১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৪১ অপরাহ্ন, ২০শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, শুক্রবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী সহিংসতা প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫ উদযাপিত বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার বড় পদ বহাল রেখে ছোট পদ স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি বানারীপাড়ায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি নেতার পদ স্থগিত চুয়াডাঙ্গায় জেলা আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা কারাগারে তেঁতুলিয়ায় নবীণ শিক্ষকদের সংবর্ধনা প্রদান ও বার্ষিক বনভোজন তেঁতুলিয়ায় খাতেমুন জব্বার ফাউন্ডেশন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ফায়ারিং মহড়ায় পথচারী গুলিবিদ্ধ দামুড়হুদায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জমির ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধোর ও টাকা ছিনতাই।
বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নিজের বউকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

অনলাইন ডেক্স মাত্র এগারো দিন আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তরুণীর (১৯)। শ্বশুরবাড়িতে এক সপ্তাহ থাকার পর গত শুক্রবার বাবার বাড়ি ফিরে আসে। আর শনিবার বিকেলেই ভাঙে তার ঘর। বর মোনছের আলী (৩২) শ্বশুর বাড়ি এসে নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দিয়ে শাশুড়ি মাজেদা বেগমকে (৪০) বিয়ে করেন। দুদিন আগের শাশুড়ি মাজেদা এখন মোনছের আলীর ঘরণী।

জানা যায়, টাঙ্গাইল ধনবাড়ী উপজেলার হাজরাবাড়ী পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মোনছের আলী গত ২ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার কড়িয়াটা গ্রামের ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরদিন শাশুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের সঙ্গে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার পর গত শুক্রবার বর-কনেসহ নিজ বাড়ি ফেরেন।

শনিবার সকালে কোনো এক কারণে নতুন বর-কনের ঝগড়া শুরু হয়। এতে বরের সংসার করবে না বলে জানায় কনে। শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এ সময় শাশুড়ি মাজেদা বেগম নতুন জামাতার সংসার করবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় অসহায় শ্বশুর মাজেদা বেগমের স্বামী গ্রাম্য সালিশ ডাকেন। হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্যরা বৈঠকে বসেন।

সামাজিক বিচারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লাঞ্ছিত করা হয়। এরপর পুরো পরিবারের সম্মতিতে মাজেদা বেগমে স্বামী তাকে তালাক দেয়। পরে বর মোনছের আলী নববধূ ওই তরুণীকে তালাক দেন। এরপর একই অনুষ্ঠানের সবার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর সঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। এই কাজ গুলো সম্পন্ন করেন হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী জিনাত।

কাজী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বর এবং ওই পরিবারের সকল সদস্যের সম্মতিতে দুটি তালাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অনুষ্ঠানে সম্পাদন করা হয়।

সংসার না করার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী বলেন, ‘মা এমনটা করবে, ভাবিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের সময় বাবা বেশ কিছু যৌতুক দিয়েছিলেন। সেগুলো আমাকে ফেরত দেয়া হোক। নয়তো আমি আইনের আশ্রয় নেবো।’

ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পুরো কাজটি হয়েছে ওই পরিবারের সম্মতিতে। তবে শাশুড়ি বিয়ে করার ঘটনায় আপত্তি থাকায় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শাস্তি দেয়া হয়।’

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019