সংবাদ শিরোনাম ::
ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজারে সাউন্ড সিস্টেম ও ডিজে ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চুয়াডাঙ্গায় গণপরিবহন ষ্টাফদের ডোপ টেস্ট পটুয়াখালীতে ধর্ষণের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, খুলনা বিভাগে নতুন আক্রান্ত ৮৫ বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত,হত্যা মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি সান্টু: ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ ​রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ​ ঝালকাঠিতে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দোকান দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, থানায় দুই অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নদীভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজম ও “ধানসিঁড়ি সাংস্কৃতিক পল্লী”

হারিয়ে যেতে বসেছে কুমার খালির মৃৎশিল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ভালো নেই ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুমারখালীর মৃৎশিল্প বাচানো কুমারেরা।বিলুপ্ত হবার শংকায় এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প।কুমারদের ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই এই স্থানটির নাম হয়েছিলো কুমারখালী বাজার।এখানে আদিকাল থেকেই জমজমাট সাপ্তাহিক হাট মিলতো সপ্তাহে দুই দিন।যেটি নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠী গ্রামের নাম ছাপিয়ে বিখ্যাত ছিলো পুরো জেলায়।
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই দেশীয় শিল্প।বাজার হারাতে হারাতে লোকশানের মুখে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

প্রায় অর্ধশত বছরের অধিক পুরনো এই শিল্পে এক সময় প্রায় ৫০-৬০ জন কারিগর এর সাথে যুক্ত থাকলেও এখন মাত্র তিনটি পরিবার এই পেশায় যুক্ত আছেন।তাদের আশংকা রয়েছে হয়তো তাদের পরে এই শিল্পটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এখান থেকে।

এখানে খেজুর গাছের রসের হাড়ি,মাটির তৈরি ব্যাংক,মুরি ভাজার পাত্র,জালে ব্যবহার করা চাড়া,গাছের চারার টালি,টব,গরুর পানি পান করানোর বড় চাড়ি,খাবারের মালসা সহ কয়েক প্রকার তৈজসপত্র তৈরি করা হতো।বিশেষ করে খেজুরের রসের মৌসুমে এক সময় প্রচুর রসের হাড়ি বিক্রি করে লাভবান হত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হারিয়ে যেতে বসেছে কুমার খালির মৃৎশিল্প

আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ভালো নেই ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুমারখালীর মৃৎশিল্প বাচানো কুমারেরা।বিলুপ্ত হবার শংকায় এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প।কুমারদের ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই এই স্থানটির নাম হয়েছিলো কুমারখালী বাজার।এখানে আদিকাল থেকেই জমজমাট সাপ্তাহিক হাট মিলতো সপ্তাহে দুই দিন।যেটি নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠী গ্রামের নাম ছাপিয়ে বিখ্যাত ছিলো পুরো জেলায়।
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই দেশীয় শিল্প।বাজার হারাতে হারাতে লোকশানের মুখে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

প্রায় অর্ধশত বছরের অধিক পুরনো এই শিল্পে এক সময় প্রায় ৫০-৬০ জন কারিগর এর সাথে যুক্ত থাকলেও এখন মাত্র তিনটি পরিবার এই পেশায় যুক্ত আছেন।তাদের আশংকা রয়েছে হয়তো তাদের পরে এই শিল্পটি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এখান থেকে।

এখানে খেজুর গাছের রসের হাড়ি,মাটির তৈরি ব্যাংক,মুরি ভাজার পাত্র,জালে ব্যবহার করা চাড়া,গাছের চারার টালি,টব,গরুর পানি পান করানোর বড় চাড়ি,খাবারের মালসা সহ কয়েক প্রকার তৈজসপত্র তৈরি করা হতো।বিশেষ করে খেজুরের রসের মৌসুমে এক সময় প্রচুর রসের হাড়ি বিক্রি করে লাভবান হত।