সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন ঘোড়াঘাটের পাশা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেনের চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় নাগরিক সেবা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারী দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বিনিময় সভা,

বাবুগঞ্জের জোড়া খুনের আসামীদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের সরকারি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুন নাহার রিপা আক্তার ও তার দাদী শাশুড়ী লালমুন বিবি কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬মে) দুপুর ১ টার দিকে জোড়া খুনের আসামী সোলায়মান সোহাগ ও মাতা মিনারা বেগমের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গেটের সড়কের সামনে কলেজের শিক্ষার্থীরা ও নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী এ মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে নিহত রিপার পরিবার ও শিক্ষার্থী ছাড়াও কয়েক শতাধিক লোক অংশ নেন।

মানববন্ধনে নিহত রিপা আক্তারের বাবা মোহাম্মদ শাজাহান খান বলেন, বিয়ের কিছু দিন থেকেই সোলায়মান (সোহাগ) যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে মারধর শুর করে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিমাংশার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই আমরা। হত্যার কিছুদিন আগেও রিপা আমাকে বলেছিলো সোলায়মান বিদেশ যাবে তার জন্য টাকা লাগবে। আমি সেই টাকা না দেওয়ায় সোলায়মান ও তার মা মিনারা বেগম আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচারের দাবি করছি, তাদের ফাঁসি চাই।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ গোলাম হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খন্দকার কামাল হোসেন, চাঁদপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী প্রমূখ।

এসময় বক্তারা আরো বলেন, যৌতুকের কারণে রিপাকে হত্যা করেছে তার স্বামী সোলায়মান ও তার পরিবারের সদস্যরা। হত্যাকারিদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি করেন তারা।

উল্লেখ্য বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে ১০২ বছরের এক নারী ও তার নাত বউয়ের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

মৃতরা হলেন- মৃত লালমুন নেছা (১০২) বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য দেলোয়ার হোসেনের মা। দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সোলায়ামানের স্ত্রী রিপা আক্তার (২০)।

স্থানীয়দের বরাতে বাবুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অলিউল ইসলাম বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১ টার দিকে প্রতিবেশী এক নারী টয়লেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে বাড়িতে দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে নিজেদের গোয়াল ঘরের গরুসহ সবকিছু ঠিক আছে কিনা দেখতে যান। পরে ঘরে ফেরার সময় সাবেক ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেনের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সারাশব্দ না পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের বাড়ির লোকজনও সেখানে জড় হন। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতর গিয়ে তিন নারীকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ওই দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জের জোড়া খুনের আসামীদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

বাবুগঞ্জ(বরিশাল) প্রতিনিধিঃ বরিশালের সরকারি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুন নাহার রিপা আক্তার ও তার দাদী শাশুড়ী লালমুন বিবি কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা মামলার আসামীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬মে) দুপুর ১ টার দিকে জোড়া খুনের আসামী সোলায়মান সোহাগ ও মাতা মিনারা বেগমের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গেটের সড়কের সামনে কলেজের শিক্ষার্থীরা ও নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী এ মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে নিহত রিপার পরিবার ও শিক্ষার্থী ছাড়াও কয়েক শতাধিক লোক অংশ নেন।

মানববন্ধনে নিহত রিপা আক্তারের বাবা মোহাম্মদ শাজাহান খান বলেন, বিয়ের কিছু দিন থেকেই সোলায়মান (সোহাগ) যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে মারধর শুর করে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিমাংশার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই আমরা। হত্যার কিছুদিন আগেও রিপা আমাকে বলেছিলো সোলায়মান বিদেশ যাবে তার জন্য টাকা লাগবে। আমি সেই টাকা না দেওয়ায় সোলায়মান ও তার মা মিনারা বেগম আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচারের দাবি করছি, তাদের ফাঁসি চাই।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ গোলাম হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খন্দকার কামাল হোসেন, চাঁদপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন রাঢ়ী প্রমূখ।

এসময় বক্তারা আরো বলেন, যৌতুকের কারণে রিপাকে হত্যা করেছে তার স্বামী সোলায়মান ও তার পরিবারের সদস্যরা। হত্যাকারিদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবি করেন তারা।

উল্লেখ্য বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে ১০২ বছরের এক নারী ও তার নাত বউয়ের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

মৃতরা হলেন- মৃত লালমুন নেছা (১০২) বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য দেলোয়ার হোসেনের মা। দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সোলায়ামানের স্ত্রী রিপা আক্তার (২০)।

স্থানীয়দের বরাতে বাবুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অলিউল ইসলাম বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১ টার দিকে প্রতিবেশী এক নারী টয়লেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে বাড়িতে দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে নিজেদের গোয়াল ঘরের গরুসহ সবকিছু ঠিক আছে কিনা দেখতে যান। পরে ঘরে ফেরার সময় সাবেক ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেনের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সারাশব্দ না পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের বাড়ির লোকজনও সেখানে জড় হন। পরে স্থানীয়রা ঘরের ভেতর গিয়ে তিন নারীকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ওই দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।