সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ৪০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে নিয়ে কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলা বিক্ষোভে মমতার প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে তিনি এ অশ্লীল মন্তব্য করেন। তবে মমতাকে নিয়ে করা সুভাষের এ মন্তব্য চলমান আন্দোলনে আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতোই মনে করছেন অনেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার বীরভূমের কোটাসুর গ্রামে বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। বিজেপির দুই সাংসদ সুভাষ সরকার ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে যান।

সেখানেই মমতাকে আক্রমণ করতে গিয়ে সুভাষ সরকার বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জি যে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন সিএএ আইনের বিরোধিতা করার জন্য, সেই ডাকে কারা সাড়া দিয়েছেন? তাদের পোশাক কী ছিল? পোশাক দেখেই বুঝতে পারা যাচ্ছে এই আন্দোলনে কারা তার সঙ্গী। কোনো সাধারণ মানুষ নেই।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, ‘এই মমতা ব্যানার্জির দাড়িভিটে ছাত্ররা যখন বাংলার মাস্টারমশাই চাইল, তাদের বুকে গুলি মেরে দিল। আর যখন জিহাদিরা, অনুপ্রবেশকারীরা ট্রেন ভাঙছে, পুলিশ মারছে, আরপিএফ মারছে তখন পুলিশের রিভলবারে-বন্দুকে তিনি কী লাগিয়ে রেখেছেন? পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন?’

তবে সুভাষের এ বক্তব্যের পর থেকে তার সমালোচনা করছেন অনেকেই। সবার প্রশ্ন, উনি একজন সাংসদ হয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে পারেন! সাধারণ মানুষের কাছে এতে কী বার্তা যায়?

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে নিয়ে কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলা বিক্ষোভে মমতার প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে তিনি এ অশ্লীল মন্তব্য করেন। তবে মমতাকে নিয়ে করা সুভাষের এ মন্তব্য চলমান আন্দোলনে আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতোই মনে করছেন অনেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার বীরভূমের কোটাসুর গ্রামে বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। বিজেপির দুই সাংসদ সুভাষ সরকার ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে যান।

সেখানেই মমতাকে আক্রমণ করতে গিয়ে সুভাষ সরকার বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জি যে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন সিএএ আইনের বিরোধিতা করার জন্য, সেই ডাকে কারা সাড়া দিয়েছেন? তাদের পোশাক কী ছিল? পোশাক দেখেই বুঝতে পারা যাচ্ছে এই আন্দোলনে কারা তার সঙ্গী। কোনো সাধারণ মানুষ নেই।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, ‘এই মমতা ব্যানার্জির দাড়িভিটে ছাত্ররা যখন বাংলার মাস্টারমশাই চাইল, তাদের বুকে গুলি মেরে দিল। আর যখন জিহাদিরা, অনুপ্রবেশকারীরা ট্রেন ভাঙছে, পুলিশ মারছে, আরপিএফ মারছে তখন পুলিশের রিভলবারে-বন্দুকে তিনি কী লাগিয়ে রেখেছেন? পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন?’

তবে সুভাষের এ বক্তব্যের পর থেকে তার সমালোচনা করছেন অনেকেই। সবার প্রশ্ন, উনি একজন সাংসদ হয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে পারেন! সাধারণ মানুষের কাছে এতে কী বার্তা যায়?

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।