সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন

বরিশাল -৩ আসনে আ’লীগ ও জাপার প্রার্থীকে আচারণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২১ বরিশাল -৩(বাবুগঞ্জ -মুলাদী) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরদার মোঃ খালেদ হোসেন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ(শোকজ) প্রদান করা করেছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

নোটিশে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে তলব করা হয়েছে।

নোটিশে ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের কে নোটিশ দেন বরিশাল -৩(বাবুগঞ্জ -মুলাদী) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল বরিশালের বিচারক চন্দন কান্তি নাথ। কারণ দর্শানোর নোটিশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরদার মোঃ খালেদ হোসেন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুকে বলা হয়েছে গত ২৯ নভেম্বর(টিপু) ও ৩০ নভেম্বর (খালেদ হোসেন) তারিখে ১১.৩০ মিনিটে ও ১২.৪৫ মিনিটের সময় বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সময় সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাস্তা ঘাট দখল করে র‌্যালি বের করেন। এতে ব্যান্ড পার্টি ও মিউজিক সিস্টেম ছিল এবং একাধিক যানবাহন সহ মিছিল বের করেন। এতে রাস্তাঘাটে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাটি নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির নজরে এসেছে। যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর অধীন বিধি ৮( ক) এবং ৮(খ) এবং ১৮ আইনের লঙ্ঘনের শামিল। এ জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হবে না। তা আগামী ৩ ডিসেম্বর এর মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল -৩ আসনে আ’লীগ ও জাপার প্রার্থীকে আচারণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ

আপডেট সময় : ০১:২৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২১ বরিশাল -৩(বাবুগঞ্জ -মুলাদী) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরদার মোঃ খালেদ হোসেন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ(শোকজ) প্রদান করা করেছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

নোটিশে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে তলব করা হয়েছে।

নোটিশে ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের কে নোটিশ দেন বরিশাল -৩(বাবুগঞ্জ -মুলাদী) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল বরিশালের বিচারক চন্দন কান্তি নাথ। কারণ দর্শানোর নোটিশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সরদার মোঃ খালেদ হোসেন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপুকে বলা হয়েছে গত ২৯ নভেম্বর(টিপু) ও ৩০ নভেম্বর (খালেদ হোসেন) তারিখে ১১.৩০ মিনিটে ও ১২.৪৫ মিনিটের সময় বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সময় সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাস্তা ঘাট দখল করে র‌্যালি বের করেন। এতে ব্যান্ড পার্টি ও মিউজিক সিস্টেম ছিল এবং একাধিক যানবাহন সহ মিছিল বের করেন। এতে রাস্তাঘাটে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ঘটনাটি নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির নজরে এসেছে। যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর অধীন বিধি ৮( ক) এবং ৮(খ) এবং ১৮ আইনের লঙ্ঘনের শামিল। এ জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হবে না। তা আগামী ৩ ডিসেম্বর এর মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করা হলো।