সংবাদ শিরোনাম ::
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী” নলছিটিতে ১৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত বিজয়নগর থানার, আহসান উল্লাহ,

পটুয়াখালী থানায় জিডি করতে গিয়ে টাকা না দেওয়ায় চড়-থাপ্পড়ের শিকার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ ১৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাউফল প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর বাউফল থানার মধ্যে মাহাবুব খান (৩৫) নামের ভাড়ায়চালিত এক মোটরসাইকেল চালককে চড়-থাপ্পর ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জিডি করার পর ডিউটি অফিসারকে টাকা না দেয়ায় তাকে মারধর করা হয়। মাহাবুবের বাড়ি কেশবপুর ইউনিয়নের ভড়িপাশা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত রশিদ খান।
মাহাবুব খান অভিযোগ করেন- তিনি একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার ভাতিজা ইব্রাহিম খান তাকে নিয়ে থানায় আসেন একটি জিডি করার জন্য। জিডি করার পর তারা চলে যাওয়ার সময় ডিউটি অফিসার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মামুন তার কাছে টাকা দাবি করেন।

এসময় মাহাবুব তাকে বলেন, ‘স্যার আমিতো জানি জিডি করতে টাকা লাগেনা। এরপর তিনি পকেট থেকে তিনশ’ টাকা বেড় করে ডিউটি অফিসারকে দিতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি কি ফকিন্নি, যে তিনশ’ টাকা দেন। যান আমার সামনে থেকে চলে যান।’ এরপর তারা চলে আসার সময় ডিউটি অফিসার মামুন তার চেয়ার থেকে উঠে মাহাবুবকে গাড় ধাক্কা দেন। মারধর করেন এবং টানাটানি করে গায়ের জামা ছিড়ে ফেলেন। এসময় ওয়ারেলস অপারেটরসহ আগন্তুক কয়েক ব্যক্তি এসে তাকে নিভৃত করেন। পরে তার ভাতিজা ইব্রাহিম বাজার থেকে একটি গেঞ্জি কিনে আনলে সেটি গায়ে দিয়ে বাড়ি চলে যান।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এক সাংবাদিককে বলেন, ‘ঘটনাটি সত্য নয়। আমার পাশেই ডিউটি অফিসারের রুম। এমন ঘটনা ঘটলে আমি টের পেতামনা। তা ছাড়া জিডি করতে কোন টাকা লাগেনা।; ওই সাংবাদিক তখন ওসিকে প্রশ্ন করেন, ডিউটি অফিসারের রুমেতো সিসি ক্যামেরা আছে। সেটি দেখলে বুঝতে পারবেন ঘটনাটি সত্যা কিনা?। তবে প্রশ্নের তিনি কোন জবাব দেননি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পটুয়াখালী থানায় জিডি করতে গিয়ে টাকা না দেওয়ায় চড়-থাপ্পড়ের শিকার। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

বাউফল প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর বাউফল থানার মধ্যে মাহাবুব খান (৩৫) নামের ভাড়ায়চালিত এক মোটরসাইকেল চালককে চড়-থাপ্পর ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জিডি করার পর ডিউটি অফিসারকে টাকা না দেয়ায় তাকে মারধর করা হয়। মাহাবুবের বাড়ি কেশবপুর ইউনিয়নের ভড়িপাশা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত রশিদ খান।
মাহাবুব খান অভিযোগ করেন- তিনি একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার ভাতিজা ইব্রাহিম খান তাকে নিয়ে থানায় আসেন একটি জিডি করার জন্য। জিডি করার পর তারা চলে যাওয়ার সময় ডিউটি অফিসার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মামুন তার কাছে টাকা দাবি করেন।

এসময় মাহাবুব তাকে বলেন, ‘স্যার আমিতো জানি জিডি করতে টাকা লাগেনা। এরপর তিনি পকেট থেকে তিনশ’ টাকা বেড় করে ডিউটি অফিসারকে দিতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি কি ফকিন্নি, যে তিনশ’ টাকা দেন। যান আমার সামনে থেকে চলে যান।’ এরপর তারা চলে আসার সময় ডিউটি অফিসার মামুন তার চেয়ার থেকে উঠে মাহাবুবকে গাড় ধাক্কা দেন। মারধর করেন এবং টানাটানি করে গায়ের জামা ছিড়ে ফেলেন। এসময় ওয়ারেলস অপারেটরসহ আগন্তুক কয়েক ব্যক্তি এসে তাকে নিভৃত করেন। পরে তার ভাতিজা ইব্রাহিম বাজার থেকে একটি গেঞ্জি কিনে আনলে সেটি গায়ে দিয়ে বাড়ি চলে যান।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এক সাংবাদিককে বলেন, ‘ঘটনাটি সত্য নয়। আমার পাশেই ডিউটি অফিসারের রুম। এমন ঘটনা ঘটলে আমি টের পেতামনা। তা ছাড়া জিডি করতে কোন টাকা লাগেনা।; ওই সাংবাদিক তখন ওসিকে প্রশ্ন করেন, ডিউটি অফিসারের রুমেতো সিসি ক্যামেরা আছে। সেটি দেখলে বুঝতে পারবেন ঘটনাটি সত্যা কিনা?। তবে প্রশ্নের তিনি কোন জবাব দেননি।’