সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠি জেলা পরিষদের জমি ইজারা নিয়ে গণশুনানি, অবৈধ দখল উচ্ছেদের ঘোষণা বিষখালী নদীতে মৎস্য অভিযান, আটক ৫ ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জনের কারাদণ্ড অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন

ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষককে মারধর। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৯৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরগুনা প্রতিনিধি :::ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় বরগুনার তালতলীর কচুপাত্রা নিজামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক ও কচুপাত্রা ব্রিজ বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাসুম বিল্লাহকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার ও তার ছেলে মাসুম হাওলাদার মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত ইমাম মাসুম বিল্লাহকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় তালতলী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, মো. মাসুম বিল্লাহ ২০১২ সালে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। ওই সময় থেকে তিনি মাদ্রাসায় ক্লাস করে আসছেন। সম্প্রতি ওই মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেন।

মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসেন প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার। ১৫ দিন ধরে প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার শিক্ষক মাসুম বিল্লাহর কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে আসছেন।

টাকা না দিলে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি দিতে চাপ দেন প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন ও তার লোকজন এমন অভিযোগ শিক্ষক মাসুম বিল্লাহর। কিন্তু টাকা দিতে ও শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতিতে রাজি হননি শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ।

ঘুষের টাকা ও অব্যাহতিপত্র না দেয়ায় প্রতিষ্ঠাতা ও তার ছেলে মাসুম হাওলাদার মঙ্গলবার শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে মারধর করেন।

প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার বলেন, ‘আমার বাবাকে লাঞ্ছিত করেছে বিধায় আমি হাত ধরে টান দিয়েছি কিন্তু কোনো মারধর করিনি।’

তালতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষককে মারধর। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বরগুনা প্রতিনিধি :::ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় বরগুনার তালতলীর কচুপাত্রা নিজামিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক ও কচুপাত্রা ব্রিজ বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাসুম বিল্লাহকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার ও তার ছেলে মাসুম হাওলাদার মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত ইমাম মাসুম বিল্লাহকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় তালতলী থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, মো. মাসুম বিল্লাহ ২০১২ সালে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। ওই সময় থেকে তিনি মাদ্রাসায় ক্লাস করে আসছেন। সম্প্রতি ওই মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেন।

মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসেন প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার। ১৫ দিন ধরে প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদার শিক্ষক মাসুম বিল্লাহর কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে আসছেন।

টাকা না দিলে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি দিতে চাপ দেন প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন ও তার লোকজন এমন অভিযোগ শিক্ষক মাসুম বিল্লাহর। কিন্তু টাকা দিতে ও শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতিতে রাজি হননি শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ।

ঘুষের টাকা ও অব্যাহতিপত্র না দেয়ায় প্রতিষ্ঠাতা ও তার ছেলে মাসুম হাওলাদার মঙ্গলবার শিক্ষক মাসুম বিল্লাহকে মারধর করেন।

প্রতিষ্ঠাতা নাজিম উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মাসুম হাওলাদার বলেন, ‘আমার বাবাকে লাঞ্ছিত করেছে বিধায় আমি হাত ধরে টান দিয়েছি কিন্তু কোনো মারধর করিনি।’

তালতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’