সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

ঝালকাঠিতে বুদ্ধিজীবী দিবসে ইউএনও’র কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি:
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আদেশ অমান্য করে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মোমবাতি প্রজ্বলন বন্ধ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা না জানিয়ে সন্ধায় সরকারি ভবন ও বাসভবনে আলোকসজ্জা করায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সহ রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরপরই তারা নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা দেখতে পান।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোকসজ্জা দেখে তারা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান।

এ বিষয় জেলা প্রশাসক জোহর আলীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আলোকসজ্জার বিষয়টি আমি জানতে পেরে তাৎক্ষনিক নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেই। নির্দেশ দেয়ার সাথে সাথে আলোকসজ্জা বন্ধ হয়। তবে এটাতো হওয়ার কথা নয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোকসজ্জা না করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও ভুলক্রমে হয়ে থাকলে বিষয়টি জানার পর আলোকসজ্জা বন্ধ করা হয়।

নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার বলেন, আলোকসজ্জার দায়িত্ব থাকা লোকজন ভুলক্রমে এটি করেছিল। আমি জানার পর তা বন্ধ করে দিয়েছি। তবে বুদ্ধীজীবী দিবসের মত র্স্পশকাতর বিষয়ে কোন ভুল করার সুযোগ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি তার কোন সঠিক জবাব দিতে পারেননি।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলার একাধিক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। সরকার তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ দিনে কোনো আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপরও ইউএনও’র কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে বুদ্ধিজীবী দিবসে ইউএনও’র কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৫:২৮:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

মোঃ মনির হোসেন ঝালকাঠি:
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আদেশ অমান্য করে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মোমবাতি প্রজ্বলন বন্ধ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা না জানিয়ে সন্ধায় সরকারি ভবন ও বাসভবনে আলোকসজ্জা করায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সহ রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরপরই তারা নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা দেখতে পান।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোকসজ্জা দেখে তারা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান।

এ বিষয় জেলা প্রশাসক জোহর আলীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আলোকসজ্জার বিষয়টি আমি জানতে পেরে তাৎক্ষনিক নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেই। নির্দেশ দেয়ার সাথে সাথে আলোকসজ্জা বন্ধ হয়। তবে এটাতো হওয়ার কথা নয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আলোকসজ্জা না করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও ভুলক্রমে হয়ে থাকলে বিষয়টি জানার পর আলোকসজ্জা বন্ধ করা হয়।

নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদার বলেন, আলোকসজ্জার দায়িত্ব থাকা লোকজন ভুলক্রমে এটি করেছিল। আমি জানার পর তা বন্ধ করে দিয়েছি। তবে বুদ্ধীজীবী দিবসের মত র্স্পশকাতর বিষয়ে কোন ভুল করার সুযোগ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি তার কোন সঠিক জবাব দিতে পারেননি।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে উপজেলার একাধিক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। সরকার তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ দিনে কোনো আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপরও ইউএনও’র কার্যালয় ও বাসভবনে আলোকসজ্জা এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।