সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

রাজাপুরে যুবক হত্যা: বাবাসহ প্রেমিকা গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ ১৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজাপুর প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মো. আজিজুল হক মাসুদ (৩৮) হত্যার ঘটনায় বাবাসহ তার প্রেমিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আজিজুল হকের ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম সোহেল বাদী হয়ে প্রেমিকা সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন, যার মামলা নম্বর ২১।

এর পর রাতেই পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি স্কুলশিক্ষিকা নুরুন নাহার সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবা মো. শহিদুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

তারা উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তারা বরিশাল সদরের চাঁদমারী এলাকার মাদ্রাসা সড়কের বাসিন্দা।

জানা যায়, সুমি ও নিহত আজিজুলের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুমি উপজেলার মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা। এ কারণে তিনি হাজী মঞ্জিলের তিনতলার ছাদে একটি রুমে ভাড়া থাকতেন।

সুমির বাবা শহিদুল বিশ্বাস নৈকাঠি এলাকার শহিদুল ইসলামের ‘স’ মিলে কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ধোনাই এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে আজিজুল হক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলিফ্যান্ট রোডের ভাড়া বাসায় থেকে চাকরি করতেন। নুরুন নাহার সুমির পায়ের হাড় নষ্ট হয়ে যায়।

ওই পায়ের চিকিৎসার জন্য ছয় বছর ধরে ঢাকার সোহরায়ার্দী হাসপাতালে যাওয়া-আসার সুবাধে আজিজুলের সঙ্গে সুমির পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সুমির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা পদে চাকরি হয়। এর পর সুমির বাবা রাজিব নামে এক যুবকের বিয়ে ঠিক করেন।

সুমির বিয়ে নিয়ে গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার সঙ্গে আজিজুলের মোবাইল ফোনে কথা হয়।

পরে সেদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আজিজুল ঈগল পরিবহনের একটি বাসে রওনা হয়ে ২৭ নভেম্বর সকালে রাজাপুর উপজেলার হাইজ্যাক মোড়ে নামে এবং এলাকার হাজী মঞ্জিলের ৩য় তলায় ছাদে চিলিকোঠায় সুমির ভাড়া বাসায় ওঠে।

এ সময় হবু রাজিবকে নিয়ে সুমি ও আজিজুলের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এ পর্যায়ে সুমি কৌশলে তিন তলার ছাদ থেকে আজিজুলকে নিচে ফেলে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজাপুরে যুবক হত্যা: বাবাসহ প্রেমিকা গ্রেফতার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

রাজাপুর প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় মো. আজিজুল হক মাসুদ (৩৮) হত্যার ঘটনায় বাবাসহ তার প্রেমিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আজিজুল হকের ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম সোহেল বাদী হয়ে প্রেমিকা সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবাকে আসামি করে থানায় মামলা করেন, যার মামলা নম্বর ২১।

এর পর রাতেই পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি স্কুলশিক্ষিকা নুরুন নাহার সুমি ওরফে মায়া ও তার বাবা মো. শহিদুল বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

তারা উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তারা বরিশাল সদরের চাঁদমারী এলাকার মাদ্রাসা সড়কের বাসিন্দা।

জানা যায়, সুমি ও নিহত আজিজুলের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুমি উপজেলার মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা। এ কারণে তিনি হাজী মঞ্জিলের তিনতলার ছাদে একটি রুমে ভাড়া থাকতেন।

সুমির বাবা শহিদুল বিশ্বাস নৈকাঠি এলাকার শহিদুল ইসলামের ‘স’ মিলে কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ধোনাই এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে আজিজুল হক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এলিফ্যান্ট রোডের ভাড়া বাসায় থেকে চাকরি করতেন। নুরুন নাহার সুমির পায়ের হাড় নষ্ট হয়ে যায়।

ওই পায়ের চিকিৎসার জন্য ছয় বছর ধরে ঢাকার সোহরায়ার্দী হাসপাতালে যাওয়া-আসার সুবাধে আজিজুলের সঙ্গে সুমির পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সুমির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষিকা পদে চাকরি হয়। এর পর সুমির বাবা রাজিব নামে এক যুবকের বিয়ে ঠিক করেন।

সুমির বিয়ে নিয়ে গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় তার সঙ্গে আজিজুলের মোবাইল ফোনে কথা হয়।

পরে সেদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আজিজুল ঈগল পরিবহনের একটি বাসে রওনা হয়ে ২৭ নভেম্বর সকালে রাজাপুর উপজেলার হাইজ্যাক মোড়ে নামে এবং এলাকার হাজী মঞ্জিলের ৩য় তলায় ছাদে চিলিকোঠায় সুমির ভাড়া বাসায় ওঠে।

এ সময় হবু রাজিবকে নিয়ে সুমি ও আজিজুলের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এ পর্যায়ে সুমি কৌশলে তিন তলার ছাদ থেকে আজিজুলকে নিচে ফেলে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।