সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব

আবারো মহামারির শঙ্কা, চীনে ছড়াচ্ছে নতুন ভাইরাস। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০ ২২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: চীনে অদৃশ্য ভাইরাস থেকে এখনো রক্ষা পায়নি বিশ্ব। করোনার ভয় এখনো কাটেনি এরই মধ্যে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন। সেই চীনেই মিলেছে নতুন এই ভাইরাস।
করোনার মতো এটিও মহামারি আকারে দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেছেন তারা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিহ্নিত হওয়া এই ভাইরাসটি শূকর বহন করে। মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রতিবেদন।

চীনের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শূকরবাহিত নতুন ফ্লু ভাইরাসটির মানুষকে আক্রান্ত করার মতো অভিযোজিত হওয়ার সব ধরনের লক্ষণ রয়েছে। এছাড়া নতুন ভাইরাস, কাজেই মানুষের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে। তবে এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু না থাকলেও এটি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

নতুন এই ফ্লু ভাইরাসের নামকরণ হয়েছে জি৪ইএএইচ১এন১। এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে বেড়ে উঠতে এবং বিস্তার ঘটাতে পারে। যারা চীনে শূকর এবং কসাইখানায় কাজ করছেন তাদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে।। বর্তমানে যেসব টিকা বাজারে রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।

চীনে নতুন যে ফ্লু ভাইরাস পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ২০০৯ সালে মেক্সিকো থেকে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর মিল রয়েছে। এখন পর্যন্ত এটা বড় কোনো হুমকি তৈরি করেনি। কিন্তু ভাইরাসটি নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রফেসর কিন-চো চ্যাং এবং তার সহকর্মীরা বলছেন, এর ওপর নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রফেসর কিন-চো চ্যাং বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা করোনাভাইরাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছি এবং সেটাই সঠিক। কিন্তু আমাদের অবশ্যই নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য বিপদের ওপর থেকে চোখ সরানো চলবে না।’ নতুন এই ভাইরাসটি এখনই সমস্যা তৈরি করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি কোনওভাবেই অবহেলা করা উচিত হবে না।’

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। অনেক তর্ক-বিতর্ক থাকলেও অধিকাংশের ধারণা এটি বাদুড় থেকে ছড়িয়েছে। ইতোমধ্যে কভিড-১৯ তার ভয়ংকর ক্ষমতা দেখিয়েছে।

ছড়ানোর ছয় মাসের মধ্যে এতে বিশ্বের এক কোটির বেশি আক্রান্ত হয়েছে, পাঁচ লাখের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রতিষেধক কিংবা টিকা আবিষ্কার সম্ভব হয়নি। এটা আর কতদিন থাকবে কেউ বলতে পারেন না।

এরইমধ্যে শূকরের বহন করা ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত হলো। গবেষকদের আশঙ্কা, শূকর থেকে সহজে মানুষে ছড়াতে পারে। এটি আরো অভিযোজিত হয়ে নতুন মহামারিতে পরিণত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আবারো মহামারির শঙ্কা, চীনে ছড়াচ্ছে নতুন ভাইরাস। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: চীনে অদৃশ্য ভাইরাস থেকে এখনো রক্ষা পায়নি বিশ্ব। করোনার ভয় এখনো কাটেনি এরই মধ্যে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন। সেই চীনেই মিলেছে নতুন এই ভাইরাস।
করোনার মতো এটিও মহামারি আকারে দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেছেন তারা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিহ্নিত হওয়া এই ভাইরাসটি শূকর বহন করে। মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রতিবেদন।

চীনের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শূকরবাহিত নতুন ফ্লু ভাইরাসটির মানুষকে আক্রান্ত করার মতো অভিযোজিত হওয়ার সব ধরনের লক্ষণ রয়েছে। এছাড়া নতুন ভাইরাস, কাজেই মানুষের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে। তবে এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু না থাকলেও এটি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

নতুন এই ফ্লু ভাইরাসের নামকরণ হয়েছে জি৪ইএএইচ১এন১। এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে বেড়ে উঠতে এবং বিস্তার ঘটাতে পারে। যারা চীনে শূকর এবং কসাইখানায় কাজ করছেন তাদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে।। বর্তমানে যেসব টিকা বাজারে রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।

চীনে নতুন যে ফ্লু ভাইরাস পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ২০০৯ সালে মেক্সিকো থেকে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর মিল রয়েছে। এখন পর্যন্ত এটা বড় কোনো হুমকি তৈরি করেনি। কিন্তু ভাইরাসটি নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রফেসর কিন-চো চ্যাং এবং তার সহকর্মীরা বলছেন, এর ওপর নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রফেসর কিন-চো চ্যাং বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা করোনাভাইরাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছি এবং সেটাই সঠিক। কিন্তু আমাদের অবশ্যই নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য বিপদের ওপর থেকে চোখ সরানো চলবে না।’ নতুন এই ভাইরাসটি এখনই সমস্যা তৈরি করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি কোনওভাবেই অবহেলা করা উচিত হবে না।’

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। অনেক তর্ক-বিতর্ক থাকলেও অধিকাংশের ধারণা এটি বাদুড় থেকে ছড়িয়েছে। ইতোমধ্যে কভিড-১৯ তার ভয়ংকর ক্ষমতা দেখিয়েছে।

ছড়ানোর ছয় মাসের মধ্যে এতে বিশ্বের এক কোটির বেশি আক্রান্ত হয়েছে, পাঁচ লাখের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রতিষেধক কিংবা টিকা আবিষ্কার সম্ভব হয়নি। এটা আর কতদিন থাকবে কেউ বলতে পারেন না।

এরইমধ্যে শূকরের বহন করা ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত হলো। গবেষকদের আশঙ্কা, শূকর থেকে সহজে মানুষে ছড়াতে পারে। এটি আরো অভিযোজিত হয়ে নতুন মহামারিতে পরিণত হতে পারে।