ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক কারাগারে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকায় শোকজ
- আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১ ১২৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ে প্রলোভনে নারী ধর্ষণ মামলায় জেলহাজতে থাকা শিক্ষক আতিয়ার রহমান মুকুলকে বদলির দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। মুকুল রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলফ টেকনোলজির (আইএইচটি) শিক্ষক। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইএইচটির প্রধান ফটকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন থেকে আগামি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষক মুকুলকে বদলির দাবি জানান।
এসময় শিক্ষার্থীরা জানান- আইএইচটি একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এখানে কোন খারাপ চরিত্রের শিক্ষকের ঠাঁই নেই। দ্রুত ওই শিক্ষককে বদলির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
এবিষয়ে আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. ফারহানা হক জানান, ‘আমি অফিসে এসে বিষয়টি শুনেছি। তবে এনিয়ে মানববন্ধনের কোন প্রয়োজন ছিলো না।
তিনি যেহেতু চাকরি করেন, তার বিরুদ্ধে চাকির বিধান মোতাবেক ব্যবস্থাগ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।
মামলা সূত্রে জানান গেছে, তিন মাস আগে ঘটকের মাধ্যমে ভিক্টিমকে দেখতে যান অভিযুক্ত। পরে অভিযুক্ত মুকুলের ভাবিকে দিয়ে ভিক্টিমের মোবাইল ফোন নাম্বরটি নেন। পরে ম্যাসেঞ্জার ও ইমুতে তারা কথা বলে।
এতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এনিয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর (২০১৯) ভিক্টিমকে বিয়ের প্রলোভনে নাটোর গোপালপুরে ওই নারীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে মুকুল ও ওই নারীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর পরে ওই নারী বিয়ের দাবি করেন। তবে শিক্ষক কালক্ষেপন করেন।
পরে ভিক্টিমের আত্মীয়-স্বজনরা মুকুলকে আটকে রেখে পুলিশকে জানালে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। এনিয়ে ঘটনার পরেরদিন ৩১ ডিসেম্বর বাঘা থানায় মামলা (মামলা নম্বর-৯) হয়েছে।
আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. ফারহানা হক আরও জানান, শিক্ষক মুকুল গত ১২ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত। তাই তাকে শোকজ করা হয়েছে। তিনি কেনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হননি, তার জবাব দেবেন। ’


























