সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বৃত্তি প্রাপ্ত ৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠিতে ডোপ টেস্টেপজেটিভ আসায় ২ মাদকসেবী আটক মামলা তেঁতুলিয়ায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডে জনবল সংকট ছয় পদের বিপরীতে দায়িত্বে একজন জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়ায় ড্রেজারকাণ্ডে মৃত ৫ জনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা দাবীতে ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ মামরা প্রত্যারের দাবী উজিরপুরে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুদকে আভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ভোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে সাপে কামড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু অভাবের সংসারে অসমাপ্ত ঘর, রেহানার পাশে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। বাবুগঞ্জে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ, আহত একই পরিবারের ৩ কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

এবার ধরা পড়লো আরেক ‘সাহেদ’, হাসপাতাল সিলগালা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাখাওয়াত হোসেন সুমন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে দণ্ড এবং তার হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছে র‍্যাব। এছাড়াও অন্যদেরও বিভিন্ন সাজা দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি টক শোতে অংশগ্রহণ, চিকিৎসায় অবদানের জন্য ক্রেস্ট, ছবিসহ বিভিন্ন কিছু থাকলেও চিকিৎসক হওয়ার সনদ বা কোনো প্রমাণ ছিল না। রোগীকে পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দিতেন তিনি।

রবিবারের অভিযান বিষয়ে র‍্যাব জানায়, ওই হাসপাতালে কর্মরত ১২ ‘চিকিৎসকের’ বেতন না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ রাজধানীর ডেমরা এলাকার সারলিয়ায় অবস্থিত ওই হাসপাতালে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালায়।
এদিকে সম্প্রতি আলোচিত সাহেদ করিমের রিজেন্ট হাসপাতালেও অভিযান চালিয়ে তার সব শাখা সিলগালা করে র‍্যাব। সাহেদ করিমও ভুয়া পরিচয় দিতেন এবং টক শোতে অংশ নিতেন।

গণমাধ্যমকে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু জানান, এসএইচএস হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড ডিজিটাল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হয়েছে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে এটি পরিচালনা করতেন এর মালিক সাখাওয়াত হোসেন সুমন। আমরা তিনি রোগী দেখা অবস্থায় সেখানে অভিযান চালাই। অভিযানে তিনি আমাদের চিকিৎসা সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রমাণই দেখাতে পারেননি। তবে তার চেম্বারে সিল, প্যাড, ভিজিটিং কার্ড এসব পাওয়া গেছে।

চিকিৎসায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্রেস্ট, টেলিভিশন টক শোতে অংশগ্রহণের সনদও রয়েছে তার।
তিনি জানান, সুমন নিজেকে চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিত। রোগীদের বিভিন্ন নমুনার পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দিত। এক বছর আগে তার হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ অক্সিজেন সিলিন্ডার, কার্বন ডাই অক্সাইডের সিলিন্ডারকে অক্সিজেন সিলিন্ডারে রূপান্তরসহ নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে।

র‍্যাবের এ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, তার হাসপাতালে ১২ জন চিকিৎসক আছেন জানালেও আসল চিকিৎসক মাত্র একজন। তাদের বেতনও ঠিক মতো দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তারা র‍্যাবে অভিযোগ দেন। এ ছাড়া তার ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদন নেই এমন ওষুধ বিক্রি হচ্ছিল।

পলাশ বসু জানান, সাখাওয়াত হোসেন সুমনকে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদেরও বিভিন্ন সাজা দেওয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর কর্মকর্তা ডা. দেওয়ান মো. মেহেদি হাসান, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এবার ধরা পড়লো আরেক ‘সাহেদ’, হাসপাতাল সিলগালা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাখাওয়াত হোসেন সুমন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে দণ্ড এবং তার হাসপাতাল সিলগালা করে দিয়েছে র‍্যাব। এছাড়াও অন্যদেরও বিভিন্ন সাজা দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি টক শোতে অংশগ্রহণ, চিকিৎসায় অবদানের জন্য ক্রেস্ট, ছবিসহ বিভিন্ন কিছু থাকলেও চিকিৎসক হওয়ার সনদ বা কোনো প্রমাণ ছিল না। রোগীকে পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দিতেন তিনি।

রবিবারের অভিযান বিষয়ে র‍্যাব জানায়, ওই হাসপাতালে কর্মরত ১২ ‘চিকিৎসকের’ বেতন না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ রাজধানীর ডেমরা এলাকার সারলিয়ায় অবস্থিত ওই হাসপাতালে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালায়।
এদিকে সম্প্রতি আলোচিত সাহেদ করিমের রিজেন্ট হাসপাতালেও অভিযান চালিয়ে তার সব শাখা সিলগালা করে র‍্যাব। সাহেদ করিমও ভুয়া পরিচয় দিতেন এবং টক শোতে অংশ নিতেন।

গণমাধ্যমকে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু জানান, এসএইচএস হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড ডিজিটাল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হয়েছে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে এটি পরিচালনা করতেন এর মালিক সাখাওয়াত হোসেন সুমন। আমরা তিনি রোগী দেখা অবস্থায় সেখানে অভিযান চালাই। অভিযানে তিনি আমাদের চিকিৎসা সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রমাণই দেখাতে পারেননি। তবে তার চেম্বারে সিল, প্যাড, ভিজিটিং কার্ড এসব পাওয়া গেছে।

চিকিৎসায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্রেস্ট, টেলিভিশন টক শোতে অংশগ্রহণের সনদও রয়েছে তার।
তিনি জানান, সুমন নিজেকে চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিত। রোগীদের বিভিন্ন নমুনার পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দিত। এক বছর আগে তার হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ অক্সিজেন সিলিন্ডার, কার্বন ডাই অক্সাইডের সিলিন্ডারকে অক্সিজেন সিলিন্ডারে রূপান্তরসহ নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে।

র‍্যাবের এ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, তার হাসপাতালে ১২ জন চিকিৎসক আছেন জানালেও আসল চিকিৎসক মাত্র একজন। তাদের বেতনও ঠিক মতো দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তারা র‍্যাবে অভিযোগ দেন। এ ছাড়া তার ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদন নেই এমন ওষুধ বিক্রি হচ্ছিল।

পলাশ বসু জানান, সাখাওয়াত হোসেন সুমনকে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদেরও বিভিন্ন সাজা দেওয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরর কর্মকর্তা ডা. দেওয়ান মো. মেহেদি হাসান, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক।