করে সাব-জজ আদালতে মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলার রায় লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে যায়।

পরে জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ আপিল করে, সেখানেও লতিফ সিদ্দিকী ডিক্রি প্রাপ্ত হন। পরে সরকার পক্ষ হাই কোর্টে রিভিশন মামলা করেন, সেখানে লতিফ সিদ্দিকী হেরে যান।
পরে লতিফ সিদ্দিকী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। সেখানে সরকার পক্ষ ডিক্রি প্রাপ্ত হন। লতিফ সিদ্দিকীকে ওই জমির ওপর তার নির্মিত স্থাপনা অপসারণের জন্য গত ৩১ ডিসেম্বর প্রশাসন নোটিশ দেয়।

নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি স্থাপনা অপসারণ না করায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমি উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লতিফ সিদ্দিকীর কাছ থেকে উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেল শিশু পার্ক। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ উদ্ধার করা জমিতে শিশু পার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পার্কটি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের নামে টাঙ্গাইল শেখ রাসেল শিশুপার্ক নামকরণ করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন বুধবার জেলার বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

রবিবার শহরের জেলা সদর সড়কের আকুর টাকুর পাড়ায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা প্রায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই বিঘা (৬৬ শতাংশ) জমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।

এ সময় ওই জমিতে লতিফ সিদ্দিকীর নির্মিত স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। উদ্ধার করার পর জমিটিতে লাল নিশান এবং এটি “ক” তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি বলে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গণি জানান, উদ্ধার করা জমিতে শেখ রাসেলের নামে একটি শিশু পার্ক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বুধবার মতবিনিময় সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ১৯৭২ সালে সরকারের কাছ থেকে ওই জমিটি ইজারা নেন। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইজারার টাকাও পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘসময় তিনি ইজারার টাকা পরিশোধ না করে সাব-জজ আদালতে মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলার রায় লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে যায়।

পরে জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ আপিল করে, সেখানেও লতিফ সিদ্দিকী ডিক্রি প্রাপ্ত হন। পরে সরকার পক্ষ হাই কোর্টে রিভিশন মামলা করেন, সেখানে লতিফ সিদ্দিকী হেরে যান।
পরে লতিফ সিদ্দিকী হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। সেখানে সরকার পক্ষ ডিক্রি প্রাপ্ত হন। লতিফ সিদ্দিকীকে ওই জমির ওপর তার নির্মিত স্থাপনা অপসারণের জন্য গত ৩১ ডিসেম্বর প্রশাসন নোটিশ দেয়।

নোটিশ পাওয়ার পরও তিনি স্থাপনা অপসারণ না করায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জমি উদ্ধার করা হয়।