সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০ ১০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া বেগমকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান।

এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা।

আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।
পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া বেগমকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান।

এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা।

আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।
পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।