সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

অবশেষে নিজের ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দিয়েছেন এই কিংবদন্তি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছেন বাংলা চলচচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর। ক্যান্সারের হাত থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে নিজের ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দিয়েছেন এই কিংবদন্তি। এমনটাই জানান এই গায়কের এক ঘনিষ্ঠ জন।

রাজশাহীর ছেলে এন্ড্রু কিশোর নিজের শহরে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। মাঝে মধ্যে ঢাকা শহরের কোলাহল ছেড়ে সেই বাড়িতে গিয়ে থাকতেন। কিন্তু চিকিৎসার খরচ অনেক বেশি হওয়ায় নিজের ফ্ল্যাটটি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন তিনি।

এন্ড্রু কিশোর বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ পর্যন্ত তার তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে এবং গত ২৬ নভেম্বর থেকে কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল শুরু হয়েছে। আরও তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি দিতে হবে বলে জানান চিকিৎসকরা। এখন চলছে সেই কেমোথেরাপি। প্রত্যেকটি কেমোর জন্য লাগছে ৯ লাখ টাকা।

সিঙ্গাপুর হাসপাতাল থেকে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার বাজেট দেওয়া হয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এ চিকিৎসা আরও প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস চলবে। এরই মধ্যে শিল্পীর পরিবার খরচ করেছে এক কোটি টাকারও বেশি। প্রয়োজন আরও অনেক টাকা।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই গায়ক তার চিকিৎসার জন্য কারো কাছে হাত পাততে চাননি। নিজের জমানো টাকা দিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু অবশেষে আর কুলিয়ে উঠতে পারেননি তিনি। কারো কাছে সহযোগিতা না চেয়ে নিজের ছোট্ট ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দেন। ঢাকার তুলনায় রাজশাহী শহরে ফ্ল্যাটের দাম কম। ৩০ লাখ টাকার মতো দাম পেয়েছেন এই ফ্ল্যাটের। এখন সম্বল বলতে আছে তার মিরপুরের ফ্ল্যাটটি।

এরইমধ্যে এই শিল্পীর পাশে দাঁড়িছেন অনেকেই। কিংবদন্তি এই শিল্পীর ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য অবশেষে সংগ্রহ হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন ফরিদুর রেজা সাগর, সৈয়দ আব্দুল হাদী, হানিফ সংকেত, সাবিনা ইয়াসমীন, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, জেমস, অনন্ত জলিল, মমতাজ বেগম, মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাদল রায়, দিলারা আলো, কবির বকুল, দিনাত জাহান মুন্নি, চন্দন সিনহা, পলাশ সাজ্জাদ, দিঠি আনোয়ার, জলের গান প্রমুখ।

এছাড়াও শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন, সাউন্ডটেক, অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া, ক্রিশ্চিয়ান হাউজিং সোসাইটিসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই শিল্পীর চিকিৎসা সহায়তার জন্য ১০ লাখ টাকা দেন।

চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সবগুলো কেমো দেওয়া হলে সুস্থ হয়ে উঠবেন এই শিল্পী। এখন শুধু বাকি টাকা সংগ্রহের অপেক্ষা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবশেষে নিজের ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দিয়েছেন এই কিংবদন্তি।

আপডেট সময় : ১১:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছেন বাংলা চলচচ্চিত্রের প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর। ক্যান্সারের হাত থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে নিজের ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দিয়েছেন এই কিংবদন্তি। এমনটাই জানান এই গায়কের এক ঘনিষ্ঠ জন।

রাজশাহীর ছেলে এন্ড্রু কিশোর নিজের শহরে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। মাঝে মধ্যে ঢাকা শহরের কোলাহল ছেড়ে সেই বাড়িতে গিয়ে থাকতেন। কিন্তু চিকিৎসার খরচ অনেক বেশি হওয়ায় নিজের ফ্ল্যাটটি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন তিনি।

এন্ড্রু কিশোর বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ পর্যন্ত তার তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে এবং গত ২৬ নভেম্বর থেকে কেমোথেরাপির পরবর্তী সাইকেল শুরু হয়েছে। আরও তিনটি সাইকেলে ১২টি কেমোথেরাপি দিতে হবে বলে জানান চিকিৎসকরা। এখন চলছে সেই কেমোথেরাপি। প্রত্যেকটি কেমোর জন্য লাগছে ৯ লাখ টাকা।

সিঙ্গাপুর হাসপাতাল থেকে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার বাজেট দেওয়া হয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এ চিকিৎসা আরও প্রায় আড়াই থেকে তিন মাস চলবে। এরই মধ্যে শিল্পীর পরিবার খরচ করেছে এক কোটি টাকারও বেশি। প্রয়োজন আরও অনেক টাকা।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই গায়ক তার চিকিৎসার জন্য কারো কাছে হাত পাততে চাননি। নিজের জমানো টাকা দিয়ে চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু অবশেষে আর কুলিয়ে উঠতে পারেননি তিনি। কারো কাছে সহযোগিতা না চেয়ে নিজের ছোট্ট ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করে দেন। ঢাকার তুলনায় রাজশাহী শহরে ফ্ল্যাটের দাম কম। ৩০ লাখ টাকার মতো দাম পেয়েছেন এই ফ্ল্যাটের। এখন সম্বল বলতে আছে তার মিরপুরের ফ্ল্যাটটি।

এরইমধ্যে এই শিল্পীর পাশে দাঁড়িছেন অনেকেই। কিংবদন্তি এই শিল্পীর ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য অবশেষে সংগ্রহ হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন ফরিদুর রেজা সাগর, সৈয়দ আব্দুল হাদী, হানিফ সংকেত, সাবিনা ইয়াসমীন, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, জেমস, অনন্ত জলিল, মমতাজ বেগম, মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাদল রায়, দিলারা আলো, কবির বকুল, দিনাত জাহান মুন্নি, চন্দন সিনহা, পলাশ সাজ্জাদ, দিঠি আনোয়ার, জলের গান প্রমুখ।

এছাড়াও শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন, সাউন্ডটেক, অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া, ক্রিশ্চিয়ান হাউজিং সোসাইটিসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই শিল্পীর চিকিৎসা সহায়তার জন্য ১০ লাখ টাকা দেন।

চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সবগুলো কেমো দেওয়া হলে সুস্থ হয়ে উঠবেন এই শিল্পী। এখন শুধু বাকি টাকা সংগ্রহের অপেক্ষা।