সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সংবিধান অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া উচিত : আমু এমপি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :যারা সংবিধান বিরোধী কাজ করে তাদেরকে যদি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আওতায় আনা না হয় তাহলে রাষ্ট্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরূদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকবে। বলেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের আয়োজনে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় কোনো ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ড নয় বাঙালিকে নেতৃত্বশূন্য করে স্বাধীন বাংলাদেশকে নব্য পাকিস্তানে রূপান্তর করাই ছিলো স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের মূল লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ও জেলহত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করে ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তারা দুজনেই হত্যার রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধীচক্র।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বিএনপি ও জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি যারা শ্রদ্ধাশীল নয়, তারাই হত্যা ও অপরাজনীতির ধারক – বাহক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেন, কমিশন গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যার নাটের গুরুদের খুঁজে বের করতে হবে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলামসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সভায় জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংবিধান অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া উচিত : আমু এমপি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :যারা সংবিধান বিরোধী কাজ করে তাদেরকে যদি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আওতায় আনা না হয় তাহলে রাষ্ট্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরূদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকবে। বলেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের আয়োজনে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় কোনো ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ড নয় বাঙালিকে নেতৃত্বশূন্য করে স্বাধীন বাংলাদেশকে নব্য পাকিস্তানে রূপান্তর করাই ছিলো স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের মূল লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ও জেলহত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করে ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তারা দুজনেই হত্যার রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধীচক্র।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বিএনপি ও জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি যারা শ্রদ্ধাশীল নয়, তারাই হত্যা ও অপরাজনীতির ধারক – বাহক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেন, কমিশন গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যার নাটের গুরুদের খুঁজে বের করতে হবে।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলামসহ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সভায় জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।