সংবাদ শিরোনাম ::
ভান্ডারিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিছন্নতা অভিযান ও কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মাথায় পিস্তল ঠেকিয়েও দমানো যায়নি, এবার সাংবাদিক আসলামকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ছক! বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫

বরিশালে অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ ! কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০ ২২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি নিয়ম-নীতি বা আইনের তোয়াক্কা না করেই চারপাশের পরিবেশ দূষণের মধ্যে ফেলে বরিশালে চলছে অবৈধ ইটভাটা। সম্প্রতি এ বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পরও অবৈধ ভাটা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হয় বলে বেশি উচ্চতার ইটের চিমনি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সরকারের এ আদেশ মানছে না ইটভাটার মালিক। বরিশালে কিছু এলাকায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধ হলেও বরিশালের বন্দর থানার চরকাউয়া ইউনিয়নে মেসার্স খান ব্রিকস আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ব্যবহার করে ইট পোড়াচ্ছে। কৃষিজমির পাশে গড়ে উঠেছে এ ইটভাটা। এছাড়া মেসার্স খান ব্রিকসে অবৈধভাবে পোড়ানোর জন্য বিপুল পরিমাণ কাঠের খড়ি মজুদ করা হয়েছে। দেশের বনজ সম্পদ উজাড় করে প্রতিদিন ট্রাক ট্রাক খড়ি নিয়ে আসা হচ্ছে এ
বরিশালে অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ ! কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ
ইটভাটায়।চরকরনজী এলাকার একাধিক ব্যক্তি ও ইউপি সদস্য অভিযোগ করেন, মেসার্স খান ব্রিকস কৃষিজমির পাশে স্থাপন করায় তাঁদের ফসলের ক্ষতি হয়। ভালো ফলন পাওয়া যায় না। ইটভাটার মালিক স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁরা প্রতিবাদ করতেও সাহস পান না। এছাড়া অই ইটভাটার কিছু দূরে পশ্চিম চরামদ্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে। এ ব্যাপারে মেসার্স খান ব্রিকসের প্রোপ্রাইটর মোকলেছুর রহমান খান মোবাইল ফোনে বলেন, গতবছর করোনার ভাইরাসের কারনে পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করতে পারি নাই, তবে এ বছর আমি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছি। আশাকরি ছাড়পত্র পেয়ে যাব এবং লাইসেন্স ও পাবো। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ইটভাটা স্থাপনের লাইসেন্স দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পরিত্যক্ত অনাবাদি জমি, নিচু জলাশয়ের ধারে, নদীর পাশে এবং কমপক্ষে চারদিকে ১ কিলোমিটার জনশূন্য এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার কথা।

পরিবেশ অধিদপ্তর উপপরিচালক কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ড্রাম-চিমনির ইটভাটা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ , ড্রামচিমিনওয়ালা ইটভাটাগুলোতে পরজায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে। অবৈধ ইটভাটা মালিক যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ-দূষণ করছে এরা পরিবেশের শত্রু এদের বিরুধে সকলের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বরিশালে অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ ! কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ১১:১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

সরকারি নিয়ম-নীতি বা আইনের তোয়াক্কা না করেই চারপাশের পরিবেশ দূষণের মধ্যে ফেলে বরিশালে চলছে অবৈধ ইটভাটা। সম্প্রতি এ বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পরও অবৈধ ভাটা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হয় বলে বেশি উচ্চতার ইটের চিমনি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। সরকারের এ আদেশ মানছে না ইটভাটার মালিক। বরিশালে কিছু এলাকায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধ হলেও বরিশালের বন্দর থানার চরকাউয়া ইউনিয়নে মেসার্স খান ব্রিকস আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে অল্প উচ্চতার ড্রাম-সিটের চিমনির ব্যবহার করে ইট পোড়াচ্ছে। কৃষিজমির পাশে গড়ে উঠেছে এ ইটভাটা। এছাড়া মেসার্স খান ব্রিকসে অবৈধভাবে পোড়ানোর জন্য বিপুল পরিমাণ কাঠের খড়ি মজুদ করা হয়েছে। দেশের বনজ সম্পদ উজাড় করে প্রতিদিন ট্রাক ট্রাক খড়ি নিয়ে আসা হচ্ছে এ
বরিশালে অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ ! কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ
ইটভাটায়।চরকরনজী এলাকার একাধিক ব্যক্তি ও ইউপি সদস্য অভিযোগ করেন, মেসার্স খান ব্রিকস কৃষিজমির পাশে স্থাপন করায় তাঁদের ফসলের ক্ষতি হয়। ভালো ফলন পাওয়া যায় না। ইটভাটার মালিক স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁরা প্রতিবাদ করতেও সাহস পান না। এছাড়া অই ইটভাটার কিছু দূরে পশ্চিম চরামদ্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে। এ ব্যাপারে মেসার্স খান ব্রিকসের প্রোপ্রাইটর মোকলেছুর রহমান খান মোবাইল ফোনে বলেন, গতবছর করোনার ভাইরাসের কারনে পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করতে পারি নাই, তবে এ বছর আমি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছি। আশাকরি ছাড়পত্র পেয়ে যাব এবং লাইসেন্স ও পাবো। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ইটভাটা স্থাপনের লাইসেন্স দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পরিত্যক্ত অনাবাদি জমি, নিচু জলাশয়ের ধারে, নদীর পাশে এবং কমপক্ষে চারদিকে ১ কিলোমিটার জনশূন্য এলাকায় ইটভাটা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার কথা।

পরিবেশ অধিদপ্তর উপপরিচালক কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ড্রাম-চিমনির ইটভাটা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ , ড্রামচিমিনওয়ালা ইটভাটাগুলোতে পরজায়ক্রমে অভিযান চালানো হবে। অবৈধ ইটভাটা মালিক যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ-দূষণ করছে এরা পরিবেশের শত্রু এদের বিরুধে সকলের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।