২৬ Jun ২০২৪, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি, বুধবার, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ডিসি, ইউএনওকে সম্মানি দেওয়ার কথা বলে প্রবেশপত্র আটকে রেখেছেন অধ্যক্ষ পরীমণির সঙ্গে রাত্রীযাপন: বাধ্যতামূলক অবসরে সেই পুলিশ কর্মকর্তা বানারীপাড়ায় শিশু বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সেই বিএনপি নেতা বহিস্কার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঘোড়াঘাটে ২০ ভায়াল এন্টিভিনম মজুদ, চাহিদা ৪০ ভায়াল সিলেটে ফের ভারি বৃষ্টিপাতের আভাস দর্শনার লিখনের চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় পিতাকে দাওয়াতে পাঠিয়ে তালা ভেঙ্গে ৯ লাখ টাকা চুরি,পরে পুত্র গ্রেফতার ডিমলায় পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
বানরীপাড়া মাদকের ব্যাপক রমরমা ব্যবসা চলছে

বানরীপাড়া মাদকের ব্যাপক রমরমা ব্যবসা চলছে

অনলাইন ডেক্স বানারীপাড়ায় মাদকের রমরমা ব্যবসা! দৈনিকই চলছে এমনটা! বিস্মিত অভিভাবক। উল্টো প্যাচের ভয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন সাধারণ মানুষ। অনুসন্ধান করে এমনটিই জানাগেছে। আর এই মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে খোদ বানারীপাড়া পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডে। বানারীপাড়া-চাখার আঞ্চলিক সড়ক হয়ে পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের (পুর্ব দিকে যেতে) শেষ সীমানায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওখানকার অনেক বাসিন্দারা জানান, মো. খাদেম হোসেনের স্ব-মিলে যাওয়ার রাস্তা হয়ে বাড়ির ভিতরের রাস্তা,চেয়ারম্যান বাড়ির ব্রিজ হয়ে মহিষাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা,খালাসী বাড়ি যেতে ব্যবহৃত রাস্তা এবং কিছু ক্ষেত্রে রিক্সার ড্রাইভারদের ব্যবহার করাসহ পথচারী সেজে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বীর দর্পে। বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে মোটরসাইকেল। এই চক্রটিই নাকি উপজেলার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে এমনও তথ্য উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।

মাদক কেনা বেচায় বেশির ভাগ সময়ই বিকাশ নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে এমনটিও উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। কাল-ক্রমে মাদক ব্যবসায়ীদের এবং সেবনকারিদের সাথে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সদস্য। ফলে পরিবারের একজন সদসস্যের কারণে বিপদের দিকে দাবিত হচ্ছে পুরো একটি পরিবার।

আরও জানাগেছে উপজেলার মাদক ব্যবসায় আলোচিত নাম সোহেল তার ব্যবসায় বর্তমানে যুক্ত করেছে স¤্রাট নামের এক যুবককে। জানাগেছে সে আগে বানারীপাড়া-চাখার সড়কে রিক্সা চালাতো। বর্তমানে সে কোন কাজ করছে না। সোহেলের মাদক এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দিয়ে আসাই তার কাজ। তার বাবা মালেক বন্দর বাজার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ঝাঁলমুড়ি বিক্রি করতো বর্তমানে তাকে এ এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

এছাড়াও আরও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে ওই এলাকায়,ওনাদের আবার শেল্টারদাতাও রয়েছে তাদের ভয়ে এলাকাবাসী সহ সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে বা তাদের বারণ করতে সাহস পাচ্ছেনা বলেও অনুসন্ধানে জানাগেছে। ওখানকার কয়েকজন বাসিন্দারা জানান চোখের সামনে দেখছি মাদকের ব্যবসা হচ্ছে এই এলাকায় তবে উল্টো প্যাচের (নিজেরাই ফেঁসে যাবার) ভয়ে তারা কিছু বলতে পারছেন না। এই যখন অবস্থ্যা তখন এলাকার যুব সমাজকে বাঁচাতে ওই এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করার দাবী উঠেছে সচেতন মহল থেকে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019