সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

ডাক বিভাগের ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল জালিয়াত দম্পতি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
অভিনব পন্থায় পোস্টাল জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)।

রোববার (৩ জানুয়ারি) ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তালতলা এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন, ফজুলল হক আশরাফ (৫২) ও তার স্ত্রী আছমা আক্তার শিমু (৩৮)।
তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ডাক বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির তিন কর্মচারী ও তাদের এক সহযোগীকেও গ্রেফতার করে র‌্যাব গ্রেফতার। তারা হলেন, আমজাদ আলী (৫৫), মোস্তাফিজুর রহমান (৫২), ডলি রাণী সাহা (৫৩) ও লিংকন সাহা (২৪)

র‌্যাব ও ডাক বিভাগ বলছে, অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের প্রতারণা সম্ভব হতো না।
পোস্টাল মানি অর্ডার জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র- গত ফেব্রুয়ারিতে তা আঁচ করতে পারে ডাক বিভাগের এক কর্মকর্তা। পরে ডাক বিভাগের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক হাজার জাল মানি অর্ডারের তথ্য।
এক পর্যায়ে তদন্তে সম্পৃক্ত করা হয় র‌্যাবকে। তথ্য পাওয়া যায়, ফজলুল হক আশরাফ ও তার স্ত্রী ৪২টি সিল নিজেরা তৈরি করেন। এক পোস্ট অফিস থেকে অন্য পোস্ট অফিসে জাল মানি অর্ডারের মাধ্যমে সাড়ে ৩ কোটি টাকা লোপাট করার প্রমাণ পায় র‌্যাব।
লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, গ্রাহকের যে টাকাটি আছে সেটা তিনি নিজেই (ফজলুল হক) প্রেরক হন। এবং টাকা নিজে জমা দিতেন না। এবং প্রাথমিক পর্যায়ে জমা না দিয়ে ওই স্লিপটি গন্তব্যে পাঠিয়ে দিতেন। পরে নিজেই প্রাপক হয়ে টাকা উত্তোলন করতেন।
অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া যে প্রতারণা সম্ভব হতো না, স্বীকার করে ডাক বিভাগ। চক্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ডেপুটি পোস্ট মাস্টারের জেনারেল খন্দকার শাহানুর সাব্বির।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে চার স্তরের তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে।
অন্যদিকে চক্রের অপর দুই সদস্য বশির ও বাশার বর্তমানে পলাতক বলে জানায় র‌্যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডাক বিভাগের ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল জালিয়াত দম্পতি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
অভিনব পন্থায় পোস্টাল জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)।

রোববার (৩ জানুয়ারি) ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তালতলা এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন, ফজুলল হক আশরাফ (৫২) ও তার স্ত্রী আছমা আক্তার শিমু (৩৮)।
তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ডাক বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির তিন কর্মচারী ও তাদের এক সহযোগীকেও গ্রেফতার করে র‌্যাব গ্রেফতার। তারা হলেন, আমজাদ আলী (৫৫), মোস্তাফিজুর রহমান (৫২), ডলি রাণী সাহা (৫৩) ও লিংকন সাহা (২৪)

র‌্যাব ও ডাক বিভাগ বলছে, অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের প্রতারণা সম্ভব হতো না।
পোস্টাল মানি অর্ডার জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিস থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র- গত ফেব্রুয়ারিতে তা আঁচ করতে পারে ডাক বিভাগের এক কর্মকর্তা। পরে ডাক বিভাগের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রতারণার মাধ্যমে কয়েক হাজার জাল মানি অর্ডারের তথ্য।
এক পর্যায়ে তদন্তে সম্পৃক্ত করা হয় র‌্যাবকে। তথ্য পাওয়া যায়, ফজলুল হক আশরাফ ও তার স্ত্রী ৪২টি সিল নিজেরা তৈরি করেন। এক পোস্ট অফিস থেকে অন্য পোস্ট অফিসে জাল মানি অর্ডারের মাধ্যমে সাড়ে ৩ কোটি টাকা লোপাট করার প্রমাণ পায় র‌্যাব।
লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, গ্রাহকের যে টাকাটি আছে সেটা তিনি নিজেই (ফজলুল হক) প্রেরক হন। এবং টাকা নিজে জমা দিতেন না। এবং প্রাথমিক পর্যায়ে জমা না দিয়ে ওই স্লিপটি গন্তব্যে পাঠিয়ে দিতেন। পরে নিজেই প্রাপক হয়ে টাকা উত্তোলন করতেন।
অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া যে প্রতারণা সম্ভব হতো না, স্বীকার করে ডাক বিভাগ। চক্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ডেপুটি পোস্ট মাস্টারের জেনারেল খন্দকার শাহানুর সাব্বির।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে চার স্তরের তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে।
অন্যদিকে চক্রের অপর দুই সদস্য বশির ও বাশার বর্তমানে পলাতক বলে জানায় র‌্যাব।