সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের শিকার হয়ে স্বামীর ঘরে সন্তান প্রসব, বিচার দাবি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুয়াডাঙ্গায় বিয়ের দু মাস ১০ দিনের মাথায় এক নববধূ ছেলে সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২ জানুয়ারি) রাতে সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটে। রোববার (৩ জানুয়ারি) সকালে নবজাতকসহ ওই মাকে (১৭) চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল চত্বরেই আইনগতভাবে তাকে তালাক দেন তার স্বামী। সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে আর্তি জানিয়েছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, কয়রাডাঙ্গা গ্রামের ফুটবল মাঠপাড়ার হারুনের ছেলে আশিক (২০) একদিন কিছু একটা দেখানোর জন্য তার ঘরে যেতে বলে। সেখানে গেলে আশিক ধর্ষণ করে এবং এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানানো হয়নি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২ মাস ১০ দিন আগে আরেকজন পুরুষের সাথে ওই নারীর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শনিবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে সেখানেই সে এক ছেলে সন্তান প্রসব করেন তিনি।

এদিকে সদর হাসপাতালে উপস্থিত ওই নারীর স্বামীর পরিবারের লোকজন বলেন, এক ঘটকের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে দুমাস ১০ দিন আগে বিবাহ হয়। বিয়ের পর আমরা কোনভাবেই বুঝতে পারিনি সে অন্তঃসত্ত্বা ছিল।
ওই মেয়েটির স্বামী বলেন, বিয়ের পর আমার স্ত্রী বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যেত। তাই আমার পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি। তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে তালাক দিয়েছে আমার স্বামী। তালাক দিলেও এখনো দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করেননি তারা। তবে আমি আমার সন্তানের স্বীকৃতি চাই।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর খোকন বলেন, বিয়ের পর থেকে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যায় মেয়ে ও তার পরিবারের সদস্যরা। শনিবার রাতে শ্বশুর বাড়িতে ছেলে সন্তান প্রসব করে ওই নারী। তবে বিষয়টি উভয়পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিস সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণের শিকার হয়ে স্বামীর ঘরে সন্তান প্রসব, বিচার দাবি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
চুয়াডাঙ্গায় বিয়ের দু মাস ১০ দিনের মাথায় এক নববধূ ছেলে সন্তান প্রসবের ঘটনায় এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২ জানুয়ারি) রাতে সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটে। রোববার (৩ জানুয়ারি) সকালে নবজাতকসহ ওই মাকে (১৭) চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল চত্বরেই আইনগতভাবে তাকে তালাক দেন তার স্বামী। সন্তানের স্বীকৃতি চেয়ে আর্তি জানিয়েছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, কয়রাডাঙ্গা গ্রামের ফুটবল মাঠপাড়ার হারুনের ছেলে আশিক (২০) একদিন কিছু একটা দেখানোর জন্য তার ঘরে যেতে বলে। সেখানে গেলে আশিক ধর্ষণ করে এবং এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানানো হয়নি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২ মাস ১০ দিন আগে আরেকজন পুরুষের সাথে ওই নারীর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শনিবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে সেখানেই সে এক ছেলে সন্তান প্রসব করেন তিনি।

এদিকে সদর হাসপাতালে উপস্থিত ওই নারীর স্বামীর পরিবারের লোকজন বলেন, এক ঘটকের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে দুমাস ১০ দিন আগে বিবাহ হয়। বিয়ের পর আমরা কোনভাবেই বুঝতে পারিনি সে অন্তঃসত্ত্বা ছিল।
ওই মেয়েটির স্বামী বলেন, বিয়ের পর আমার স্ত্রী বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যেত। তাই আমার পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি। তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে তালাক দিয়েছে আমার স্বামী। তালাক দিলেও এখনো দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করেননি তারা। তবে আমি আমার সন্তানের স্বীকৃতি চাই।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর খোকন বলেন, বিয়ের পর থেকে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যায় মেয়ে ও তার পরিবারের সদস্যরা। শনিবার রাতে শ্বশুর বাড়িতে ছেলে সন্তান প্রসব করে ওই নারী। তবে বিষয়টি উভয়পক্ষের মধ্যে মীমাংসা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিস সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।