সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বরিশালে ধর্ষণ মামলায় আসামি কলেজ অধ্যক্ষ কারাগারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০ ১৫০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে যুবতী ধর্ষণ মামলার আসামি কলেজ অধ্যক্ষকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার মামলার আসামি হিসেবে অধ্যক্ষ বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ অধ্যক্ষকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলে যাওয়া অধ্যক্ষ হলো- শহীদুল ইসলাম। তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর এলাকার আ. রশিদ মাতুব্বরের ছেলে। এছাড়াও তিনি বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, মামলার বাদী যুবতীর সাথে অটোতে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে সে যুবতীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরে অধ্যক্ষ ওই যুবতীকে বিভিন্ন সময় ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এছাড়াও তার কলেজে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেয়। এতে যুবতী ও অধ্যক্ষের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় যুবতীর বাড়িতে যায়। ওই সময় যুবতীর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে যুবতীকে বিয়ে না করে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন যুবতী। মামলার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জানিন নেন। উচ্চ আদালতের আগাম জামিন শেষে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আবার জামিন আবেদন করেন। বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে ধর্ষণ মামলায় আসামি কলেজ অধ্যক্ষ কারাগারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে যুবতী ধর্ষণ মামলার আসামি কলেজ অধ্যক্ষকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার মামলার আসামি হিসেবে অধ্যক্ষ বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ অধ্যক্ষকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলে যাওয়া অধ্যক্ষ হলো- শহীদুল ইসলাম। তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর এলাকার আ. রশিদ মাতুব্বরের ছেলে। এছাড়াও তিনি বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, মামলার বাদী যুবতীর সাথে অটোতে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে সে যুবতীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরে অধ্যক্ষ ওই যুবতীকে বিভিন্ন সময় ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এছাড়াও তার কলেজে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেয়। এতে যুবতী ও অধ্যক্ষের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় যুবতীর বাড়িতে যায়। ওই সময় যুবতীর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে যুবতীকে বিয়ে না করে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন যুবতী। মামলার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জানিন নেন। উচ্চ আদালতের আগাম জামিন শেষে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আবার জামিন আবেদন করেন। বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।