সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

বরিশালে ধর্ষণ মামলায় আসামি কলেজ অধ্যক্ষ কারাগারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে যুবতী ধর্ষণ মামলার আসামি কলেজ অধ্যক্ষকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার মামলার আসামি হিসেবে অধ্যক্ষ বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ অধ্যক্ষকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলে যাওয়া অধ্যক্ষ হলো- শহীদুল ইসলাম। তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর এলাকার আ. রশিদ মাতুব্বরের ছেলে। এছাড়াও তিনি বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, মামলার বাদী যুবতীর সাথে অটোতে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে সে যুবতীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরে অধ্যক্ষ ওই যুবতীকে বিভিন্ন সময় ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এছাড়াও তার কলেজে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেয়। এতে যুবতী ও অধ্যক্ষের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় যুবতীর বাড়িতে যায়। ওই সময় যুবতীর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে যুবতীকে বিয়ে না করে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন যুবতী। মামলার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জানিন নেন। উচ্চ আদালতের আগাম জামিন শেষে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আবার জামিন আবেদন করেন। বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে ধর্ষণ মামলায় আসামি কলেজ অধ্যক্ষ কারাগারে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে চাকরি দেয়ার প্রলোভনে যুবতী ধর্ষণ মামলার আসামি কলেজ অধ্যক্ষকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার মামলার আসামি হিসেবে অধ্যক্ষ বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ অধ্যক্ষকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলে যাওয়া অধ্যক্ষ হলো- শহীদুল ইসলাম। তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর এলাকার আ. রশিদ মাতুব্বরের ছেলে। এছাড়াও তিনি বাকেরগঞ্জ কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানান, মামলার বাদী যুবতীর সাথে অটোতে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে সে যুবতীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরে অধ্যক্ষ ওই যুবতীকে বিভিন্ন সময় ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এছাড়াও তার কলেজে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেয়। এতে যুবতী ও অধ্যক্ষের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধারাবাহিকতায় অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় যুবতীর বাড়িতে যায়। ওই সময় যুবতীর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে যুবতীকে বিয়ে না করে টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ে করার কথা অস্বীকার করাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন যুবতী। মামলার পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জানিন নেন। উচ্চ আদালতের আগাম জামিন শেষে অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আবার জামিন আবেদন করেন। বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।