সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

৫৪ থেকে ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেন আসছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
৫৪ থেকে ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা থেকে যাওয়া যাবে চট্টগ্রামে। যেখানে রেলপথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে এখন সময় লাগে ছয় ঘণ্টা। মূলত সরকারের গৃহীত বুলেট ট্রেন প্রকল্প চালু হলেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, বুলেট ট্রেনের নকশার চূড়ান্ত অনুমোদন চলতি ডিসেম্বরে হতে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন গণমাধ্যমকে বলেন, বুলেট ট্রেনের প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা। ডিসেম্বরে তারা বাংলাদেশে আসবেন। এরপর ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য একনেকে যাবে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত বুলেট ট্রেনের রেলপথটি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য দিয়ে যাবে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণ করা হলে এ পথে যাতায়াতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগবে। রেলপথটি কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যাতায়াতও সহজ হবে।
প্রকল্পটির সমীক্ষার অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১০০ কোটি ৬৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে ডলারের দাম ও পরামর্শক খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রকল্প পিছিয়ে যায়।
সমীক্ষা প্রকল্প শেষে পরবর্তী মূল প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে কয়েক বছরের মধ্যে বুলেট ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যৌথভাবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশার কাজ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন (চীন) ও মজুমদার এন্টারপ্রাইজ (বাংলাদেশ)।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের রেলপথের দূরত্ব ৩২১ কিলোমিটার। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বুলেট ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে। আর দিনে ট্রেনটি ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। এ জন্য প্রত্যেক যাত্রীকে দুই হাজার টাকার মতো ভাড়া গুনতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫৪ থেকে ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেন আসছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
৫৪ থেকে ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা থেকে যাওয়া যাবে চট্টগ্রামে। যেখানে রেলপথে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে এখন সময় লাগে ছয় ঘণ্টা। মূলত সরকারের গৃহীত বুলেট ট্রেন প্রকল্প চালু হলেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, বুলেট ট্রেনের নকশার চূড়ান্ত অনুমোদন চলতি ডিসেম্বরে হতে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন গণমাধ্যমকে বলেন, বুলেট ট্রেনের প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা। ডিসেম্বরে তারা বাংলাদেশে আসবেন। এরপর ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য একনেকে যাবে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত বুলেট ট্রেনের রেলপথটি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মধ্য দিয়ে যাবে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা বা লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত হাইস্পিড ট্রেন লাইন নির্মাণ করা হলে এ পথে যাতায়াতে এক ঘণ্টারও কম সময় লাগবে। রেলপথটি কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে যাতায়াতও সহজ হবে।
প্রকল্পটির সমীক্ষার অনুমোদিত ব্যয় ছিল ১০০ কোটি ৬৯ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ২০১৭ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। তবে ডলারের দাম ও পরামর্শক খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রকল্প পিছিয়ে যায়।
সমীক্ষা প্রকল্প শেষে পরবর্তী মূল প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে কয়েক বছরের মধ্যে বুলেট ট্রেনে ভ্রমণ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যৌথভাবে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশার কাজ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন (চীন) ও মজুমদার এন্টারপ্রাইজ (বাংলাদেশ)।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের রেলপথের দূরত্ব ৩২১ কিলোমিটার। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বুলেট ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে। আর দিনে ট্রেনটি ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। এ জন্য প্রত্যেক যাত্রীকে দুই হাজার টাকার মতো ভাড়া গুনতে হবে।