সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

বগুড়ার শেরপুর অবাধে চলছে আবাদি জমি খনন \ হ্রাস পাচ্ছে কৃষি জমি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ ১০৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরিফুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে উপজেলার পানিসাড়া হিন্দুপাড়ায় আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে অবাধে চলছে আবাদি কৃষি জমি খনন করে পুকুর তৈরি ফলে দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে কৃষি জমি। পুকুর খননের ফলে বিপাকে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা, দৃষ্টি দিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের পানিসাড়া হিন্দুপাড়া গ্রামের প্রভাবশালী” আব্দুল খালেক” এর ১০/১১বিঘা আবাদি কৃষি জমিতে বেকু দিয়ে মাটি খনন করে পুকুর নির্মাণ এর কাজ চলছে। ফলে স্থানীয় কৃষকরা পরেছেন মহা বিপাকে। আবাদি কৃষি জমি খনন করে পুকুর নির্মাণের প্রসঙ্গে পানিসাড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেন, এই খননাধীন জমির পাশেই আমার ২০ শতাংশ ধানী জমি আছে, পাশে পুকুর হলে জমিতে জলাবদ্ধতা হবে ফলে আমার ধানী জমির উৎপাদন কমে যাবে। আবাদি কৃষি জমি পুকুর খননকারী প্রভাবশালী হওয়ার কারণে আমরা কিছু বলতে পারছি না।
পানিসাড়ার হিন্দুপাড়ার সহাদেব চন্দ্র সরকার বলেন, খননাধীন এই পুকুরের পাশে আমাদের ৬ ভাই এর পৈত্রিক ৫ বিঘা ধানী জমি রয়েছে, এখানে পুকুর খনন হলে আমাদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের্^র জমির পানি পশ্চিমে পাশর্^ দিয়ে গড়ে। খননাধীন জমি পশ্চিমে হওয়ার কারণে পানি গড়ার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে ফলে জলাবদ্ধতা হবে ফসলের উৎপাদন কমবে। এছাড়াও খননাধীন জমির মাঝখান দিয়ে আন্যনা জমিতে যাতায়াতের প্রধান আইল বা (সড়ক), এই জন্য খননাধীন জমি চারিদিকে থাকা আন্যনা মালিকের প্রায় ২০ বিঘা আবাদি কৃষি জমিতে যাতায়াতের সমস্যা হবে।
এ প্রসঙ্গে খননাধীন জমির মালিক আব্দুল খালেককে পুকুর খননের কোনো অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিতো কোনো অনুমতি নেইনি, কোনো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি?
এবিষয়ে মুঠোফোনে শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন উপজেলা ভূমি অফিস। এ ব্যাপারে কৃষি অধিদপ্তরের কোনো কিছু করনীয় নাই।
এব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ মুঠোফোনে বলেন, আমরা পুকুর খননের কোনো অনুমতি দেইনি বলে তিনি মোবাইল কেটে দেন। পরর্বতীতে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বগুড়ার শেরপুর অবাধে চলছে আবাদি জমি খনন \ হ্রাস পাচ্ছে কৃষি জমি!

আপডেট সময় : ১১:১৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

আরিফুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে উপজেলার পানিসাড়া হিন্দুপাড়ায় আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে অবাধে চলছে আবাদি কৃষি জমি খনন করে পুকুর তৈরি ফলে দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে কৃষি জমি। পুকুর খননের ফলে বিপাকে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা, দৃষ্টি দিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের পানিসাড়া হিন্দুপাড়া গ্রামের প্রভাবশালী” আব্দুল খালেক” এর ১০/১১বিঘা আবাদি কৃষি জমিতে বেকু দিয়ে মাটি খনন করে পুকুর নির্মাণ এর কাজ চলছে। ফলে স্থানীয় কৃষকরা পরেছেন মহা বিপাকে। আবাদি কৃষি জমি খনন করে পুকুর নির্মাণের প্রসঙ্গে পানিসাড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেন, এই খননাধীন জমির পাশেই আমার ২০ শতাংশ ধানী জমি আছে, পাশে পুকুর হলে জমিতে জলাবদ্ধতা হবে ফলে আমার ধানী জমির উৎপাদন কমে যাবে। আবাদি কৃষি জমি পুকুর খননকারী প্রভাবশালী হওয়ার কারণে আমরা কিছু বলতে পারছি না।
পানিসাড়ার হিন্দুপাড়ার সহাদেব চন্দ্র সরকার বলেন, খননাধীন এই পুকুরের পাশে আমাদের ৬ ভাই এর পৈত্রিক ৫ বিঘা ধানী জমি রয়েছে, এখানে পুকুর খনন হলে আমাদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের্^র জমির পানি পশ্চিমে পাশর্^ দিয়ে গড়ে। খননাধীন জমি পশ্চিমে হওয়ার কারণে পানি গড়ার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে ফলে জলাবদ্ধতা হবে ফসলের উৎপাদন কমবে। এছাড়াও খননাধীন জমির মাঝখান দিয়ে আন্যনা জমিতে যাতায়াতের প্রধান আইল বা (সড়ক), এই জন্য খননাধীন জমি চারিদিকে থাকা আন্যনা মালিকের প্রায় ২০ বিঘা আবাদি কৃষি জমিতে যাতায়াতের সমস্যা হবে।
এ প্রসঙ্গে খননাধীন জমির মালিক আব্দুল খালেককে পুকুর খননের কোনো অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিতো কোনো অনুমতি নেইনি, কোনো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি?
এবিষয়ে মুঠোফোনে শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন উপজেলা ভূমি অফিস। এ ব্যাপারে কৃষি অধিদপ্তরের কোনো কিছু করনীয় নাই।
এব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখ মুঠোফোনে বলেন, আমরা পুকুর খননের কোনো অনুমতি দেইনি বলে তিনি মোবাইল কেটে দেন। পরর্বতীতে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেন না।