সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

৯৯৯ সেবায় ৩ টি গাড়ী পেলো বগুড়া পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ ১২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরিফুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি: জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর জন্য ৩ টি গাড়ি পেলো বগুড়া জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় জেলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গাড়ীগুলো হস্তান্তর করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এই জরুরি হেল্পলাইন নম্বরটি ২০১৭ সালের ১২ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এখান থেকে শুধু পুলিশ নয়, জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পাওয়া যায়। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এই সেবা চালু থাকে। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশ কিংবা এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলা পুলিশের সীমিত যানবাহন কারণে বিভিন্ন সময় জরুরি সেবা দিতে বেগ পেতে হয়। এ কারণে জেলা পুলিশ নিজ¯^ উদ্যোগে তিনটি গাড়ী সংগ্রহ করে ‘৯৯৯’ জরুরি সেবায় সংযুক্ত করেছে। এই গাড়িগুলো জেলার বিভিন্ন এলাকায় ট্রিপল নাইন থেকে আসা কলগুলোকে সেবা প্রদান করবে। ট্রিপল নাইনের জন্য আলাদা গাড়ি বগুড়া জেলাতেই প্রথম চালু করা হলো।
গাড়িগুলো হস্তান্তর শেষে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন বলেন, ২০১৭ সালে ট্রিপল নাইন পরিসেবা চালুর পর থেকে বিনা খরচে দেশের সব মানুষ এই সুবিধা পাচ্ছে। বগুড়া জেলা পুলিশকে ৯৯৯ সেবায় যে ৩ টি গাড়ি দেওয়া হলো তার ফলে এই সেবার পরিধি ও মান আরও বৃদ্ধি পাবে। যা সারাদেশের জন্য রোল মডেল হতে পারে।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার, আব্দুর রশিদ, সনাতন চক্রবর্তী, মোতাহার হোসেন, গাজীউর রহমান ও সদর সার্কেলের নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল আহম্মেদসহ বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ন কবীর ও ডিবির ওসি আব্দুর রাজ্জাক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৯৯৯ সেবায় ৩ টি গাড়ী পেলো বগুড়া পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

আরিফুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি: জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর জন্য ৩ টি গাড়ি পেলো বগুড়া জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় জেলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গাড়ীগুলো হস্তান্তর করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এই জরুরি হেল্পলাইন নম্বরটি ২০১৭ সালের ১২ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এখান থেকে শুধু পুলিশ নয়, জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পাওয়া যায়। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এই সেবা চালু থাকে। বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশ কিংবা এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলা পুলিশের সীমিত যানবাহন কারণে বিভিন্ন সময় জরুরি সেবা দিতে বেগ পেতে হয়। এ কারণে জেলা পুলিশ নিজ¯^ উদ্যোগে তিনটি গাড়ী সংগ্রহ করে ‘৯৯৯’ জরুরি সেবায় সংযুক্ত করেছে। এই গাড়িগুলো জেলার বিভিন্ন এলাকায় ট্রিপল নাইন থেকে আসা কলগুলোকে সেবা প্রদান করবে। ট্রিপল নাইনের জন্য আলাদা গাড়ি বগুড়া জেলাতেই প্রথম চালু করা হলো।
গাড়িগুলো হস্তান্তর শেষে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন বলেন, ২০১৭ সালে ট্রিপল নাইন পরিসেবা চালুর পর থেকে বিনা খরচে দেশের সব মানুষ এই সুবিধা পাচ্ছে। বগুড়া জেলা পুলিশকে ৯৯৯ সেবায় যে ৩ টি গাড়ি দেওয়া হলো তার ফলে এই সেবার পরিধি ও মান আরও বৃদ্ধি পাবে। যা সারাদেশের জন্য রোল মডেল হতে পারে।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার, আব্দুর রশিদ, সনাতন চক্রবর্তী, মোতাহার হোসেন, গাজীউর রহমান ও সদর সার্কেলের নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল আহম্মেদসহ বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ন কবীর ও ডিবির ওসি আব্দুর রাজ্জাক।