সংবাদ শিরোনাম ::
ডাসার উপজেলা বিএনপি নেতা সালাম খান সরকারি গাছ কাটতে গিয়ে অবরুদ্ধ ঝালকাঠিতে শতবর্ষী গাছ কাটার ৬ মাসেও নেই আইনি ব্যবস্থা, এলাকাবাসীর ক্ষোভ বিদ্যালয় রক্ষা না করলে আমরা আর পড়ালেখা করতে পারব না আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নৌযান শ্রমিকদের উপরে হামলা। আহত ১২ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একই ইউনিয়ন এ দেশের বৃহত্তম দুইটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত তবুও লোডশেডিংয়ে নাকাল উপজেলাবাসি….. চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড বাবুগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ১৬০ নং সৈয়দ হালিমা মোয়াজ্জেম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও পানি সংকটের আশ্বাস ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময়

বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ৭১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেক্স মাত্র এগারো দিন আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তরুণীর (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ থাকার পর গত শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসে। আর শনিবার বিকেলেই ভাঙে তার ঘর। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুর বাড়ি এসে নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করেন। দুদিন আগের শাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর ঘরণী।

জানা যায়, টাঙ্গাইল ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরদিন শাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার পর গত শুক্রবার বর-কনেসহ নিজ বাড়ি ফেরেন।

শনিবার সকালে কোনো এক কারণে নতুন বর-কনের ঝগড়া শুরু হয়। এতে বরের সংসার করবে না বলে জানায় কনে। শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এ সময় শাশুড়ি মাজেদা বেগম নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় অসহায় শ্বশুর মাজেদা বেগমের স্বামী গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্যরা বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুরো পরিবারের সম্মতিতে মাজেদা বেগমে স্বামী তাকে তালাক দেয়। পরে বর মোনছের আলী নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দেন। এরপর একই অনুষ্ঠানের সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। এই কাজ গুলো সম্পন্ন করেন হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী জিনাত।

কাজী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বর এবং ওই পরিবারের সকল সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

সংসার না করার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘মা এমনটা করবে, ভাবিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের সময় বাবা বেশ কিছু যৌতুক দিয়েছিলেন। সেগুলো আমাকে ফেরত দেয়া হোক। নয়তো আমি আইনের আশ্রয় নেবো।’

ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে। তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শাস্তি দেয়া হয়।’

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

অনলাইন ডেক্স মাত্র এগারো দিন আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তরুণীর (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ থাকার পর গত শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসে। আর শনিবার বিকেলেই ভাঙে তার ঘর। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুর বাড়ি এসে নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করেন। দুদিন আগের শাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর ঘরণী।

জানা যায়, টাঙ্গাইল ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরদিন শাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার পর গত শুক্রবার বর-কনেসহ নিজ বাড়ি ফেরেন।

শনিবার সকালে কোনো এক কারণে নতুন বর-কনের ঝগড়া শুরু হয়। এতে বরের সংসার করবে না বলে জানায় কনে। শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এ সময় শাশুড়ি মাজেদা বেগম নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় অসহায় শ্বশুর মাজেদা বেগমের স্বামী গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্যরা বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুরো পরিবারের সম্মতিতে মাজেদা বেগমে স্বামী তাকে তালাক দেয়। পরে বর মোনছের আলী নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দেন। এরপর একই অনুষ্ঠানের সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। এই কাজ গুলো সম্পন্ন করেন হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী জিনাত।

কাজী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বর এবং ওই পরিবারের সকল সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

সংসার না করার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘মা এমনটা করবে, ভাবিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের সময় বাবা বেশ কিছু যৌতুক দিয়েছিলেন। সেগুলো আমাকে ফেরত দেয়া হোক। নয়তো আমি আইনের আশ্রয় নেবো।’

ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে। তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শাস্তি দেয়া হয়।’

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার।