সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জে খাল পরিষ্কার কর্মসূচির উদ্বোধন ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে, স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে বিএনপির একক প্রার্থী” — অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বরিশালে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বাবুগঞ্জের দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ

বরিশালে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এতে তরুণী অন্ত:সত্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০ ২০৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের করেছেন কলেজশিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম। এতে তরুণী অন্ত:সত্ত¡ হয়ে পড়লে গর্ভের সন্তান শিক্ষকের চাপে নষ্ট করে ফেলে। স্থানীয় মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী ওই তরুণীর সাথে কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে পরিচয়ের সুবাদে একপর্যায়ে প্রেম সম্পর্কে রুপ নেয়। পরে ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ নম্বর কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতুব্বরের শিক্ষক শহিদুল দুই বছর ধর্ষণ করেন। কিন্তু সম্প্রতিকালে তিনি এই সম্পর্কের বিষয়টি শিক্ষক অস্বীকার করে বিয়ে করছেন না জানিয়ে দিলে স্বাস্থ্যকর্মী বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষণ অভিযোগে একটি মামলা করেন।
মামলার বিষয়টি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ শুক্রবার রাতে নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়- বাকেরগঞ্জ মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী তরুণীকে শহিদুল ইসলাম তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয়। এবং মুঠোফোন নম্বর নেন। ফোনে আলাপচারিতার দুই বছর পরে তিনি তরুণীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এবং তরুণীর মা বাবা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে শিক্ষক তাদের বাড়িতে প্রায়শই যাতায়াত করেন। এমনিভাবে যাওয়া আসার সুবাদে তরুণীকে একাধিকবার তিনি ধর্ষণ করেন। কয়েক মাস পুর্বে ধর্ষণে তরুণী অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়লে চাপপ্রয়োগ করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বাধ্য করেন শিক্ষক। এ ঘটনার কিছুদিন পরে শিক্ষক তাদের প্রেম সম্পর্কের পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং তরুণী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও ২ সন্তান রয়েছে।

সাম্প্রতি স্বাস্থ্যকর্মী সংবাদ সম্মেলনে জানান, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় এতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় তরুণী নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশালে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এতে তরুণী অন্ত:সত্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০

বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের করেছেন কলেজশিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম। এতে তরুণী অন্ত:সত্ত¡ হয়ে পড়লে গর্ভের সন্তান শিক্ষকের চাপে নষ্ট করে ফেলে। স্থানীয় মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী ওই তরুণীর সাথে কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে পরিচয়ের সুবাদে একপর্যায়ে প্রেম সম্পর্কে রুপ নেয়। পরে ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৯ নম্বর কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতুব্বরের শিক্ষক শহিদুল দুই বছর ধর্ষণ করেন। কিন্তু সম্প্রতিকালে তিনি এই সম্পর্কের বিষয়টি শিক্ষক অস্বীকার করে বিয়ে করছেন না জানিয়ে দিলে স্বাস্থ্যকর্মী বাকেরগঞ্জ থানায় ধর্ষণ অভিযোগে একটি মামলা করেন।
মামলার বিষয়টি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ শুক্রবার রাতে নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়- বাকেরগঞ্জ মাছুয়াখালি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যকর্মী তরুণীকে শহিদুল ইসলাম তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয়। এবং মুঠোফোন নম্বর নেন। ফোনে আলাপচারিতার দুই বছর পরে তিনি তরুণীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এবং তরুণীর মা বাবা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে শিক্ষক তাদের বাড়িতে প্রায়শই যাতায়াত করেন। এমনিভাবে যাওয়া আসার সুবাদে তরুণীকে একাধিকবার তিনি ধর্ষণ করেন। কয়েক মাস পুর্বে ধর্ষণে তরুণী অন্তঃসত্ত¡া হয়ে পড়লে চাপপ্রয়োগ করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বাধ্য করেন শিক্ষক। এ ঘটনার কিছুদিন পরে শিক্ষক তাদের প্রেম সম্পর্কের পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং তরুণী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও ২ সন্তান রয়েছে।

সাম্প্রতি স্বাস্থ্যকর্মী সংবাদ সম্মেলনে জানান, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় এতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় তরুণী নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।’