সংবাদ শিরোনাম ::
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‘অর্ণব’, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি গাছ কাটার মামলার ১ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার ভাণ্ডারিয়ায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ মঞ্চ থেকে ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও লিফলেট প্রদান বরিশালে থানার সংখ্যা দ্বিগুণের পরিকল্পনা, হবে আরও ৪ থানা বরিশালে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকারের সমালোচনা, সেই নারী উদ্যোক্তা কারাগারে ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় সন্দেহজনক দোষারোপ করে প্রতিবেশী দম্পতিকে মারধর ঝালকাঠিতে ফুটপাত দখল ও অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবিতে মানববন্ধন কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ

জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)-পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত এই পরীক্ষার্থী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেক্স
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)-এর এক পরীক্ষার্থীকে (১৪) অপহরণের পর আটকে রেখে ২৫-২৬ দিন ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের দাইরগাঁও মাদরাসার সামনে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।ওই ছাত্রী উপজেলার পাগলা থানার উস্থি ইউনিয়নের দাইরগাঁও দাখিল মাদরাসার জেডিসি পরীক্ষার্থী। আজ এই পরীক্ষা শুরু হলেও শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় সে পরীক্ষা দিতে পারছে না। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দাইরগাঁও গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে বিপ্লব মেকার (৩৫), পাশের কলুরগাঁও গ্রামের হেলাল উদ্দিন শেখের ছেলে শারফুল (২৬) এবং মুর্শিদ খানের ছেলে ওয়াসির খান (২৮) ওই ছাত্রীকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। তাকে না পেয়ে পরিবার তখন পাগলা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে। গতকাল ভোরে তাকে দাইরগাঁও মাদরাসার সামনের রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। মসজিদে নামাজ পড়তে আসা লোকজন তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওই ছাত্রীর দরিদ্র বাবা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিন শয়তান আমার মায়ার জীবনডা ধ্বংস কইরা দিছে। আল্লা গো, আমি কই বিচার পাইবাম? আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’

উস্থি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তোতা বলেন, ‘এটা একটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। এর কঠোর বিচার হওয়া দরকার।’

পাগলা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, ‘এ ঘটনায় দ্রুত মামলা নেওয়া হয়েছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)-পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত এই পরীক্ষার্থী।

আপডেট সময় : ০৮:০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেক্স
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)-এর এক পরীক্ষার্থীকে (১৪) অপহরণের পর আটকে রেখে ২৫-২৬ দিন ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের দাইরগাঁও মাদরাসার সামনে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।ওই ছাত্রী উপজেলার পাগলা থানার উস্থি ইউনিয়নের দাইরগাঁও দাখিল মাদরাসার জেডিসি পরীক্ষার্থী। আজ এই পরীক্ষা শুরু হলেও শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় সে পরীক্ষা দিতে পারছে না। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দাইরগাঁও গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে বিপ্লব মেকার (৩৫), পাশের কলুরগাঁও গ্রামের হেলাল উদ্দিন শেখের ছেলে শারফুল (২৬) এবং মুর্শিদ খানের ছেলে ওয়াসির খান (২৮) ওই ছাত্রীকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। তাকে না পেয়ে পরিবার তখন পাগলা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে। গতকাল ভোরে তাকে দাইরগাঁও মাদরাসার সামনের রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। মসজিদে নামাজ পড়তে আসা লোকজন তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে তাকে বাড়ি নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওই ছাত্রীর দরিদ্র বাবা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিন শয়তান আমার মায়ার জীবনডা ধ্বংস কইরা দিছে। আল্লা গো, আমি কই বিচার পাইবাম? আমি উপযুক্ত বিচার চাই।’

উস্থি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তোতা বলেন, ‘এটা একটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। এর কঠোর বিচার হওয়া দরকার।’

পাগলা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, ‘এ ঘটনায় দ্রুত মামলা নেওয়া হয়েছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।’