সংবাদ শিরোনাম ::
পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ

পাপিয়ার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নরসিংদী জেলার বহিষ্কৃত যুবলীগ নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক শাহীন আরা মামতাজ রোববার জানান, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে। অনুসন্ধানে তার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য আমাদের হাতে আছে। কিছু কাজ এখনও বাকি রয়েছে, সেগুলো শেষ হলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

এদিকে, রিমান্ড মঞ্জুরের পর সোমবার বিকালে ঢাকা হাকিম আদালত থেকে পাপিয়াকে নিয়ে যায় পুলিশ।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকা ও নরসিংদীতে পাপিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পাওয়ার কথা জানায় র‌্যাব। সে সময় র‌্যাবের তরফ থেকে বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের একটি তারকা হোটেল ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।

গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে জাল নোটের একটি এবং অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র‌্যাব। আর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। এরপর দুদকও পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নামে।

দুদক জানায়, পাপিয়াকে অন্য একটি সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সেই সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে দুদকের পক্ষ থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দুদকের ওই কর্মকর্তা জানান, হোটেলের যে তিনটি কক্ষ পাপিয়া ও তার সহযোগীরা ব্যবহার করতেন, গত ১৫ মার্চ সেগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি। ওই কক্ষগুলোর মালামালের ইনভেন্ট্রি তৈরি করেছেন।
ওই তিন কক্ষের মালামাল সরাতে গেলে তিনটি ট্রাক লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবাক হওয়ার মতো বিষয় যে সেখানে একশ জোড়া স্যান্ডেল পাওয়া গেছে। বেশিরভাগই পাপিয়ার। এছাড়া প্রচুর দামি দামি পোশাক ও ঘড়ি পাওয়া গেছে।

এছাড়া পাপিয়া নিজ হাতে সই করে কত টাকা হোটেলে বিল দিয়েছেন, সেই সব বিলের কপিও সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে এই দুদক কর্মকর্তা বলেন, তার গ্রামের বাড়িও পরিদর্শন করতে হবে। তারপরই মামলাটি করা হবে। তিনি জানান, পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ছাড়াও আরও নয়জন থাকতেন হোটেলের ওই কক্ষগুলোতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাপিয়ার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নরসিংদী জেলার বহিষ্কৃত যুবলীগ নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক শাহীন আরা মামতাজ রোববার জানান, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে। অনুসন্ধানে তার চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য আমাদের হাতে আছে। কিছু কাজ এখনও বাকি রয়েছে, সেগুলো শেষ হলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

এদিকে, রিমান্ড মঞ্জুরের পর সোমবার বিকালে ঢাকা হাকিম আদালত থেকে পাপিয়াকে নিয়ে যায় পুলিশ।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকা ও নরসিংদীতে পাপিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল সম্পদের খোঁজ পাওয়ার কথা জানায় র‌্যাব। সে সময় র‌্যাবের তরফ থেকে বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের একটি তারকা হোটেল ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।

গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে জাল নোটের একটি এবং অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র‌্যাব। আর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। এরপর দুদকও পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নামে।

দুদক জানায়, পাপিয়াকে অন্য একটি সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সেই সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে দুদকের পক্ষ থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দুদকের ওই কর্মকর্তা জানান, হোটেলের যে তিনটি কক্ষ পাপিয়া ও তার সহযোগীরা ব্যবহার করতেন, গত ১৫ মার্চ সেগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি। ওই কক্ষগুলোর মালামালের ইনভেন্ট্রি তৈরি করেছেন।
ওই তিন কক্ষের মালামাল সরাতে গেলে তিনটি ট্রাক লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবাক হওয়ার মতো বিষয় যে সেখানে একশ জোড়া স্যান্ডেল পাওয়া গেছে। বেশিরভাগই পাপিয়ার। এছাড়া প্রচুর দামি দামি পোশাক ও ঘড়ি পাওয়া গেছে।

এছাড়া পাপিয়া নিজ হাতে সই করে কত টাকা হোটেলে বিল দিয়েছেন, সেই সব বিলের কপিও সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে এই দুদক কর্মকর্তা বলেন, তার গ্রামের বাড়িও পরিদর্শন করতে হবে। তারপরই মামলাটি করা হবে। তিনি জানান, পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ছাড়াও আরও নয়জন থাকতেন হোটেলের ওই কক্ষগুলোতে।