সংবাদ শিরোনাম ::
বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, ববি শিক্ষার্থীসহ আহত ৫ ঝালকাঠি জেলায় কোনো বৈধ বালু মহল নেই। এরপরও যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত, তারা যে-ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জেলা প্রশাসক মোরেলগঞ্জে ৯ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ জীবননগর সীমান্তে ৩ নারী-পুরষের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন,গাজীপুরে একই গার্মেন্টসে চাকুরীকালে বিয়ে ঝালকাঠি জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির শপথগ্রহণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে নিখোঁজের এক মাসেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূ আসমার। খুলনায় ৩ হাজার ৯৫৮ ইয়াবাসহ মোরেলগঞ্জের দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪ রাজাপুরে ২২ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক

ধান চুরির মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩ ১৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ক্ষেতের ধান চুরির মামলায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন জসিমসহ ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তারেক আজিজ আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। মামলার বাদী জামেনারা আক্তার লিনা কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ গ্রামের ডা. সৈয়দ জাকির হোসেনের স্ত্রী। আসামি ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে বাদীর চাচা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আদনান আমিন, ফরহাদ হোসেন, ইফতেখার হোসেন শাওন, নুরুল আমিন, অজি উল্যাহ, খোরশেদ আলম, নোমান পাটওয়ারী, সফি উল্যাহ। বাদী ও আসামিরা সবাই একই পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়। তাদের বাড়ি রামগতি উপজেলার চরসীতা গ্রাম ও কমলনগর উপজেলার চরলরেন্স গ্রামে।

বাদীর আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধান চুরি মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জসিমসহ অন্য আসামিরা আদালতে জামিন আবেদন করেন।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিরা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বাদীর জমিতে থাকা ২৫০ মণ ধান চুরি করে নিয়ে যান।

মামলার এজাহার থকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাতে চেয়ারম্যান জসিম ও তার বড় ভাই নুরুল আমিন, ছেলে ইফতেখার হোসেন শাওনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা তোরাবগঞ্জ গ্রামে বাদীর ৪ একর ৪৫ শতাংশ জমিতে থাকা ২৫০ মণ আমন ধান কেটে নিয়ে যান।

ধানগুলোর বাজার মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা। ধান লুটে বাধা দেওয়ায় বাদীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর জামেনারা আক্তার বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কমলনগর আদালতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তখন আদালত ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। চলতি বছর ১৫ মার্চ থানা পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার আদালতে মামলা শুনানির পূর্বনির্ধারিত সময় ছিল। এতে বাদী ও আসামিরা আদালতে উপস্থিত হন। এ সময় আসামিরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ধান চুরির মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩

আজকের ক্রাইম ডেক্স : ক্ষেতের ধান চুরির মামলায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন জসিমসহ ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তারেক আজিজ আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। মামলার বাদী জামেনারা আক্তার লিনা কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ গ্রামের ডা. সৈয়দ জাকির হোসেনের স্ত্রী। আসামি ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে বাদীর চাচা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আদনান আমিন, ফরহাদ হোসেন, ইফতেখার হোসেন শাওন, নুরুল আমিন, অজি উল্যাহ, খোরশেদ আলম, নোমান পাটওয়ারী, সফি উল্যাহ। বাদী ও আসামিরা সবাই একই পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়। তাদের বাড়ি রামগতি উপজেলার চরসীতা গ্রাম ও কমলনগর উপজেলার চরলরেন্স গ্রামে।

বাদীর আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধান চুরি মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জসিমসহ অন্য আসামিরা আদালতে জামিন আবেদন করেন।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিরা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বাদীর জমিতে থাকা ২৫০ মণ ধান চুরি করে নিয়ে যান।

মামলার এজাহার থকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর রাতে চেয়ারম্যান জসিম ও তার বড় ভাই নুরুল আমিন, ছেলে ইফতেখার হোসেন শাওনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা তোরাবগঞ্জ গ্রামে বাদীর ৪ একর ৪৫ শতাংশ জমিতে থাকা ২৫০ মণ আমন ধান কেটে নিয়ে যান।

ধানগুলোর বাজার মূল্য প্রায় আড়াই লাখ টাকা। ধান লুটে বাধা দেওয়ায় বাদীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর জামেনারা আক্তার বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কমলনগর আদালতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তখন আদালত ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। চলতি বছর ১৫ মার্চ থানা পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার আদালতে মামলা শুনানির পূর্বনির্ধারিত সময় ছিল। এতে বাদী ও আসামিরা আদালতে উপস্থিত হন। এ সময় আসামিরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।