সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাংলার ঐতিহ্য মেজবান, হারিয়েগেছে কলাপাতা,

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৃধা জুয়েল///
আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্য মেজবান, কুলখানি, কাঙ্গালীভোজ অথবা জিয়াফত অনুষ্ঠান। সময়ের পরিবর্তনের সাথে বদলে গেছে অনেক কিছু। এক সময় মেজবানী অনুষ্ঠানে বসার জন্য হোগল পাতা এবং কলা পাতায় খাবার পরিবেশন করা হতো। রাখা হতো মাটির পাত্রে সব কিছুই ছিল একদম প্রাকৃতিক। এখন অধুনিকতার ছোয়ায় প্লাষ্টিকের পাত্র চলে এসেছে। বসার জন্য বিছানো হচ্ছে চট। মৃত্যু ব্যাক্তির নামে নিদ্রষ্ট সময় পরে দোয়া অনুষ্ঠান শেষে আত্মিয়-স্বজন ও এলাকাবাসীকে নিয়ে যে ভোজের আয়োজন করা হয় তাকেই মেজবান বলে। উপরোক্ত পরিবর্তনের সাথে আরো কিছু পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন ছিল। যেমন প্রতি ২০ জনের জন্য এক মালসা (বাটি) গোষ্ত সত্যিকার অর্থেই খুবই কম পরিমান। আজ থেকে ৫০ বছর আগে মানুষ ছিল দারিদ্র বর্তমানে দারিদ্রতা নেই। তাই গোস্তের পরিমানটা বাড়ানো সময়ের দাবী। এত আয়োজন ঘটা করে যখন প্লেটে মাত্র দুই টুকরো গোষ্ট দেয়া হয়, সময়ের সাথে সেটা সত্যিই বেমানান।
অপরদিকে আমাদের খাবার গ্রহনের মুল উপাদান পানি, কিন্তু এই মেজবানী অনুষ্ঠানে পানির আয়োজনটা থাকে দায়সারা। ছোট্ট শিশুদের দিয়ে কয়েক হাজার মানুষের জন্য মাত্র কয়েকটি জগ ও গ্লাস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এক্ষেত্রে কেহ পানি পায় আবার কেহ চোখেই দেখেনা। আয়োজোকদের এই পানির বিষয়ে অবশ্যই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ। এমনও হয়েছে যে গোস্ত গলায় আটকে মৃত্যু হওয়ার মতো ঘটনা। পরিবর্তন আসুক খাবারে। ফিরে আসুক হারানো ঐতিহ্য কলাপাতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলার ঐতিহ্য মেজবান, হারিয়েগেছে কলাপাতা,

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মৃধা জুয়েল///
আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্য মেজবান, কুলখানি, কাঙ্গালীভোজ অথবা জিয়াফত অনুষ্ঠান। সময়ের পরিবর্তনের সাথে বদলে গেছে অনেক কিছু। এক সময় মেজবানী অনুষ্ঠানে বসার জন্য হোগল পাতা এবং কলা পাতায় খাবার পরিবেশন করা হতো। রাখা হতো মাটির পাত্রে সব কিছুই ছিল একদম প্রাকৃতিক। এখন অধুনিকতার ছোয়ায় প্লাষ্টিকের পাত্র চলে এসেছে। বসার জন্য বিছানো হচ্ছে চট। মৃত্যু ব্যাক্তির নামে নিদ্রষ্ট সময় পরে দোয়া অনুষ্ঠান শেষে আত্মিয়-স্বজন ও এলাকাবাসীকে নিয়ে যে ভোজের আয়োজন করা হয় তাকেই মেজবান বলে। উপরোক্ত পরিবর্তনের সাথে আরো কিছু পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন ছিল। যেমন প্রতি ২০ জনের জন্য এক মালসা (বাটি) গোষ্ত সত্যিকার অর্থেই খুবই কম পরিমান। আজ থেকে ৫০ বছর আগে মানুষ ছিল দারিদ্র বর্তমানে দারিদ্রতা নেই। তাই গোস্তের পরিমানটা বাড়ানো সময়ের দাবী। এত আয়োজন ঘটা করে যখন প্লেটে মাত্র দুই টুকরো গোষ্ট দেয়া হয়, সময়ের সাথে সেটা সত্যিই বেমানান।
অপরদিকে আমাদের খাবার গ্রহনের মুল উপাদান পানি, কিন্তু এই মেজবানী অনুষ্ঠানে পানির আয়োজনটা থাকে দায়সারা। ছোট্ট শিশুদের দিয়ে কয়েক হাজার মানুষের জন্য মাত্র কয়েকটি জগ ও গ্লাস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। এক্ষেত্রে কেহ পানি পায় আবার কেহ চোখেই দেখেনা। আয়োজোকদের এই পানির বিষয়ে অবশ্যই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ। এমনও হয়েছে যে গোস্ত গলায় আটকে মৃত্যু হওয়ার মতো ঘটনা। পরিবর্তন আসুক খাবারে। ফিরে আসুক হারানো ঐতিহ্য কলাপাতা।