সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২ দর্শনা ডিলাক্স’ ঢাকা-মাওয়া বাস খাদে,নিহত ৩, আহত ১৬ জন ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিরোধ,তরুণীর ওপর মারধরের অভিযোগ; ঘটনায় মামলা ইজিবাইক চালক নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল উজিরপুরে যুবদল কর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা মাদক সেবন রোধে নজরদারি বাড়ানো ও জনসচেতনতার দাবী

আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
বুধবার (২৬ আগস্ট) মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আগৈলঝাড়া উপজেলার উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা বেগম (৪৯)।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলার বড় বাশাইল গ্ৰামের বাসিন্দা বেলায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ হাওলাদার (৩৫) ও উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের ফয়জুদ্দিন খানের ছেলে বাবুল খান (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুক্তা বেগমের স্বামী বিগত প্রায় তিন বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বাড়িতে তাঁর আট বছরের নাবালিকা কন্যাকে নিয়ে তিনি বসবাস করে আসছিলেন।
আসামিগণ পূর্ব থেকেই বিভিন্ন সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা বাদীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অপপ্রচারসহ নানা ক্ষতির চেষ্টা করে।
পরে গত ৯ আগস্ট বিকেলে বাদী ও তাঁর নাবালিকা কন্যা দুপুরের খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় আসামিরা ঘরের দরজায় কড়া নাড়লে বাদী ঘুম থেকে উঠে পরিচয় জানতে চান। মামলার প্রধান আসামি আকাশ নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলে। এসময় দরজা খুলে দিলে ১ ও ২ নং আসামি জোরপূর্বক ভেতরে ঢুকে পড়ে।
পরবর্তীতে আসামি আকাশ গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে বারান্দার খাটে শুইয়ে শ্লীলতাহানি করে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় অপর আসামিসহ অন্য অজ্ঞাতনামা সঙ্গীরা দরজায় পাহারা দেয়। বাদীর ডাক-চিৎকারে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করতে গেলেও থানা কর্তৃপক্ষ তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার প্রধান আসামি আকাশের সাথে থানার কর্তা বাবুদের সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
পরবর্তীতে স্বজনদের পরামর্শে ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন।
আদালত নালিশী আবেদন পর্যালোচনার পর অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

আগৈলঝাড়ায় ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

আপডেট সময় : ১২:২৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।
বুধবার (২৬ আগস্ট) মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আগৈলঝাড়া উপজেলার উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা বেগম (৪৯)।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলার বড় বাশাইল গ্ৰামের বাসিন্দা বেলায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ হাওলাদার (৩৫) ও উত্তর চাদত্রিশিরা গ্রামের ফয়জুদ্দিন খানের ছেলে বাবুল খান (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুক্তা বেগমের স্বামী বিগত প্রায় তিন বছর ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বাড়িতে তাঁর আট বছরের নাবালিকা কন্যাকে নিয়ে তিনি বসবাস করে আসছিলেন।
আসামিগণ পূর্ব থেকেই বিভিন্ন সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা বাদীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অপপ্রচারসহ নানা ক্ষতির চেষ্টা করে।
পরে গত ৯ আগস্ট বিকেলে বাদী ও তাঁর নাবালিকা কন্যা দুপুরের খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় আসামিরা ঘরের দরজায় কড়া নাড়লে বাদী ঘুম থেকে উঠে পরিচয় জানতে চান। মামলার প্রধান আসামি আকাশ নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলে। এসময় দরজা খুলে দিলে ১ ও ২ নং আসামি জোরপূর্বক ভেতরে ঢুকে পড়ে।
পরবর্তীতে আসামি আকাশ গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে বারান্দার খাটে শুইয়ে শ্লীলতাহানি করে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় অপর আসামিসহ অন্য অজ্ঞাতনামা সঙ্গীরা দরজায় পাহারা দেয়। বাদীর ডাক-চিৎকারে পার্শ্ববর্তী স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করতে গেলেও থানা কর্তৃপক্ষ তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, মামলার প্রধান আসামি আকাশের সাথে থানার কর্তা বাবুদের সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
পরবর্তীতে স্বজনদের পরামর্শে ভুক্তভোগী মুক্তা বেগম বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন।
আদালত নালিশী আবেদন পর্যালোচনার পর অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুসংকর মল্লিক বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।