সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠি সুগন্ধা নদীর গ্রাসে একটি পরিবারের শেষ সম্বল বসতবাড়ি রক্ষার জন্য আকুতি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২০ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি : নদীরে ও নদীরে তুই একটু দয়া কর,ভাংগীসনা আর বাপের ভিটা, বসত বাড়ি ঘর, ঝালকাঠির কৃষ্ণকাঠির ৩নং ওয়ার্ডের পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্দ্বা তীরবর্তী দরিদ্র পরিবার গুলো তে চলছে আজ এই হাহাকার,যে কোন মূহুর্তে নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে,বসবাস করার শেষ আশ্র‍য়স্থল টুকু,এই পরিবার গুলো প্রতিনিয়ত বেচে থাকার জন্যপ্রাকৃতিক ঝড় জলোচ্ছাস মোকাবেলা করে থাকে।বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড১৯ এর মত দুর্যোগে এক দিকে যেমন ক্ষুদ্র আয়ের উৎস বন্দ্ব হয়ে গেছে, এই মহামারী র মধ্যে হানা দিয়েছিল ঘূর্নিঝড় আমপান,তাতে তাদের বসত বাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার আগেই,বর্তমানে বর্ষাকালে র কারনে অতি বৃষ্টি ও নদীর পানি বৃদ্বি এবং খড় স্রোতের কারনে, শুরু হয়েছে নদী ভাংগনের,এই নদী পাড়ের বাসিন্দা আঃ ওহাব হাওলাদার (৪৯)পিতা মৃত্যু আঃ মজিদ হাংতার পূর্বের বসবাসের ঘর ইতি মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে,বর্তমানে যে শেষ আশ্রয় টুকু আছে, তাও যায় যায় প্রায়,এমতাবস্থায় ওহাব হাং জানান যে, আমরা প্রতি দিন ই ভয়ের মধ্যে দিন কাটাই,রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারি না,ঘরে বৃদ্বা মা সহ ৯/১০জন একটি ঘরের মধ্যে মানবেতর জিবন কাটাচ্ছি।আতংক একটাই কখন নদী ভাংগনে এই ঘর নদীতে চলে যায়,এখন আমাদের আর্থিক অবস্থাও করুন অন্য কোথাও থাকার যায়গা করতে পারছি না।সরকারি কোন অনুদান পেলে হয়ত একটি ঘর তুলে মাথা গোজার ঠাই করে নিতাম, আমরা এখানে খুব কষ্টে আছি,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের জেলার অভিবাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের কাছে অনুরোধ তারা যেন আমাদের একটু সাহায্য সহোযোগিতা করেন।এ ব্যাপারে জেলা প্রসাশক কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে,কর্তৃপক্ষ জানায় যে,ভুক্তভোগী দের অবস্থা জেলা প্রসাশক মহোদয় সরোজমিনে পরিদর্শন করেছে,এবং আবেদন করলে,তাদের কে সহোযোগিতা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠি সুগন্ধা নদীর গ্রাসে একটি পরিবারের শেষ সম্বল বসতবাড়ি রক্ষার জন্য আকুতি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২০

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি প্রতিনিধি : নদীরে ও নদীরে তুই একটু দয়া কর,ভাংগীসনা আর বাপের ভিটা, বসত বাড়ি ঘর, ঝালকাঠির কৃষ্ণকাঠির ৩নং ওয়ার্ডের পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সুগন্দ্বা তীরবর্তী দরিদ্র পরিবার গুলো তে চলছে আজ এই হাহাকার,যে কোন মূহুর্তে নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে,বসবাস করার শেষ আশ্র‍য়স্থল টুকু,এই পরিবার গুলো প্রতিনিয়ত বেচে থাকার জন্যপ্রাকৃতিক ঝড় জলোচ্ছাস মোকাবেলা করে থাকে।বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড১৯ এর মত দুর্যোগে এক দিকে যেমন ক্ষুদ্র আয়ের উৎস বন্দ্ব হয়ে গেছে, এই মহামারী র মধ্যে হানা দিয়েছিল ঘূর্নিঝড় আমপান,তাতে তাদের বসত বাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার আগেই,বর্তমানে বর্ষাকালে র কারনে অতি বৃষ্টি ও নদীর পানি বৃদ্বি এবং খড় স্রোতের কারনে, শুরু হয়েছে নদী ভাংগনের,এই নদী পাড়ের বাসিন্দা আঃ ওহাব হাওলাদার (৪৯)পিতা মৃত্যু আঃ মজিদ হাংতার পূর্বের বসবাসের ঘর ইতি মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে,বর্তমানে যে শেষ আশ্রয় টুকু আছে, তাও যায় যায় প্রায়,এমতাবস্থায় ওহাব হাং জানান যে, আমরা প্রতি দিন ই ভয়ের মধ্যে দিন কাটাই,রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারি না,ঘরে বৃদ্বা মা সহ ৯/১০জন একটি ঘরের মধ্যে মানবেতর জিবন কাটাচ্ছি।আতংক একটাই কখন নদী ভাংগনে এই ঘর নদীতে চলে যায়,এখন আমাদের আর্থিক অবস্থাও করুন অন্য কোথাও থাকার যায়গা করতে পারছি না।সরকারি কোন অনুদান পেলে হয়ত একটি ঘর তুলে মাথা গোজার ঠাই করে নিতাম, আমরা এখানে খুব কষ্টে আছি,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের জেলার অভিবাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ভাইয়ের কাছে অনুরোধ তারা যেন আমাদের একটু সাহায্য সহোযোগিতা করেন।এ ব্যাপারে জেলা প্রসাশক কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে,কর্তৃপক্ষ জানায় যে,ভুক্তভোগী দের অবস্থা জেলা প্রসাশক মহোদয় সরোজমিনে পরিদর্শন করেছে,এবং আবেদন করলে,তাদের কে সহোযোগিতা করা হবে।