সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

সংশয় থাকলেও হিলারির চেয়েও এবার শক্ত অবস্থানে বাইডেন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের লড়াই আজ। যুক্তরাষ্ট্রে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ভোটার অংশ নেবে এ নির্বাচনে। এ নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে হোয়াইট হাউসের চাবি কার হাতে যাবে। ধনকুবের থেকে রাজনীতিতে এসে বিশ্ব কাঁপানো রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় নাকি ডেমোক্র্যাট পার্টির আশা জাগানো প্রার্থী জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসবেন- তা ঠিক করবে আমেরিকানরা।

হাতি ও গাধা প্রতীকের এ লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো বিশ্বই।
কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট? তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ দেখা যাচ্ছে বিশ্ব মিডিয়ায়। এর আগে, ২০১৬ ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিপুল জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার মতো এবারও জাতীয় জরিপগুলোতে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেন প্রতিপক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। তবে গতবার হিলারি তার প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের তুলনায় অনেক এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলে হেরে যান।

এবার বাইডেনও হিলারির মতো এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাবেন কি-না তা নিয়ে সংশয় আছে।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ২০১৬ সালের নির্বাচনে যত ভোট পড়েছিল, তার চেয়ে ১১০.৬ % বেশি পড়েছে হাওয়াই স্টেটে। ১০৭.৭ % বেশি পড়েছে টেক্সাসে। এ দুটি স্থানেই ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেনের পক্ষে বেশি ভোট পড়েছে বলে পর্যবেক্ষণ জরিপে উদ্ঘাটিত হয়।

এদিকে, ২০১৬ এবং ২০২০ এর নির্বাচনের মধ্যে দুইজনের এই ফারাক হয়ে যাওয়ার আরও কিছু কারণ আছে। যার মধ্যে প্রথমেই উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বাইডেনের প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাব; যা হিলারির ক্ষেত্রে ছিল না।
এদিক থেকে সব নিবন্ধিত ভোটারের ৪৩ শতাংশই বাইডেনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে, আর নেতিবাচক মনোভাবের কথা বলেছে ৪২ শতাংশ। দু’য়ের হিসাবে ইতিবাচক মনোভাবে পুরো ১ পয়েন্ট পেয়ে গেছেন বাইডেন। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে হিলারির প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাব ছিল ৪০ শতাংশ আর নেতিবাচক ছিল ৫০ শতাংশ।

এই হিসাবে তার মোট পয়েন্ট ছিল মাইনাস-১০।
এই হিসাবে ২০১৬ সালের হিলারির তুলনায় এবার বাইডেন প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের বিপরীতে বেশি ভাল করছেন। উপরন্তু আগেরবারের তুলনায় এবার অনেক বেশি স্বতন্ত্র ভোটার প্রধান দুই প্রার্থীর একজনকে এরই মধ্যে বেছে নিয়েছেন। এই সংখ্যা ৮৫ শতাংশ। ফলে তাদের মন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তাছাড়া, এবার বয়স্ক ভোটারদের মধ্যে বাইডেনের জনপ্রিয়তা বেশি। এদিক থেকে বাইডেন ১০ পয়েন্টে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংশয় থাকলেও হিলারির চেয়েও এবার শক্ত অবস্থানে বাইডেন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:২০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের লড়াই আজ। যুক্তরাষ্ট্রে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি ভোটার অংশ নেবে এ নির্বাচনে। এ নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে হোয়াইট হাউসের চাবি কার হাতে যাবে। ধনকুবের থেকে রাজনীতিতে এসে বিশ্ব কাঁপানো রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় নাকি ডেমোক্র্যাট পার্টির আশা জাগানো প্রার্থী জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসবেন- তা ঠিক করবে আমেরিকানরা।

হাতি ও গাধা প্রতীকের এ লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো বিশ্বই।
কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট? তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ দেখা যাচ্ছে বিশ্ব মিডিয়ায়। এর আগে, ২০১৬ ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিপুল জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার মতো এবারও জাতীয় জরিপগুলোতে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেন প্রতিপক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। তবে গতবার হিলারি তার প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের তুলনায় অনেক এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলে হেরে যান।

এবার বাইডেনও হিলারির মতো এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাবেন কি-না তা নিয়ে সংশয় আছে।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ২০১৬ সালের নির্বাচনে যত ভোট পড়েছিল, তার চেয়ে ১১০.৬ % বেশি পড়েছে হাওয়াই স্টেটে। ১০৭.৭ % বেশি পড়েছে টেক্সাসে। এ দুটি স্থানেই ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেনের পক্ষে বেশি ভোট পড়েছে বলে পর্যবেক্ষণ জরিপে উদ্ঘাটিত হয়।

এদিকে, ২০১৬ এবং ২০২০ এর নির্বাচনের মধ্যে দুইজনের এই ফারাক হয়ে যাওয়ার আরও কিছু কারণ আছে। যার মধ্যে প্রথমেই উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বাইডেনের প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাব; যা হিলারির ক্ষেত্রে ছিল না।
এদিক থেকে সব নিবন্ধিত ভোটারের ৪৩ শতাংশই বাইডেনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে, আর নেতিবাচক মনোভাবের কথা বলেছে ৪২ শতাংশ। দু’য়ের হিসাবে ইতিবাচক মনোভাবে পুরো ১ পয়েন্ট পেয়ে গেছেন বাইডেন। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে হিলারির প্রতি ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাব ছিল ৪০ শতাংশ আর নেতিবাচক ছিল ৫০ শতাংশ।

এই হিসাবে তার মোট পয়েন্ট ছিল মাইনাস-১০।
এই হিসাবে ২০১৬ সালের হিলারির তুলনায় এবার বাইডেন প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের বিপরীতে বেশি ভাল করছেন। উপরন্তু আগেরবারের তুলনায় এবার অনেক বেশি স্বতন্ত্র ভোটার প্রধান দুই প্রার্থীর একজনকে এরই মধ্যে বেছে নিয়েছেন। এই সংখ্যা ৮৫ শতাংশ। ফলে তাদের মন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তাছাড়া, এবার বয়স্ক ভোটারদের মধ্যে বাইডেনের জনপ্রিয়তা বেশি। এদিক থেকে বাইডেন ১০ পয়েন্টে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন।