সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

বিভিন্ন নামে বেনামে প্রতারকের প্রতারণা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০ ২১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশালে রহমতপুরে গড়ে উঠেছে এক ভয়ঙ্কর প্রতারকের প্রতারণায় পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন এলাকার সরলমনা, নিঃসঙ্গ, স্বামী পরিত্যাক্তা মহিলারা। অবশেষে অনুমান অষ্টম স্ত্রীর বরিশাল বিমানবন্দর থানায় করা মামলার পর বেরিয়ে আসে একের পর এক প্রতারণার গল্প, ঘটনার বিবরণে জানা যায় বরিশালের বাবুগঞ্জ নিবাসী সুবর্ণা (৩৫)( ছদ্মনাম) এর সাথে ৫ বছর পূর্বে পরিচয় ঘটেবরিশালের রহমতপুর এলাকার দেহেরগতি ইউনিয়ন এর মোহাম্মদ শাহজাহন বাবুর্চি শাজাহান অথবা ড্রাইভার শাজাহান নামে র ছেলে আবুল বাশার ওরফে তারেক ওরফে সোহেল (৪৮) নামের এক মধ্যমবয়স্ক সাথে, নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে, সুন্দর চেহারা এবং কথার ছলনায় ফেলে এক সময় বিয়ে করে একত্রে বসবাস করা শুরু করে ডিভোর্সি, এক সন্তানের জননী ওই মহিলার সাথে। শিয়ালের মতো দ্রুত এই প্রতারক কখনো মেজর, কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের PHD ডিগ্রিধারী,কখনওবা আমেরিকা প্রবাসী মিথ্যা পরিচয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াতেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ছলা কৌশলে স্বর্ণ অলংকার, নগদ অর্থ সহ মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিতেন। আর তার এসব কর্মে সহযোগিতা করত তার আপন বোন,( প্রতারক চক্রের লিডার) ও পিতা। ঢাকার-তানিয়া-মুক্তা , পলাশী ও ইরিন, ময়মনসিংহের ঝুমা, টাঙ্গাইলের রেহানা, বরিশালে লিপি ও আগৈলঝাড়ার গৈলা দাস কাঠি মরিয়ম বেগম সহ আরো অনেকে মহিলার সাথে বিয়ে বিয়ে নাটক করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা, সর্বশেষ স্ত্রী করা মামলার এজাহার থেকে জানা যায় বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে প্রায় আনুমানিক ১৬ লক্ষ টাকা ব্যবসার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছেন এবং তার অনুপস্থিতিতে বাসার মূল্যবান জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলেছেন। এবং তার পূর্বের সন্তান তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় এমনকি টিভির ভলিউম বাড়িয়ে লোহার রড গরম করে পায়ে ছেকা দেয়এবং কাজের মেয়ের সাথে গভীর সম্পর্কের কারণে শিশুকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে তার প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী অভিযোগের আলোকে বাবুগঞ্জ থানার এসআই হানিফ মাহমুদ তারেক এবং কাজের মেয়ে সহ দুজনকে গ্রেফতার করে ।পরবর্তীতে আরও টাকার জন্য তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করলে তিনি বিমানবন্দর থানায়/বাবুগঞ্জ থানায় মামলা করলে সে পালিয়ে যায়, থানার পুলিশ তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। এক সময় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে যৌনবর্ধক ঔষধ বিক্রেতা বিভিন্ন উপায়ে পয়সাওয়ালা বিশেষ করে ডিভোর্সি, নিঃসঙ্গ মহিলাদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব অপকর্ম করে বেড়াতেন,কখনো বা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা সহ চাঁদাবাজির ছিল তার নিয়মিত কর্মকান্ড।সর্বশেষ স্ত্রীর থাকা কালীন অবস্থায় অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে বরিশালের নতুল্লাবাদ বাঙালি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট আপত্তিকর অবস্থায় কতিপয় এক সাংবাদিকের ফটোশুটে ধরা পড়েছিলেন এই প্রতারক এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণ হাতে ধরা খেয়ে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।দীর্ঘদিন ঢাকায় অপকর্ম চালানোর পর ধরা খেয়ে বরিশালে পালিয়ে এসে এক বছর বাড়িতে লুকিয়ে থেকে, পরবর্তীতে আবার স্বভাবসুলভ ভাবেই নতুন উদ্যমে । অপকর্ম চালু করে। এখন পলাতক থাকলেও সুযোগ সুবিধা মতো আবারও শুরু হবে তার প্রতারণা বলে এলাকাবাসীর ধারণা,তাই তাকে দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ভুক্তভোগী সহ স্থানীয় জনসাধারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিভিন্ন নামে বেনামে প্রতারকের প্রতারণা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশালে রহমতপুরে গড়ে উঠেছে এক ভয়ঙ্কর প্রতারকের প্রতারণায় পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন এলাকার সরলমনা, নিঃসঙ্গ, স্বামী পরিত্যাক্তা মহিলারা। অবশেষে অনুমান অষ্টম স্ত্রীর বরিশাল বিমানবন্দর থানায় করা মামলার পর বেরিয়ে আসে একের পর এক প্রতারণার গল্প, ঘটনার বিবরণে জানা যায় বরিশালের বাবুগঞ্জ নিবাসী সুবর্ণা (৩৫)( ছদ্মনাম) এর সাথে ৫ বছর পূর্বে পরিচয় ঘটেবরিশালের রহমতপুর এলাকার দেহেরগতি ইউনিয়ন এর মোহাম্মদ শাহজাহন বাবুর্চি শাজাহান অথবা ড্রাইভার শাজাহান নামে র ছেলে আবুল বাশার ওরফে তারেক ওরফে সোহেল (৪৮) নামের এক মধ্যমবয়স্ক সাথে, নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে, সুন্দর চেহারা এবং কথার ছলনায় ফেলে এক সময় বিয়ে করে একত্রে বসবাস করা শুরু করে ডিভোর্সি, এক সন্তানের জননী ওই মহিলার সাথে। শিয়ালের মতো দ্রুত এই প্রতারক কখনো মেজর, কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের PHD ডিগ্রিধারী,কখনওবা আমেরিকা প্রবাসী মিথ্যা পরিচয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াতেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ছলা কৌশলে স্বর্ণ অলংকার, নগদ অর্থ সহ মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিতেন। আর তার এসব কর্মে সহযোগিতা করত তার আপন বোন,( প্রতারক চক্রের লিডার) ও পিতা। ঢাকার-তানিয়া-মুক্তা , পলাশী ও ইরিন, ময়মনসিংহের ঝুমা, টাঙ্গাইলের রেহানা, বরিশালে লিপি ও আগৈলঝাড়ার গৈলা দাস কাঠি মরিয়ম বেগম সহ আরো অনেকে মহিলার সাথে বিয়ে বিয়ে নাটক করে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা, সর্বশেষ স্ত্রী করা মামলার এজাহার থেকে জানা যায় বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে প্রায় আনুমানিক ১৬ লক্ষ টাকা ব্যবসার নাম করে হাতিয়ে নিয়েছেন এবং তার অনুপস্থিতিতে বাসার মূল্যবান জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলেছেন। এবং তার পূর্বের সন্তান তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় এমনকি টিভির ভলিউম বাড়িয়ে লোহার রড গরম করে পায়ে ছেকা দেয়এবং কাজের মেয়ের সাথে গভীর সম্পর্কের কারণে শিশুকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে তার প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী অভিযোগের আলোকে বাবুগঞ্জ থানার এসআই হানিফ মাহমুদ তারেক এবং কাজের মেয়ে সহ দুজনকে গ্রেফতার করে ।পরবর্তীতে আরও টাকার জন্য তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করলে তিনি বিমানবন্দর থানায়/বাবুগঞ্জ থানায় মামলা করলে সে পালিয়ে যায়, থানার পুলিশ তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। এক সময় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে যৌনবর্ধক ঔষধ বিক্রেতা বিভিন্ন উপায়ে পয়সাওয়ালা বিশেষ করে ডিভোর্সি, নিঃসঙ্গ মহিলাদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব অপকর্ম করে বেড়াতেন,কখনো বা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা সহ চাঁদাবাজির ছিল তার নিয়মিত কর্মকান্ড।সর্বশেষ স্ত্রীর থাকা কালীন অবস্থায় অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে বরিশালের নতুল্লাবাদ বাঙালি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট আপত্তিকর অবস্থায় কতিপয় এক সাংবাদিকের ফটোশুটে ধরা পড়েছিলেন এই প্রতারক এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণ হাতে ধরা খেয়ে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।দীর্ঘদিন ঢাকায় অপকর্ম চালানোর পর ধরা খেয়ে বরিশালে পালিয়ে এসে এক বছর বাড়িতে লুকিয়ে থেকে, পরবর্তীতে আবার স্বভাবসুলভ ভাবেই নতুন উদ্যমে । অপকর্ম চালু করে। এখন পলাতক থাকলেও সুযোগ সুবিধা মতো আবারও শুরু হবে তার প্রতারণা বলে এলাকাবাসীর ধারণা,তাই তাকে দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ভুক্তভোগী সহ স্থানীয় জনসাধারণ।