সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

বন্ধের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০ ৩০৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। তবে এই পরীক্ষা যেন বাসায় বসে শিক্ষার্থীরা দিতে পারে সেই চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা- ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা- ৯ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা- ১৯ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১ম থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। সেসব খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেবেন। এ জন্য বেশকিছু ভলেন্টিয়ার (স্বেচ্ছাসেবী) নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তা বাতিল করা হয়। বর্তমানে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে না আসায় আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।
‘এ কারণে আমরা সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছি। পাশাপাশি শিক্ষকরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে পড়ালেখার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া যায় কথা চিন্তা করছি।

সচিব বলেন, ‘গত ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হতে পারে।’

তিনি বলেন, শ্রেণি ক্লাসের টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত ভলেন্টিয়ারদের (স্বেচ্ছাসেবী) মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। ভলেন্টিয়ারদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেবেন।

দ্রুত এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলেও জানান সচিব আকরাম আল হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বন্ধের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। তবে এই পরীক্ষা যেন বাসায় বসে শিক্ষার্থীরা দিতে পারে সেই চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা- ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা- ৯ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা- ১৯ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১ম থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। সেসব খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেবেন। এ জন্য বেশকিছু ভলেন্টিয়ার (স্বেচ্ছাসেবী) নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তা বাতিল করা হয়। বর্তমানে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে না আসায় আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।
‘এ কারণে আমরা সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছি। পাশাপাশি শিক্ষকরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে পড়ালেখার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া যায় কথা চিন্তা করছি।

সচিব বলেন, ‘গত ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হতে পারে।’

তিনি বলেন, শ্রেণি ক্লাসের টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত ভলেন্টিয়ারদের (স্বেচ্ছাসেবী) মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। ভলেন্টিয়ারদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেবেন।

দ্রুত এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলেও জানান সচিব আকরাম আল হোসেন।