সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জাতি হতাশ: ফখরুল। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০ ১৪০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: বর্তমান সংসদের এক বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেয়া জাতির উদ্দেশে ভাষণে জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছে তার প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেই ভাষণ দিয়েছেন তাতে জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে অর্থনীতি হচ্ছে প্রধান সংকট। এটা হচ্ছে পুরোপুরি ভাবে রাজনৈতিক সংকট। এ সরকার একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। এমন একটি নির্বাচন হয়েছে যেটা ৩০ তারিখে হয়নি ২৯ ডিসেম্বর রাতেই ভোট ডাকাতি হয়েছে। সেই হিসেবে জাতির একটি প্রত্যাশা ছিল সংকট নিরসনের একটি পথ তার বক্তব্যের মধ্যে থাকবে। এ নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনের কথা বা এমন কেন ইঙ্গিত দিবেন অথবা কোন একটা সংলাপের কথা বলবেন। কিন্তু কোনটাই তিনি করেননি। এই সংকট নিরসনের জন্য তিনি কোন পথ দেখাননি।

তিনি বলেন, যেই বক্তব্যগুলো রেখেছেন যা সত্য নয়। যেমন তিনি বলেছেন, ‘৭৫-এর পরে বছরগুলোতে মানুষ জরাজীর্ণ ছিল, মানুষের কঙ্কাল দেহ ছিল’ একথাগুলো চরম উল্টো। তার আগে ৭২-৭৫ সাল এদেশে একটি চরম দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আমলে, তাদের দুঃশাসনের কারণে।

মির্জা ফখরুল, ৭৫’র পরে জিয়াউর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে এদেশে পরিবর্তন ঘটে। আজকে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক ভিত্তি এটার রচনা করেন জিয়াউর রহমান। এরমধ্যে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেন। মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। যার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। আর অর্থনীতির যে ভিত্তি গড়ে তোলেন মুক্তবাজার অর্থনীতি। বিদেশের কাছে উন্মুক্ত হাওয়া রপ্তানি বাড়ানো। সবচেয়ে বেশি গার্মেন্টস সেক্টরগুলোতে যার মাধ্যমে আমরা টিকে আছি এবং রেমিট্যান্স এই জিনিসগুলো জিয়াউর রহমান শুরু করেন। এ বিষয়গুলো তিনি বক্তৃতায় তুলে ধরেননি।

তিনি বলেন, আরেকটি বিষয় হচ্ছে, দোষারোপ করা হয়েছে শুধু বিএনপিকে যে বিএনপি সন্ত্রাস করেছে। ভুলে গেছেন ওনারা যে ১৭৩ দিন হরতাল করেছেন। কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে এবং সেই সময় বাসে ১১ জন ব্যক্তিকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আর অনেক লোক নিহত হয়েছিল এই আন্দোলনের ফলে। দেশের রাজনীতির যে কালচার ছিল এখনো আছে যেটা সরকার করছেন। তারা হত্যা করেছে তুলে নিয়ে গিয়ে মারছেন, নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে, গুম হয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই জিনিসগুলো তার বক্তব্যের মধ্যে আসেনি, বক্তব্যের মধ্যে আশা রাখতে বলেছেন ভরসা রাখতে বলেছেন। সেই ভরসা মানুষ কোথা থেকে রাখবে। অর্থনীতি চরমভাবে নিচে নেমে গেছেন, অর্থনীতির বর্ণনা তিনি দিয়েছেন তা হচ্ছে পুরো উল্টো। ব্যাংকগুলো ভেঙে পড়েছে মানুষ আস্থা রাখবে কোথায়?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জাতি হতাশ: ফখরুল। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: বর্তমান সংসদের এক বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেয়া জাতির উদ্দেশে ভাষণে জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছে তার প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেই ভাষণ দিয়েছেন তাতে জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে অর্থনীতি হচ্ছে প্রধান সংকট। এটা হচ্ছে পুরোপুরি ভাবে রাজনৈতিক সংকট। এ সরকার একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। এমন একটি নির্বাচন হয়েছে যেটা ৩০ তারিখে হয়নি ২৯ ডিসেম্বর রাতেই ভোট ডাকাতি হয়েছে। সেই হিসেবে জাতির একটি প্রত্যাশা ছিল সংকট নিরসনের একটি পথ তার বক্তব্যের মধ্যে থাকবে। এ নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনের কথা বা এমন কেন ইঙ্গিত দিবেন অথবা কোন একটা সংলাপের কথা বলবেন। কিন্তু কোনটাই তিনি করেননি। এই সংকট নিরসনের জন্য তিনি কোন পথ দেখাননি।

তিনি বলেন, যেই বক্তব্যগুলো রেখেছেন যা সত্য নয়। যেমন তিনি বলেছেন, ‘৭৫-এর পরে বছরগুলোতে মানুষ জরাজীর্ণ ছিল, মানুষের কঙ্কাল দেহ ছিল’ একথাগুলো চরম উল্টো। তার আগে ৭২-৭৫ সাল এদেশে একটি চরম দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আমলে, তাদের দুঃশাসনের কারণে।

মির্জা ফখরুল, ৭৫’র পরে জিয়াউর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে এদেশে পরিবর্তন ঘটে। আজকে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক ভিত্তি এটার রচনা করেন জিয়াউর রহমান। এরমধ্যে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেন। মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। যার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। আর অর্থনীতির যে ভিত্তি গড়ে তোলেন মুক্তবাজার অর্থনীতি। বিদেশের কাছে উন্মুক্ত হাওয়া রপ্তানি বাড়ানো। সবচেয়ে বেশি গার্মেন্টস সেক্টরগুলোতে যার মাধ্যমে আমরা টিকে আছি এবং রেমিট্যান্স এই জিনিসগুলো জিয়াউর রহমান শুরু করেন। এ বিষয়গুলো তিনি বক্তৃতায় তুলে ধরেননি।

তিনি বলেন, আরেকটি বিষয় হচ্ছে, দোষারোপ করা হয়েছে শুধু বিএনপিকে যে বিএনপি সন্ত্রাস করেছে। ভুলে গেছেন ওনারা যে ১৭৩ দিন হরতাল করেছেন। কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে এবং সেই সময় বাসে ১১ জন ব্যক্তিকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আর অনেক লোক নিহত হয়েছিল এই আন্দোলনের ফলে। দেশের রাজনীতির যে কালচার ছিল এখনো আছে যেটা সরকার করছেন। তারা হত্যা করেছে তুলে নিয়ে গিয়ে মারছেন, নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে, গুম হয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই জিনিসগুলো তার বক্তব্যের মধ্যে আসেনি, বক্তব্যের মধ্যে আশা রাখতে বলেছেন ভরসা রাখতে বলেছেন। সেই ভরসা মানুষ কোথা থেকে রাখবে। অর্থনীতি চরমভাবে নিচে নেমে গেছেন, অর্থনীতির বর্ণনা তিনি দিয়েছেন তা হচ্ছে পুরো উল্টো। ব্যাংকগুলো ভেঙে পড়েছে মানুষ আস্থা রাখবে কোথায়?