সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

সরিয়ে না নিয়ে লাদাখ সীমান্তে উল্টো সেনা বাড়াচ্ছে চীন, চিন্তায় ভারত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২০ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দিয়েছে। কেননা, বিরোরধপূর্ণ সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে না নিয়ে বরং সেখানে আরও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে চীন, যা ভারতকে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নিতে দফায় দফায় আলোচনা চালিয়ে আসছে চীন ও ভারত। দুইপক্ষ এ বিষয়ে একমত হতে পেরেছে বলেও উভয়পক্ষের কর্মকর্তারা দাবি করে আসছেন।

তবে বাস্তবতা তেমনটা নয় বলেই দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
একটি ইংরেজি দৈনিকের বরাত দিয়ে দেশটির জনপ্রিয় পত্রিকা ‘এই সময়’ জানায়, উল্টো প্যাংগং লেকের সেই সংঘাত অঞ্চলে সেনাসমাবেশ করে শক্তি বাড়াচ্ছে চীনা বাহিনী।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, প্যাংগং লেকে অতিরিক্ত নৌকো এনেছে চীনা বাহিনী। স্থাপন করা হয়েছে একাধিক তাঁবু।

নতুন করে কাটা পরিখাও স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে।
সর্বশেষ ২৯ জুলাইয়ের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দাবি করা হয়, চীনের পিপল’স লিবারেশন আর্মি গ্রাউন্ড ফোর্সেস নেভাল উইংয়ের ১৩টি নৌকা ফিঙ্গার-৫ এবং ফিঙ্গার-৬ এ দেখা যায়। এর মধ্যে ফিঙ্গার পাঁচে তিনটি এবং ফিঙ্গার ছয়ে ১০টি নৌকা। জায়গাটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফিঙ্গার চারের খুব কাছেই।

এর আগে ১৫ জুনের যে স্যাটেলাইট চিত্র পাওয়া যায়, তাতে ফিঙ্গার-ছয়ে চীনা বাহিনীর আটটি নৌকো ধরা পড়ে।

লাদাখের অভিযানের দায়িত্বে থাকা ভারতের উত্তর সেনাবাহিনীর সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল ডিএস হুদা বলেন, প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার-৫ ও ৬ এ চীনা বাহিনীর আগে কোনো জেটি ছিল না। ফিঙ্গার আটের বাইরে তারা জেটি ব্যবহার করত। কিন্তু, বর্তমানে ফিঙ্গার-৪ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থায়ীভাবে উপস্থিতি বাড়াচ্ছে চীন।

গত ২৯ জুলাইয়ের স্যাটেলাইট চিত্র অনুযায়ী, ফিঙ্গার-৫ এ অন্তত ৪০টি কুঁড়েঘরের মতো বানিয়ে রাখা আছে। এ ছাড়া ১৫টি তাঁবুও সেখানে খাটানো হয়েছে। এর বাইরেও অতিরিক্ত আরও চারটি তাঁবু সেখানে রয়েছে। ধারণা, নৌকোয় থাকা সেনাদের জন্যই ওই তাঁবু।

লাদাখে প্যাংগং লেকের ধারে আটটি পরপর সরু সরু অঞ্চল রয়েছে। এগুলো ফিঙ্গার (Fingers Region) নামে পরিচিত। তার মধ্যে ফিঙ্গার-৪ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল ভারতীয় সেনা জওয়ানদের।

ফিঙ্গার রিজিয়নের আটটি ফিঙ্গার ভারতের অন্তর্গত বলে বরাবরই দাবি করে এসেছে নয়াদিল্লি। এই আট ফিঙ্গার যেখানে শেষ হচ্ছে, সেখানেই ভারত-চীন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা।

তবে এ বিষয়ে চীনের দাবি, চার নম্বর ফিঙ্গার পর্যন্ত ভারতের এলাকা এবং বাকি চারটি ফিঙ্গার চীন সীমান্তের মধ্যে পড়ছে।

গত ৫ মে লাদাখে আট নম্বর ফিঙ্গারের দিকে টহল দিতে যাওয়ার পথে ভারতীয় বাহিনীর পথ আটকায় চীনা সেনা। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ালে কর্নেলসহ ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়। নিজেদের হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করলেও সংখ্যা জানায়নি চীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরিয়ে না নিয়ে লাদাখ সীমান্তে উল্টো সেনা বাড়াচ্ছে চীন, চিন্তায় ভারত।

আপডেট সময় : ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দিয়েছে। কেননা, বিরোরধপূর্ণ সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে না নিয়ে বরং সেখানে আরও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে চীন, যা ভারতকে নতুন করে চিন্তায় ফেলেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নিতে দফায় দফায় আলোচনা চালিয়ে আসছে চীন ও ভারত। দুইপক্ষ এ বিষয়ে একমত হতে পেরেছে বলেও উভয়পক্ষের কর্মকর্তারা দাবি করে আসছেন।

তবে বাস্তবতা তেমনটা নয় বলেই দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
একটি ইংরেজি দৈনিকের বরাত দিয়ে দেশটির জনপ্রিয় পত্রিকা ‘এই সময়’ জানায়, উল্টো প্যাংগং লেকের সেই সংঘাত অঞ্চলে সেনাসমাবেশ করে শক্তি বাড়াচ্ছে চীনা বাহিনী।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, প্যাংগং লেকে অতিরিক্ত নৌকো এনেছে চীনা বাহিনী। স্থাপন করা হয়েছে একাধিক তাঁবু।

নতুন করে কাটা পরিখাও স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে।
সর্বশেষ ২৯ জুলাইয়ের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দাবি করা হয়, চীনের পিপল’স লিবারেশন আর্মি গ্রাউন্ড ফোর্সেস নেভাল উইংয়ের ১৩টি নৌকা ফিঙ্গার-৫ এবং ফিঙ্গার-৬ এ দেখা যায়। এর মধ্যে ফিঙ্গার পাঁচে তিনটি এবং ফিঙ্গার ছয়ে ১০টি নৌকা। জায়গাটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফিঙ্গার চারের খুব কাছেই।

এর আগে ১৫ জুনের যে স্যাটেলাইট চিত্র পাওয়া যায়, তাতে ফিঙ্গার-ছয়ে চীনা বাহিনীর আটটি নৌকো ধরা পড়ে।

লাদাখের অভিযানের দায়িত্বে থাকা ভারতের উত্তর সেনাবাহিনীর সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল ডিএস হুদা বলেন, প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার-৫ ও ৬ এ চীনা বাহিনীর আগে কোনো জেটি ছিল না। ফিঙ্গার আটের বাইরে তারা জেটি ব্যবহার করত। কিন্তু, বর্তমানে ফিঙ্গার-৪ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থায়ীভাবে উপস্থিতি বাড়াচ্ছে চীন।

গত ২৯ জুলাইয়ের স্যাটেলাইট চিত্র অনুযায়ী, ফিঙ্গার-৫ এ অন্তত ৪০টি কুঁড়েঘরের মতো বানিয়ে রাখা আছে। এ ছাড়া ১৫টি তাঁবুও সেখানে খাটানো হয়েছে। এর বাইরেও অতিরিক্ত আরও চারটি তাঁবু সেখানে রয়েছে। ধারণা, নৌকোয় থাকা সেনাদের জন্যই ওই তাঁবু।

লাদাখে প্যাংগং লেকের ধারে আটটি পরপর সরু সরু অঞ্চল রয়েছে। এগুলো ফিঙ্গার (Fingers Region) নামে পরিচিত। তার মধ্যে ফিঙ্গার-৪ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল ভারতীয় সেনা জওয়ানদের।

ফিঙ্গার রিজিয়নের আটটি ফিঙ্গার ভারতের অন্তর্গত বলে বরাবরই দাবি করে এসেছে নয়াদিল্লি। এই আট ফিঙ্গার যেখানে শেষ হচ্ছে, সেখানেই ভারত-চীন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা।

তবে এ বিষয়ে চীনের দাবি, চার নম্বর ফিঙ্গার পর্যন্ত ভারতের এলাকা এবং বাকি চারটি ফিঙ্গার চীন সীমান্তের মধ্যে পড়ছে।

গত ৫ মে লাদাখে আট নম্বর ফিঙ্গারের দিকে টহল দিতে যাওয়ার পথে ভারতীয় বাহিনীর পথ আটকায় চীনা সেনা। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ালে কর্নেলসহ ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়। নিজেদের হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করলেও সংখ্যা জানায়নি চীন।