বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক
বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক
- আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী আহত হয়ে ভারতের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এসময় তার ৬ সহকর্মীরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।নিশ্চিত হবার জন্য বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর সীমান্তে সোনা পাচারের চেষ্টাকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন। পরে তাকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। তবে তিনি জীবিত আছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের বিপরীতে ভারতের পুটিখালি এলাকায়
হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৫) স্বর্ণ পাচারের উদ্দেশ্যে মনিরুল ইসলামসহ সাতজন সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছাকাছি এলাকায় যান। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৩২ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন। এতে মনিরুলের ডান পায়ে গুলি লাগে। পাশাপাশি তার পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কামাল উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৩২), তৈয়ব আলীর ছেলে আনিছ (৩৫), বগের ছেলে সোহান (২৫), কিনার উদ্দিনের ছেলে শাওন (২৬), মৃত বদরুদ্দিনের ছেলে মিন্টু (৩৮) এবং মতেহার হোসেনের ছেলে মশিয়ার (৪০) পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে।অন্যদিকে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে কৃষ্ণনগর জেলার শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানা গেছে। banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের গুলি বর্ষণের জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি
সারাদেশ | রিফাত রহমান। চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।
(৭ ঘন্টা আগে) ৭ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২:১৪ পূর্বাহ্ন
banglahour
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিএসএফের গুলি বর্ষণের জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি বর্ষণ করেছে।
অসমর্থিত সূত্রের দাবী করেছে বিএসএফের গুলি বর্ষণে ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এক বাংলাদেশী চোরাকারবারী গুলিবিদ্ধ হয়ে তাদের হাতে আটক হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর বিলের ধারে বড়ঘাট নামক স্থানে। গুলিবিদ্ধ যুবক মনির (৩৫) হরিহরনগর উত্তরপাড়া গ্রামের লিয়াকত ওরফে নেংটের ছেলে। চোরাকারবারী মনির জীবিত নাকি মারা গেছে তা তাৎক্ষনিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অসর্থিত সূত্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের বড়ঘাট এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশী একদল চোরাচালানীদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। এ সময় মনির পায়ে গুলিবিদ্ধ হলে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় মনিরের সঙ্গে থাকা কামাল উদ্দিনের ছেলে রাশেদ (৩২), তৈয়ব আলীর ছেলে আনিছ (৩৫), বগের ছেলে সোহান (২৫), কিনার উদ্দিনের ছেলে শাওন (২৬), মরহুম বদরুদ্দিনের ছেলে মিন্টু (৩৮) ও মতেহার হোসেনের ছেলে মশিয়ার (৪০) পাশের খালে ঝাপ মেরে পালিয়ে চলে আসে।
হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু জানান, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যার পরপরই ভারত সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। পরে তিনি জানতে পারেন, মনিরকে ভারতীয় বিএসএফ আহত অবস্থায় আটক করে নিয়ে গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে ৫৮ মহেশপুর বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনগত রাত ১২টার পর এক হটসএ্যাপ বার্তায় জানান, ব্যাটালিয়নের অধীন মেদিনীপুর বিওপি দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায়স মেইন পিলার ৬/১-এস-এর নিকট শুন্য লাইন থেকে ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের বেড়ার নিকটে গুলির শব্দ শোনা যায়। এ সময় মেদিনীপুর ক্যাম্পের বিজিবি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। তবে হাসপাতাল বা সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ তথ্যের আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
























