সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করে ছেলের খুনিদের বিচার চাইলেন মা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০ ১৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম নিউজ:: পটুয়াখালীর মুসলিপাড়ার একটি বাসায় আটকে তানভীর রহমান (২১) নামের যুবককে শ্বাসরোধ করে হত্যায় জড়িতদের কঠোর বিচার চেয়েছেন স্বজনেরা। সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন নিহতের মা কামরুন্নাহার।
নিহত তানভীর জেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি ফার্মেসিতে চাকরি করতেন।

নিহতের মা কামরুন্নাহার জানান, তার ছেলে তানভীর ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ঢাকায় থাকা অবস্থায় তানভীরের সাথে মুঠোফোনে পটুয়াখালীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া এলাকার এবিএ শাহীন ফেরদৌসের মেয়ে মারিয়া আক্তারের (১৮) পরিচয় এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি উভয় পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। গত ১১ নভেম্বর তানভীরকে কৌশলে ঢাকা থেকে ডেকে পটুয়াখালী নিয়ে আসে মারিয়ার বাবা শাহীন ফেরদৌস। ওইদিন বিকেলে শাহীনের বাসায় তানভীরকে শারীরিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়। এলাকাবাসী টের পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে থানা থেকে তানভীরের বোন নিপা বেগমের কাছে ফোন করে তানভীরের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ছেলে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাদের মামলা গ্রহণ না করে উল্টো সন্দেহভাজন ঘাতক শাহীন ফেরদৌসের দায়ের করা অপমৃত্যু মামলা রজ্জু করে।

নিরুপায় হয়ে তানভীরকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত এবিএ শাহীন ফেরদৌস, তার স্ত্রী রুমা বেগম, মেয়ে মারিয়া আক্তার এবং ইমরান নামে ৪জনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ওসি’কে নির্দেশ দেন।

তানভীরের মায়ের অভিযোগ, যে ওসি হত্যা মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তাকেই দেওয়া হলো আদালতের মামলা তদন্তের দায়িত্ব। এতে তারা ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে সন্দিহান।

সংবাদ সম্মেলনে তানভীরের বোন ফেরদৌসী ইসলাম, খালাতো ভাই ইমরান হোসেন ও মামা হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করে ছেলের খুনিদের বিচার চাইলেন মা।

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম নিউজ:: পটুয়াখালীর মুসলিপাড়ার একটি বাসায় আটকে তানভীর রহমান (২১) নামের যুবককে শ্বাসরোধ করে হত্যায় জড়িতদের কঠোর বিচার চেয়েছেন স্বজনেরা। সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন নিহতের মা কামরুন্নাহার।
নিহত তানভীর জেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি ফার্মেসিতে চাকরি করতেন।

নিহতের মা কামরুন্নাহার জানান, তার ছেলে তানভীর ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ঢাকায় থাকা অবস্থায় তানভীরের সাথে মুঠোফোনে পটুয়াখালীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া এলাকার এবিএ শাহীন ফেরদৌসের মেয়ে মারিয়া আক্তারের (১৮) পরিচয় এবং পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি উভয় পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। গত ১১ নভেম্বর তানভীরকে কৌশলে ঢাকা থেকে ডেকে পটুয়াখালী নিয়ে আসে মারিয়ার বাবা শাহীন ফেরদৌস। ওইদিন বিকেলে শাহীনের বাসায় তানভীরকে শারীরিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়। এলাকাবাসী টের পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে থানা থেকে তানভীরের বোন নিপা বেগমের কাছে ফোন করে তানভীরের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ছেলে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাদের মামলা গ্রহণ না করে উল্টো সন্দেহভাজন ঘাতক শাহীন ফেরদৌসের দায়ের করা অপমৃত্যু মামলা রজ্জু করে।

নিরুপায় হয়ে তানভীরকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত এবিএ শাহীন ফেরদৌস, তার স্ত্রী রুমা বেগম, মেয়ে মারিয়া আক্তার এবং ইমরান নামে ৪জনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ওসি’কে নির্দেশ দেন।

তানভীরের মায়ের অভিযোগ, যে ওসি হত্যা মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তাকেই দেওয়া হলো আদালতের মামলা তদন্তের দায়িত্ব। এতে তারা ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে সন্দিহান।

সংবাদ সম্মেলনে তানভীরের বোন ফেরদৌসী ইসলাম, খালাতো ভাই ইমরান হোসেন ও মামা হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।