সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে ধরা দুই টাউট আইনজীবী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

শহীদুল ইসলাম ও এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছার নিজেদের মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে মামলা সংগ্রহ করতেন। আইনজীবী না হয়েও তারা নিজেদের আইনজীবী পরিচয় দিতেন। এভাবে নিরীহ বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন হাজার হাজার টাকা। অবশেষে তাদের শেষ রক্ষা আর হলো না। ঢাকা আইনজীবী সমিতি কার্যনিবার্হী কমিটির হাতে ধরা পড়েছেন তারা। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা করেছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির দফতর সম্পাদক এইচ এম মাসুম।

রোববার (১২ জুলাই) মামলার বাদী ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির দফতর সম্পাদক এইচ এম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শহীদুল ইসলাম ও এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছার তারা আইনজীবী না হয়েও আইনজীবী পরিচয় দিতেন। তারা নিজেদের মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ আদালত পাড়া থেকে তাদের আটক করি। এরপর কোতোয়ালী থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি শহীদুল ইসলাম (৪৭) নিজেকে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরবর্তীতে ঢাকা আইনজীবী সমিতির রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখি সে আইনজীবী নয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি শহীদুল ইসলাম অবৈধ ও অসৎ উদ্দেশে মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে ভিজিটিং কার্ড ও পোস্টার ছাপিয়ে ‘বিশ্ব আদালত মানবাধিকার আইন বাস্তবায়ন সংস্থা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পোস্টার সে দেওয়ানি,ফৌজদারি ,জমি রেজিস্ট্রেশনসহ সংস্থার মাধ্যমে ১-১২ মাসের মধ্যে সব ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করা হয় মর্মে পোস্টার ছাপিয়ে এবং নিজে ওকালাতনামা ছাপিয়ে তা ব্যবহার করে প্রত্যক্ষভাবে মামলা সংগ্রহ করে বিচারপ্রার্থী জনগণের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।

এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছারও (৩১) নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দেন। ঢাকা আইনজীবী সমিতির রেকর্ড পত্র পর্যালোচনা করে দেখি সে আইনজীবী নয়। উক্ত আসামি সে নিজেকে মানবাধিকার চেয়ারম্যান ও আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে মামলা সংগ্রহ করে বিচারপ্রার্থী জনগণের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে ধরা দুই টাউট আইনজীবী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

শহীদুল ইসলাম ও এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছার নিজেদের মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে মামলা সংগ্রহ করতেন। আইনজীবী না হয়েও তারা নিজেদের আইনজীবী পরিচয় দিতেন। এভাবে নিরীহ বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন হাজার হাজার টাকা। অবশেষে তাদের শেষ রক্ষা আর হলো না। ঢাকা আইনজীবী সমিতি কার্যনিবার্হী কমিটির হাতে ধরা পড়েছেন তারা। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা করেছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির দফতর সম্পাদক এইচ এম মাসুম।

রোববার (১২ জুলাই) মামলার বাদী ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির দফতর সম্পাদক এইচ এম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শহীদুল ইসলাম ও এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছার তারা আইনজীবী না হয়েও আইনজীবী পরিচয় দিতেন। তারা নিজেদের মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ আদালত পাড়া থেকে তাদের আটক করি। এরপর কোতোয়ালী থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি শহীদুল ইসলাম (৪৭) নিজেকে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরবর্তীতে ঢাকা আইনজীবী সমিতির রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখি সে আইনজীবী নয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামি শহীদুল ইসলাম অবৈধ ও অসৎ উদ্দেশে মানবাধিকার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে ভিজিটিং কার্ড ও পোস্টার ছাপিয়ে ‘বিশ্ব আদালত মানবাধিকার আইন বাস্তবায়ন সংস্থা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অবৈধ প্রতিষ্ঠানের পোস্টার সে দেওয়ানি,ফৌজদারি ,জমি রেজিস্ট্রেশনসহ সংস্থার মাধ্যমে ১-১২ মাসের মধ্যে সব ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করা হয় মর্মে পোস্টার ছাপিয়ে এবং নিজে ওকালাতনামা ছাপিয়ে তা ব্যবহার করে প্রত্যক্ষভাবে মামলা সংগ্রহ করে বিচারপ্রার্থী জনগণের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।

এ কে এম গিয়াসউদ্দিন কাউছারও (৩১) নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দেন। ঢাকা আইনজীবী সমিতির রেকর্ড পত্র পর্যালোচনা করে দেখি সে আইনজীবী নয়। উক্ত আসামি সে নিজেকে মানবাধিকার চেয়ারম্যান ও আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে মামলা সংগ্রহ করে বিচারপ্রার্থী জনগণের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।