সংবাদ শিরোনাম ::
নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত কাঠালিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাকসহ আয়রন ব্রিজ ধস: আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগ আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সুইজগেট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেনি – জয়নুল আবেদীন এমপি বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার

নিয়ন্ত্রণ নেই চালের বাজারে এবার ফেলেছে চালের দাম। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ৩৫২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:
নিয়ন্ত্রণ নেই চালের বাজারে, প্রতিনিয়তই বাড়ছে দাম। একে অন্যকে দোষারোপ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তদারকি না থাকায় বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে গ্রাহককে।

আর এ জন্যে কিছুটা কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মিল গেট থেকে বস্তাপ্রতি বাড়ানো হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যার প্রভাব পড়ছে পাইকারি পর্যায়ে। আর খুচরা পর্যায়ে এসে কেজিতে দাম বেড়ে যাচ্ছে ২ টাকা পর্যন্ত। এই অশুভ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গত এক সপ্তাহে মোটা ও চিকন সব ধরণের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চিকন চালের দাম।

বাজারে এখন প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৬০ টাকায়। নাজির শাইল ৫৫ থেকে ৭০, পাইজাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। আর মোটা চালের দাম কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে। খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির জন্য পাইকারি এবং মিল মালিকদের কারসাজিকে দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা।

মিল মালিকদের দাবি, এখন চিকন চালের ধানের তীব্র সংকট। তাই দাম বাড়ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি’র তথ্যানুযায়ী, চিকন, মাঝারি এবং মোটা চালের দাম কেজিতে ৬ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। মিল গেট থেকে প্রতিনিয়ত দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করেছ ২৬ টাকা। আর চাল ৩৬ টাকা। যে কারণে মোটা চালের দাম বাড়ছে বলে জানান মিল মালিকরা। তাদের অজুহাত, মৌসুম না থাকায় মিনিকেট জাতীয় ধানের সংকট চরমে।

আর সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন আমন ধান। এর আগে, মিলগেটে দাম তদারকি করা হলে, এর সুফল পাবেন ভোক্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিয়ন্ত্রণ নেই চালের বাজারে এবার ফেলেছে চালের দাম। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:
নিয়ন্ত্রণ নেই চালের বাজারে, প্রতিনিয়তই বাড়ছে দাম। একে অন্যকে দোষারোপ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তদারকি না থাকায় বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে গ্রাহককে।

আর এ জন্যে কিছুটা কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মিল গেট থেকে বস্তাপ্রতি বাড়ানো হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যার প্রভাব পড়ছে পাইকারি পর্যায়ে। আর খুচরা পর্যায়ে এসে কেজিতে দাম বেড়ে যাচ্ছে ২ টাকা পর্যন্ত। এই অশুভ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গত এক সপ্তাহে মোটা ও চিকন সব ধরণের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চিকন চালের দাম।

বাজারে এখন প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৬০ টাকায়। নাজির শাইল ৫৫ থেকে ৭০, পাইজাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। আর মোটা চালের দাম কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে। খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির জন্য পাইকারি এবং মিল মালিকদের কারসাজিকে দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা।

মিল মালিকদের দাবি, এখন চিকন চালের ধানের তীব্র সংকট। তাই দাম বাড়ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি’র তথ্যানুযায়ী, চিকন, মাঝারি এবং মোটা চালের দাম কেজিতে ৬ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। মিল গেট থেকে প্রতিনিয়ত দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করেছ ২৬ টাকা। আর চাল ৩৬ টাকা। যে কারণে মোটা চালের দাম বাড়ছে বলে জানান মিল মালিকরা। তাদের অজুহাত, মৌসুম না থাকায় মিনিকেট জাতীয় ধানের সংকট চরমে।

আর সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন আমন ধান। এর আগে, মিলগেটে দাম তদারকি করা হলে, এর সুফল পাবেন ভোক্তারা।