সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বরিশালে সেই অন্তরঙ্গ ছবি ফাঁস: শিক্ষক-শিক্ষিকা বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও স্থানীয় আরেকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী প্রধান শিক্ষকের অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ হওয়ায় তাদের উভয়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপত্তিকর ছবি ভাইরাল হওয়ায় শিক্ষক মোক্তার হোসেন সামাজিক ও পরিবারিকভাবে অপদস্থ হওয়ায় অত্মগোপনে আছেন। তবে তাকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন ওই নারী প্রধান শিক্ষক।

দুই শিক্ষকের অন্তরঙ্গ অবস্থার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় বিব্রত স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

এই পেক্ষাপটে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকবর কবির বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) জরুরি সভা ডেকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রোমাঞ্চ আহমেদকে প্রধান দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির অপর সদস্য সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনীরুল হক। কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, উভয় শিক্ষককে সাময়িক বরখান্ত করা হয়েছে। তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী এমদাদুল হক দুলাল বলেন, ‘শিক্ষক মোক্তার হোসেনের সঙ্গে ওই নারী শিক্ষক বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। বিষয়টি উভয়ের পরিবার জানতে পেরে তাদের সতর্ক করা হয়। কিন্তু তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ায় ওই নারী শিক্ষক তার স্বামীকে তালাক দিয়ে গত ২৯ সেপ্টেন্বর নোটারির মাধ্যমে মোক্তার হোসেনকে বিয়ে করেন। এরপর মোক্তার হোসেন ওই নারী শিক্ষকের সঙ্গে যোগযোগ বন্ধ করে দিলে তিনি স্ত্রীর মর্যাদা পেতে আমার (উপজেলা চেয়ারম্যান) কাছে অভিযোগ করেন।’

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান। এরপর ওই নারী শিক্ষিকের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে তোলা ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে ছবিগুলো ভাইরাল হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে সেই অন্তরঙ্গ ছবি ফাঁস: শিক্ষক-শিক্ষিকা বরখাস্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৪৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স:: বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও স্থানীয় আরেকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নারী প্রধান শিক্ষকের অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ হওয়ায় তাদের উভয়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপত্তিকর ছবি ভাইরাল হওয়ায় শিক্ষক মোক্তার হোসেন সামাজিক ও পরিবারিকভাবে অপদস্থ হওয়ায় অত্মগোপনে আছেন। তবে তাকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন ওই নারী প্রধান শিক্ষক।

দুই শিক্ষকের অন্তরঙ্গ অবস্থার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় বিব্রত স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

এই পেক্ষাপটে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকবর কবির বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) জরুরি সভা ডেকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রোমাঞ্চ আহমেদকে প্রধান দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির অপর সদস্য সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনীরুল হক। কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, উভয় শিক্ষককে সাময়িক বরখান্ত করা হয়েছে। তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী এমদাদুল হক দুলাল বলেন, ‘শিক্ষক মোক্তার হোসেনের সঙ্গে ওই নারী শিক্ষক বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। বিষয়টি উভয়ের পরিবার জানতে পেরে তাদের সতর্ক করা হয়। কিন্তু তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ায় ওই নারী শিক্ষক তার স্বামীকে তালাক দিয়ে গত ২৯ সেপ্টেন্বর নোটারির মাধ্যমে মোক্তার হোসেনকে বিয়ে করেন। এরপর মোক্তার হোসেন ওই নারী শিক্ষকের সঙ্গে যোগযোগ বন্ধ করে দিলে তিনি স্ত্রীর মর্যাদা পেতে আমার (উপজেলা চেয়ারম্যান) কাছে অভিযোগ করেন।’

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান। এরপর ওই নারী শিক্ষিকের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে তোলা ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে ছবিগুলো ভাইরাল হয়।