সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস : সিআইডি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০ ১৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে থাকা ছাপাখানা থেকেই মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে সংবাদে সম্মেলনে এ কথা জানান জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস।

সুমন কুমার দাস বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কিংবা আমর্ডফোর্স মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়াটা মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটা স্বপ্ন। এ চক্রের কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ব্যর্থ হয়।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে কম মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়।
সিআইডি জানায়, সন্দেহভাজন হিসেবে গত ১৯ জুলাই এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় আরো পাঁচজনকে। গ্রেফতারকৃত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সিআইডি জানায়, প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম- এ দুজন মিলে গড়ে তুলেছিলেন এ চক্র। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সিআইডির তদন্তকারী দল।

সিআইডির এই কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপাখানা থেকে মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র টাকার বিনিময়ে ফাঁস করত। তাদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় এজাহার নামীয় ১৪ জনসহ ১৫০ থেকে ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।

এ সময় সাইবার ক্রাইমের ডিআইজি মো. শাহ আলমসহ সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস : সিআইডি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে থাকা ছাপাখানা থেকেই মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে সংবাদে সম্মেলনে এ কথা জানান জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস।

সুমন কুমার দাস বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কিংবা আমর্ডফোর্স মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়াটা মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটা স্বপ্ন। এ চক্রের কারণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ব্যর্থ হয়।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে কম মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়।
সিআইডি জানায়, সন্দেহভাজন হিসেবে গত ১৯ জুলাই এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় আরো পাঁচজনকে। গ্রেফতারকৃত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে দুজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সিআইডি জানায়, প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম- এ দুজন মিলে গড়ে তুলেছিলেন এ চক্র। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সিআইডির তদন্তকারী দল।

সিআইডির এই কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপাখানা থেকে মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র টাকার বিনিময়ে ফাঁস করত। তাদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় এজাহার নামীয় ১৪ জনসহ ১৫০ থেকে ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।

এ সময় সাইবার ক্রাইমের ডিআইজি মো. শাহ আলমসহ সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন