সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

রাজাপুরে যুবক হত্যা: বাবাসহ প্রেমিকা গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ ১৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজাপুর প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মো. আজিজুল হক মাসুদ (৩৮) হত্যার ঘটনায় বাবাসহ তার প্রেমিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আজিজুল হকের ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম সোহেল বাদী হয়ে প্রেমিকা সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন, যার মামলা নম্বর ২১।

এর পর রাতেই পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি স্কুলশিক্ষিকা নুরুন নাহার সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবা মো. শহিদুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

তারা উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তারা বরিশাল সদরের চাঁদমারী এলাকার মাদ্রাসা সড়কের বাসিন্দা।

জানা যায়, সুমি ও নিহত আজিজুলের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুমি উপজেলার মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা। এ কারণে তিনি হাজী মঞ্জিলের তিনতলার ছাদে একটি রুমে ভাড়া থাকতেন।

সুমির বাবা শহিদুল বিশ্বাস নৈকাঠি এলাকার শহিদুল ইসলামের ‘স’ মিলে কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ধোনাই এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে আজিজুল হক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলিফ্যান্ট রোডের ভাড়া বাসায় থেকে চাকরি করতেন। নুরুন নাহার সুমির পায়ের হাড় নষ্ট হয়ে যায়।

ওই পায়ের চিকিৎসার জন্য ছয় বছর ধরে ঢাকার সোহরায়ার্দী হাসপাতালে যাওয়া-আসার সুবাধে আজিজুলের সঙ্গে সুমির পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সুমির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা পদে চাকরি হয়। এর পর সুমির বাবা রাজিব নামে এক যুবকের বিয়ে ঠিক করেন।

সুমির বিয়ে নিয়ে গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার সঙ্গে আজিজুলের মোবাইল ফোনে কথা হয়।

পরে সেদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আজিজুল ঈগল পরিবহনের একটি বাসে রওনা হয়ে ২৭ নভেম্বর সকালে রাজাপুর উপজেলার হাইজ্যাক মোড়ে নামে এবং এলাকার হাজী মঞ্জিলের ৩য় তলায় ছাদে চিলিকোঠায় সুমির ভাড়া বাসায় ওঠে।

এ সময় হবু রাজিবকে নিয়ে সুমি ও আজিজুলের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এ পর্যায়ে সুমি কৌশলে তিন তলার ছাদ থেকে আজিজুলকে নিচে ফেলে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে যুবক হত্যা: বাবাসহ প্রেমিকা গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

রাজাপুর প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মো. আজিজুল হক মাসুদ (৩৮) হত্যার ঘটনায় বাবাসহ তার প্রেমিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আজিজুল হকের ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম সোহেল বাদী হয়ে প্রেমিকা সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন, যার মামলা নম্বর ২১।

এর পর রাতেই পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি স্কুলশিক্ষিকা নুরুন নাহার সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবা মো. শহিদুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

তারা উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তারা বরিশাল সদরের চাঁদমারী এলাকার মাদ্রাসা সড়কের বাসিন্দা।

জানা যায়, সুমি ও নিহত আজিজুলের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুমি উপজেলার মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা। এ কারণে তিনি হাজী মঞ্জিলের তিনতলার ছাদে একটি রুমে ভাড়া থাকতেন।

সুমির বাবা শহিদুল বিশ্বাস নৈকাঠি এলাকার শহিদুল ইসলামের ‘স’ মিলে কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ধোনাই এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে আজিজুল হক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলিফ্যান্ট রোডের ভাড়া বাসায় থেকে চাকরি করতেন। নুরুন নাহার সুমির পায়ের হাড় নষ্ট হয়ে যায়।

ওই পায়ের চিকিৎসার জন্য ছয় বছর ধরে ঢাকার সোহরায়ার্দী হাসপাতালে যাওয়া-আসার সুবাধে আজিজুলের সঙ্গে সুমির পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সুমির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা পদে চাকরি হয়। এর পর সুমির বাবা রাজিব নামে এক যুবকের বিয়ে ঠিক করেন।

সুমির বিয়ে নিয়ে গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার সঙ্গে আজিজুলের মোবাইল ফোনে কথা হয়।

পরে সেদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আজিজুল ঈগল পরিবহনের একটি বাসে রওনা হয়ে ২৭ নভেম্বর সকালে রাজাপুর উপজেলার হাইজ্যাক মোড়ে নামে এবং এলাকার হাজী মঞ্জিলের ৩য় তলায় ছাদে চিলিকোঠায় সুমির ভাড়া বাসায় ওঠে।

এ সময় হবু রাজিবকে নিয়ে সুমি ও আজিজুলের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এ পর্যায়ে সুমি কৌশলে তিন তলার ছাদ থেকে আজিজুলকে নিচে ফেলে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।