সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক পিরোজপুরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক কাঁঠালিয়ায় ৮ পিস ইয়াবাসহ কলেজ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আটক ও স্থায়ী বহিষ্কার ​নলছিটির সাবেক পিআইও বিজন কৃষ্ণ খরাতীর ৫ মাসের কারাদণ্ড ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড কাঁঠালিয়ায় ৬৩ কেজি পলিথিন জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোড়াঘাটের সীমানার ৫০০ মিটার ভিতরে পলাশবাড়ী সীমানা পলক স্থাপনের চেষ্টা এলাকায় ক্ষোভ উপজেলা প্রশাসনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় পরিবেশ ও শব্দ দূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট: ১২ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনা ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে পালানোর সময় এক যুবক আটক বোর্ড চ্যালেঞ্জে পাস চার ছাত্রী: তেঁতুলিয়ার বোয়ালমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

বাবুগঞ্জে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শশুড়ের কবর খুঁড়ে গাঁয়ের ঝাল মেটাল নেশাখোর স্বামী দুলাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শশুড়ের কবর খুঁড়ে গাঁয়ের ঝাল মেটাল নেশাখো স্বামী মোঃ দুলাল হাওলাদার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের দেহেরগতি গ্রামে মৃত্যু সেকান্দার হাওলাদারের বাড়িতে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর পূর্বে মোঃ সেকান্দার হাওলাদারের মেয়ে মোসাঃ রেশমা আক্তার রিপাকে বিয়ে করেন শাহজাহান হাওলাদারের পুত্র মোঃ দুলাল হাওলাদার। আপন চাচাতো বোনকে বিয়ে করেন এবং ওই ঘরে তিনটি পুত্র সন্তান রয়েছে। পুত্র সন্তানরা বড় হলেও নেশাখোর মোঃ দুলাল হাওলাদার প্রায়ই নেশায় আশাক্ত থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই মারধেরের ঘটনা ঘটে। স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দেড় বছর পূর্বে স্ত্রী মোসাঃ রেশমা আক্তার রিপা দুই পুত্র সন্তান নিয়ে ঢাকায় গার্মেন্সে চাকুরিতে যায়। এদিকে বড় ছেলেকে নিয়ে দুলাল হাওলাদার বাড়ি থাকেন। স্বামী দুলাল স্ত্রীকে ঢাকা থেকে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় শুক্রবার ১৮ বছর পূর্বে মারা যাওয়া শশুড় মৃত্যু সেকান্দার হাওলাদারের কবর খুঁড়তে আসলে এলাকাবাসী বাধা প্রদান করলেও পাষন্ড মোঃ দুলাল হাওলাদার এলাকাবাসীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হুমকি প্রদান করেন।

এসময় স্থানীয়রা কোনো উপায়ত্ত না পেয়ে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পৌছলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহতায় কবরে মাটি দেয়া হয়।

অভিযুক্ত মোঃ দুলাল হাওলাদারের ছোট ভাই মোঃ মাসুদ হাওলাদার জানান,আমার ভাই দুলাল একজন নেশাখোর থাকায় তার স্ত্রীর দুই সন্তান নিয়ে ঢাকায় একটি গামের্ন্স চাকুরি করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক স্থানীয় একাধীকরা জানায় দুলালের বড় ভাই আসলাম, ছোট ভাই মাসুদও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে।

এ ব্যাপারে বাবুগঞ্জ থানার ওসি তুষার কুমার মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাবুগঞ্জে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শশুড়ের কবর খুঁড়ে গাঁয়ের ঝাল মেটাল নেশাখোর স্বামী দুলাল

আপডেট সময় : ০৩:২৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শশুড়ের কবর খুঁড়ে গাঁয়ের ঝাল মেটাল নেশাখো স্বামী মোঃ দুলাল হাওলাদার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের দেহেরগতি গ্রামে মৃত্যু সেকান্দার হাওলাদারের বাড়িতে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর পূর্বে মোঃ সেকান্দার হাওলাদারের মেয়ে মোসাঃ রেশমা আক্তার রিপাকে বিয়ে করেন শাহজাহান হাওলাদারের পুত্র মোঃ দুলাল হাওলাদার। আপন চাচাতো বোনকে বিয়ে করেন এবং ওই ঘরে তিনটি পুত্র সন্তান রয়েছে। পুত্র সন্তানরা বড় হলেও নেশাখোর মোঃ দুলাল হাওলাদার প্রায়ই নেশায় আশাক্ত থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই মারধেরের ঘটনা ঘটে। স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দেড় বছর পূর্বে স্ত্রী মোসাঃ রেশমা আক্তার রিপা দুই পুত্র সন্তান নিয়ে ঢাকায় গার্মেন্সে চাকুরিতে যায়। এদিকে বড় ছেলেকে নিয়ে দুলাল হাওলাদার বাড়ি থাকেন। স্বামী দুলাল স্ত্রীকে ঢাকা থেকে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় শুক্রবার ১৮ বছর পূর্বে মারা যাওয়া শশুড় মৃত্যু সেকান্দার হাওলাদারের কবর খুঁড়তে আসলে এলাকাবাসী বাধা প্রদান করলেও পাষন্ড মোঃ দুলাল হাওলাদার এলাকাবাসীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে হুমকি প্রদান করেন।

এসময় স্থানীয়রা কোনো উপায়ত্ত না পেয়ে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পৌছলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহতায় কবরে মাটি দেয়া হয়।

অভিযুক্ত মোঃ দুলাল হাওলাদারের ছোট ভাই মোঃ মাসুদ হাওলাদার জানান,আমার ভাই দুলাল একজন নেশাখোর থাকায় তার স্ত্রীর দুই সন্তান নিয়ে ঢাকায় একটি গামের্ন্স চাকুরি করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক স্থানীয় একাধীকরা জানায় দুলালের বড় ভাই আসলাম, ছোট ভাই মাসুদও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে।

এ ব্যাপারে বাবুগঞ্জ থানার ওসি তুষার কুমার মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।