সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার ​নলছিটির সাবেক পিআইও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর ৫ মাসের কারাদণ্ড ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কাঁঠালিয়ায় ৬৩ কেজি পলিথিন জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোড়াঘাটের সীমানার ৫০০ মিটার ভিতরে পলাশবাড়ী সীমানা পলক স্থাপনের চেষ্টা এলাকায় ক্ষোভ উপজেলা প্রশাসনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পরিবেশ ও শব্দ দূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট: ১২ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনা ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে পালানোর সময় এক যুবক আটক বোর্ড চ্যালেঞ্জে পাস চার ছাত্রী: তেঁতুলিয়ার বোয়ালমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

৭ সাত শহীদের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা প্রতিনিধি::মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্মম নিহত ৭ সাত শহীদের বধ্যভূমি সংরক্ষণের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মুস্তাইন বিল্লাহ।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের শিংড়াবুনিয়া গ্রামের সাত শহীদের বধ্যভূমি শ্রদ্ধাঞ্জলী শেষে তিনি এ দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক মো. মুস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ১৯৭১ সনের মুক্তিযুদ্ধের স পক্ষের মানুষদের প্রাণহানি হওয়ায় তাদের স্মৃতি চিহ্ন অরক্ষিত ছিল। আমি ইতোপুর্বে অনেক জায়গায় খোজ খবর নিয়েছি। পাথরঘাটা সপ্তার্ষি সংরক্ষণের জন্য আমি দায়িত্ব নিলাম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমি সংরক্ষণের জন্য যা যা করা দরকার তা করা হবে। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ লোকজনকে নির্বিচারে যেসব স্থানে হত্যা করেছিল, সেসব বধ্যভূমিগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণে বধ্যপরিকর তিনি।

১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর এই দিনে বরগুনার পাথরঘাটার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের শিংড়াবুনিয়া শহীদ পরিবারের উপরে বর্বরোচিত পাক হানাদারের অত্যাচার ও গণহত্যার শিকার হয়। হত্যা শেষে একই জায়গায় সাত জনকে মাটি চাপা দেয়া হয়েছিল। সেদিন পাক হানাদার রাজাকার ও শান্তিকমিটির সহায়তায় গানবোট যোগে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের খুজতে এসে না পেয়ে ব্যাপারী বাড়ি, হাজরা বাড়ি, গাওয়ালী বাড়ি, বালা বাড়ি ও হাওলাদার বাড়ী, চারদিকে থেকে ঘেরাও করে সাতজন নিরীহ মানুষের চোখ বেধে পার্শ্ববর্তী হরের খালে নিয়ে এসে ব্রাস করে হত্যা করে এবং এদের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তারা হলেন,চন্দ্র কান্ত হাজরা, অশ্বিনী কুমার বালা, লক্ষ্মিকান্ত গয়ালী, নিত্যানন্দ বেপারী, মনোরঞ্জন বেপারী, খিরিশ চন্দ্র বেপারী ও অনন্তু কুমার হালদার। সর্বশেষ পুড়িয়ে দেয় ঘরবাড়ি।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর স্মরনে ফারিলারা ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নির্মান করা হয়েছিল স্মৃতিসৌধ। কিন্তু তা দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত থাকায় বরগুনা জেলা প্রশাসক মুস্তাইন বিল্লাহ পুনরায় সংরক্ষণের জন্য দায়িত্ব নিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৭ সাত শহীদের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসক। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

বরগুনা প্রতিনিধি::মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্মম নিহত ৭ সাত শহীদের বধ্যভূমি সংরক্ষণের দায়িত্ব নিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. মুস্তাইন বিল্লাহ।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের শিংড়াবুনিয়া গ্রামের সাত শহীদের বধ্যভূমি শ্রদ্ধাঞ্জলী শেষে তিনি এ দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক মো. মুস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ১৯৭১ সনের মুক্তিযুদ্ধের স পক্ষের মানুষদের প্রাণহানি হওয়ায় তাদের স্মৃতি চিহ্ন অরক্ষিত ছিল। আমি ইতোপুর্বে অনেক জায়গায় খোজ খবর নিয়েছি। পাথরঘাটা সপ্তার্ষি সংরক্ষণের জন্য আমি দায়িত্ব নিলাম। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমি সংরক্ষণের জন্য যা যা করা দরকার তা করা হবে। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ লোকজনকে নির্বিচারে যেসব স্থানে হত্যা করেছিল, সেসব বধ্যভূমিগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণে বধ্যপরিকর তিনি।

১৯৭১ সালের ১০ই অক্টোবর এই দিনে বরগুনার পাথরঘাটার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের শিংড়াবুনিয়া শহীদ পরিবারের উপরে বর্বরোচিত পাক হানাদারের অত্যাচার ও গণহত্যার শিকার হয়। হত্যা শেষে একই জায়গায় সাত জনকে মাটি চাপা দেয়া হয়েছিল। সেদিন পাক হানাদার রাজাকার ও শান্তিকমিটির সহায়তায় গানবোট যোগে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের খুজতে এসে না পেয়ে ব্যাপারী বাড়ি, হাজরা বাড়ি, গাওয়ালী বাড়ি, বালা বাড়ি ও হাওলাদার বাড়ী, চারদিকে থেকে ঘেরাও করে সাতজন নিরীহ মানুষের চোখ বেধে পার্শ্ববর্তী হরের খালে নিয়ে এসে ব্রাস করে হত্যা করে এবং এদের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তারা হলেন,চন্দ্র কান্ত হাজরা, অশ্বিনী কুমার বালা, লক্ষ্মিকান্ত গয়ালী, নিত্যানন্দ বেপারী, মনোরঞ্জন বেপারী, খিরিশ চন্দ্র বেপারী ও অনন্তু কুমার হালদার। সর্বশেষ পুড়িয়ে দেয় ঘরবাড়ি।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর স্মরনে ফারিলারা ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নির্মান করা হয়েছিল স্মৃতিসৌধ। কিন্তু তা দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত থাকায় বরগুনা জেলা প্রশাসক মুস্তাইন বিল্লাহ পুনরায় সংরক্ষণের জন্য দায়িত্ব নিলেন।