সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

মধুদা’র ভাস্কর্যের কান ভেঙে দিল দুর্বৃত্তরা, রাতেই মেরামত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র রাজনীতির আতুরঘর খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে স্থাপিত মধুদার আবক্ষ ভাস্কর্যের বাম পাশের কান বুধবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবহিত হলে মধ্যরাতেই সেটি মেরামত করা হয়। তবে এটি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ঘটিয়েছে কিনা- এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কেউই কিছু জানাতে পারেনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাস্কর্যটির বাম পাশের কান সিমেন্ট দিয়ে মেরামত করা হয়েছে।

তবে এতে স্পষ্ট কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
মধুর ক্যান্টিনের পরিচালক অরুণ কুমার দে বলেন, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় আমি ভাষ্কর্যের কান ভাঙ্গা অবস্থায় দেখতে পাই। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর ও পুলিশকে জানাই। পরে রাত সাড়ে বারোটার দিকে প্রক্টরিয়াল টিম মিস্ত্রি নিয়ে এসে ভাঙ্গা কানটি ঠিক করে।

তিনি জানান, কীভাবে এটা ভেঙেছে, এটা বুঝতে পারছি না।
তবে ক্যান্টিনের কর্মচারীরাই এটা মেরামত করেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী। তিনি জানান, এমন একটি তথ্য রাতেই আমাদের কাছে এসেছিলো। পরে ক্যান্টিনের লোকেরাই কানটি পূনঃস্থাপন করেছে।

বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা- সেটা তদন্ত করতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে।
মধুদা’র প্রকৃত নাম ‘মধুসূদন দে’। তিনিই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থিত মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে জগন্নাথ হল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করে। মধুদার স্মৃতির স্মরণে ‘মধুর ক্যানটিন’ এর নামকরণ করা হয়।

‘মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্য’টি মধুর ক্যানটিনের একটি দরজার পাশেই অবস্থিত। ভাস্কর্যটির ভাস্কর তৌফিক হোসেন খান। ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমদ ভাস্কর্যটির প্রথম উদ্বোধন করেন। বর্তমান অবস্থানে ভাস্কর্যটির পুনর্নির্মাণের পর ২০০১ সালে এটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মধুদা’র ভাস্কর্যের কান ভেঙে দিল দুর্বৃত্তরা, রাতেই মেরামত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র রাজনীতির আতুরঘর খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে স্থাপিত মধুদার আবক্ষ ভাস্কর্যের বাম পাশের কান বুধবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবহিত হলে মধ্যরাতেই সেটি মেরামত করা হয়। তবে এটি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ঘটিয়েছে কিনা- এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কেউই কিছু জানাতে পারেনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাস্কর্যটির বাম পাশের কান সিমেন্ট দিয়ে মেরামত করা হয়েছে।

তবে এতে স্পষ্ট কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
মধুর ক্যান্টিনের পরিচালক অরুণ কুমার দে বলেন, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় আমি ভাষ্কর্যের কান ভাঙ্গা অবস্থায় দেখতে পাই। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর ও পুলিশকে জানাই। পরে রাত সাড়ে বারোটার দিকে প্রক্টরিয়াল টিম মিস্ত্রি নিয়ে এসে ভাঙ্গা কানটি ঠিক করে।

তিনি জানান, কীভাবে এটা ভেঙেছে, এটা বুঝতে পারছি না।
তবে ক্যান্টিনের কর্মচারীরাই এটা মেরামত করেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানী। তিনি জানান, এমন একটি তথ্য রাতেই আমাদের কাছে এসেছিলো। পরে ক্যান্টিনের লোকেরাই কানটি পূনঃস্থাপন করেছে।

বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা- সেটা তদন্ত করতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে।
মধুদা’র প্রকৃত নাম ‘মধুসূদন দে’। তিনিই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থিত মধুর ক্যান্টিনের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে জগন্নাথ হল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করে। মধুদার স্মৃতির স্মরণে ‘মধুর ক্যানটিন’ এর নামকরণ করা হয়।

‘মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্য’টি মধুর ক্যানটিনের একটি দরজার পাশেই অবস্থিত। ভাস্কর্যটির ভাস্কর তৌফিক হোসেন খান। ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমদ ভাস্কর্যটির প্রথম উদ্বোধন করেন। বর্তমান অবস্থানে ভাস্কর্যটির পুনর্নির্মাণের পর ২০০১ সালে এটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী।