ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন
ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন
- আপডেট সময় : ০৩:৪০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
filter: 109; fileterIntensity: 0.29; filterMask: 0; hdrForward: 0; sv:16.1.8.0.W20; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 32768;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 41;

তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির একক প্রার্থী দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হাইব্রিড বা সুযোগসন্ধানী রাজনীতির বিএনপিতে কোনো স্থান নেই।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির হলরুমে সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. সৈয়দ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মল্লিকের সঞ্চালনায় সভায় সভা পরিচালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এস. এম. এজাজ হাসান।
সভায় প্রধান বক্তা আরো বলেন দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে মামলা, হামলা, কারাবরণ ও নির্যাতন সহ্য করা নেতাকর্মীদের মূল্যায়নে জেলা বিএনপি সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে। যারা কখনো রাজপথে ছিলেন না, তারা যদি ত্যাগী নেতাদের হেয় বা অবমূল্যায়নের চেষ্টা করেন, তবে তাদের সাংগঠনিকভাবেই প্রতিহত করা হবে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত বলয় ভেঙে দল মনোনীত একক, গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থী নিশ্চিত করা হবে। দলের সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।
সভায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অনেক সময় পরবর্তীতে দলে যোগদানকারীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি করছে। তারা এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানান।
সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। উল্লেখযোগ্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন:
অ্যাড. মিজানুর রহমান মুবিন, বাবু চন্দন পোদ্দার, আজিজুর রহমান বশির, ফারজানা ইয়াসমিন, আনিসুজ্জামান চপল, কে. এম. জুয়েল, মো. হেমায়েত মল্লিক, মিজানুর রহমান, সৈয়দ রেজাউল ও লাভলী আক্তার।
আব্দুর রহিম রফিক সরদার (বিনয়কাঠী), মীর আহসান ও মো: সোহেল হোসেন (নথুল্লাবাদ), মো. সাইদুল ইসলাম (বাসন্ডা), মোঃ আনোয়ার হোসেন (ধানসিঁড়ি), মোঃ শরিফুল হক প্লেটো (কীর্তিপাশা), সরদার মোঃ শহিদুল্লা (নবগ্রাম), মোঃ শাহআলম রাজা (কেওড়া), মোঃ ইউনুস মোল্লা (পোনাবালিয়া) এবং আবু সায়েম কালা (গাভা)।
সভার শেষাংশে বক্তারা দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করা, তৃণমূলের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং সব ধরনের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ জোর দেন।





















