সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০ ৩৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। শুক্রবার ভোরে স্ট্রোক করলে তাকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সেখানে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল পৌনে ৬টায় মারা যান তিনি।
এমাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত দুদিন ধরে বাবার শরীর খারাপ ছিল। বমি হওয়ায় আমরা রাতেই ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ভোর সোয়া ৫টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কাঁটাবনে নিজের বাসা সংলগ্ন মসজিদে তার জানাজা হবে বলেও জানান জিন্নাত আরা নাজনীন।
এমাজউদ্দীনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিভাবক হারিয়েছে। এ শূন্যতা শুধু বিএনপির নয়, পুরো জাতির। তিনি একজন নির্লোভ ও সত্যিকারের একজন দেশপ্রেমিক ছিলেন। এ শূন্যতা পূরণ হবার নয়।
প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন মালদাহ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশ) জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের ‘গোহাল বাড়ি’ এলাকায় পরিবারসহ দীর্ঘদিন বসবাস করেন প্রফেসর এমাজউদ্দীন। তিনি শিবগঞ্জের আদিনা সরকারি ফজলুল হক কলেজ ও রাজশাহী কলেজের প্রাক্তণ ছাত্র।
মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, ১৯৫২ এর পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা হিসেবে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ কারাবরণও করেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সৃজনশীল লেখার জন্য তিনি দেশ-বিদেশে বিশেষভাবে সম্মানিত হয়েছেন। সৃষ্টিশীল গবেষণা ও আলেখ্য রচনার জন্য ‘মহাকাল কৃষ্টি চিন্তা সংঘ স্বর্ণপদক’, জাতীয় সাহিত্য সংসদ স্বর্ণপদক, জিয়া সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক অর্জন করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯২ সালে একুশে পদক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত গোল্ড মডেল, শেরে বাংলা স্মৃতি স্বর্ণপদক, ঢাকা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট গোল্ড মেডেল, রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরাম স্বর্ণপদকসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু পুরস্কার-সম্মাননা অর্জন করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ আর নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। শুক্রবার ভোরে স্ট্রোক করলে তাকে রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সেখানে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল পৌনে ৬টায় মারা যান তিনি।
এমাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত দুদিন ধরে বাবার শরীর খারাপ ছিল। বমি হওয়ায় আমরা রাতেই ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ভোর সোয়া ৫টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কাঁটাবনে নিজের বাসা সংলগ্ন মসজিদে তার জানাজা হবে বলেও জানান জিন্নাত আরা নাজনীন।
এমাজউদ্দীনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিভাবক হারিয়েছে। এ শূন্যতা শুধু বিএনপির নয়, পুরো জাতির। তিনি একজন নির্লোভ ও সত্যিকারের একজন দেশপ্রেমিক ছিলেন। এ শূন্যতা পূরণ হবার নয়।
প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন মালদাহ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশ) জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের ‘গোহাল বাড়ি’ এলাকায় পরিবারসহ দীর্ঘদিন বসবাস করেন প্রফেসর এমাজউদ্দীন। তিনি শিবগঞ্জের আদিনা সরকারি ফজলুল হক কলেজ ও রাজশাহী কলেজের প্রাক্তণ ছাত্র।
মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে, ১৯৫২ এর পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা হিসেবে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ কারাবরণও করেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সৃজনশীল লেখার জন্য তিনি দেশ-বিদেশে বিশেষভাবে সম্মানিত হয়েছেন। সৃষ্টিশীল গবেষণা ও আলেখ্য রচনার জন্য ‘মহাকাল কৃষ্টি চিন্তা সংঘ স্বর্ণপদক’, জাতীয় সাহিত্য সংসদ স্বর্ণপদক, জিয়া সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক অর্জন করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯২ সালে একুশে পদক, মাইকেল মধুসূদন দত্ত গোল্ড মডেল, শেরে বাংলা স্মৃতি স্বর্ণপদক, ঢাকা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট গোল্ড মেডেল, রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরাম স্বর্ণপদকসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু পুরস্কার-সম্মাননা অর্জন করেন তিনি।